মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢাবিতে অফিসারদের জন্য ২০তলা আবাসিক ভবন হচ্ছে

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫
ঢাবিতে অফিসারদের জন্য ২০তলা আবাসিক ভবন হচ্ছে
  • প্রস্তাবিত শেখ রাসেল টাওয়ার নির্মাণে ব্যয় হবে ৮৮ কোটি টাকা

হামিদ-উজ-জামান মামুন ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারদের জন্য তৈরি হচ্ছে শহীদ শেখ রাসেল টাওয়ার। ফলে অফিসারদের আবাসন সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের নামে এটি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০ তলা বিশিষ্ট এ টাওয়ার ভবনটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এ টাওয়ারটি নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য হুমাযুন খালিদ জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারদের জন্য এ শহীদ শেখ রাসেল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটির প্রক্রিয়াকরণ শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯০০ কর্মকর্তা রয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র ১১৯ কর্মকর্তার জন্য আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের আবাসন সমস্যা সমাধানে একটি টাওয়ার নির্মাণের আশ্বাস দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে অনুমোদনের প্রক্রিয়াকরণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।

২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রস্তাবিত ভবনটি ১০ তলার পরিবর্তে ২০ তলা পর্যন্ত নির্মাণের সুপারিশ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ভবনটি ২০ তলা পর্যন্ত নির্মাণের সংস্থান রেখে ৮০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। পুনর্গঠিত ডিপিপির ওপর ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বার পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেট সিডিউল ২০১১ সালের পরিবর্তে ২০১৪ সালের রেট সিডিউল ধরে মোট ব্যয় ৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা ধরে এবং বাস্তবায়নকাল ২০১৮ সাল পর্যন্ত ধরে পুনর্গঠিত ডিপিপি পুনরায় পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, ২০ তলা ভিত্তির ওপর ২০ তলা টাওয়ার ভবন নির্মাণ, পাম্প স্থাপন, ২০০ কেভিএ সাব-স্টেশন স্থাপন, জেনারেটর, লিফট এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অর্থবছরভিত্তিক বরাদ্দ চাহিদা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে ৮ কোটি টাকা, আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫০ কোটি টাকা এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫

২০/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: