মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

২০ দলীয় নেতাদের দোকানপাট গণপরিবহন চালু

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ ২০১৫
  • ময়মনসিংহে হরতালেও জনজীবন স্বাভাবিক

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ॥ বিএনপি জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা টানা অবরোধ আর হরতালেও চুটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে ময়মনসিংহের জোট নেতা কর্মী ও সমর্থকরা। ফলে হরতাল অবরোধেও স্বাভাবিক রয়েছে ময়মনসিংহের জনজীবন এবং গণপরিবহন চলাচল। ময়মনসিংহের কোথাও কোন পিকেটিং কিংবা নাশকতা না থাকায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে নাগরিক জীবনেও। তবে হরতাল অবরোধে ময়মনসিংহের জনজীবন বিপর্যস্তÑ এমন দাবি করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ জানান, হরতাল অবরোধে ২০ দলীয় জোটের কোন নেতাকর্মীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হচ্ছে না। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন সার্ভিসও। বিএনপির নেতার এমন দাবিকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ময়মনসিংহ শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত। তিনি জানান, হরতাল অবরোধের মধ্যেও ময়মনসিংহের জনজীবন কেবল স্বাভাবিকই নয়, প্রতিদিন যানজটের কবলে পড়ে ময়মনসিংহবাসী নাকাল হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শহরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক আসাদ মার্কেটের ভেতরে মুক্তা স্টোরের মালিক জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম। হরতাল অবরোধের মধ্যেও বাণিজ্যিক মার্কেট খোলা থাকায় নিয়মিত খোলা রাখা হচ্ছে মুক্তা স্টোর। চলছে বেচাবিক্রিও। দোকান কর্মচারী সাগর জানায়, মার্কেটের সবাই দোকান খোলা রাখছে বলে বাধ্য হয়েই খুলতে হচ্ছে জামায়াত নেতার মালিকানাধীন এ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বাণিজ্যিক মার্কেটের কেবল এ মুক্তা স্টোরই নয়, জামায়াত নেতার মালিকানাধীন ও ইসলামী ব্যাংকের অর্থসহায়তায় নির্মিত শহরের ট্রাঙ্কপট্টি এলাকার বহুতল বাণিজ্যিক মার্কেট হেরা ট্রেড সেন্টারও খোলা রাখা হচ্ছে নিয়মিত। শহরের গাঙিনাপাড় সড়কে জামায়াত নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠার স্টার সাইকেল, শহরের চরপাড়ার জামায়াত শিবিরের মালিকানাধীন আলকেমি প্রাইভেট হাসপাতাল, রামকৃষ্ণ রোডে বিএনপি-জামায়াতের মালিকানাধীন স্বদেশ হাসপাতালসহ বিএনপি-জামায়াত ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হরতাল অবরোধেও খোলা রাখা হচ্ছে নিয়মিত।

চট্টগ্রামে কেইপিজেড এমডির অপসারণ দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজেড) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসিরের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে চাকরিচ্যুত শ্রমিক ও এলাকাবাসী। ঘোষিত আল্টিমেটাম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় সোমবার ভোর থেকে তারা শুরু করেছে অবস্থান ধর্মঘট। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। চাকরিচ্যুত শ্রমিক ও এলাকার মানুষ কেইপিজেডের এক, দুই ও তিন নম্বর গেটে অবস্থান গ্রহণ করে সোমবার ভোরে। প্রধান গেট এবং স্থল ও নৌ-পথ অবরুদ্ধ থাকায় কেইপিজেডের ভেতরে কোন কর্মকর্তা প্রবেশ করতে পারেনি।

আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওয়াব আলী বলেন, আমরা শিল্পাঞ্চলের বিরুদ্ধে নই, দুর্নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে। কেইপিজেড এমডি হাসান নাসির অত্যন্ত অন্যয়ভাবে শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করেছেন। কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ শহীদ মিনার ও প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ভেঙ্গে ফেলেছে। কবর ও শ্মশানের জায়গা দখল করেছে। এছাড়া এমডির বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসিরের অপসারণ চায় বলে জানান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কেইপিজেড এমডিকে অপসারণের জন্য আমরা ৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও বহাল রয়েছেন এই কর্মকর্তা। এমডি অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিক ও এলাকাবাসীর আন্দোলন চলবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ ২০১৫

১৭/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: