কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সাহিত্যে তৃতীয় নির্মাণ

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ ২০১৫
  • মুহাম্মদ ফরিদ হাসান

‘জীবন সম্ভবত বিশৃঙ্খল। শিল্প তাকে শৃঙ্খলা দ্যায়। সাহিত্য তাকে শৃঙ্খলা দ্যায়। সমালোচনাও তাকে শৃঙ্খলা দ্যায়। সমালোচনা হচ্ছে তৃতীয় নির্মাণ। প্রথম নির্মাণ জীবন, যে জীবনের কোন বিকল্প সম্ভব নয়। দ্বিতীয় নির্মাণ সৃষ্টিকর্ম, যা সরাসরি জীবন থেকে পরিগ্রহণ করে। সমালোচনা তৃতীয় নির্মাণ, কেননা সৃষ্টিকর্ম ও জীবন দুয়ের সঙ্গেই তার বিনিময় চলে। বিনিময়ই তাকে সমাজমনস্ক করে; নির্জন, একাকী, বিভক্তি থাকতে দ্যায় না। সেজন্য এমন সমালোচনা সম্ভব, যা শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্মের তুল্য বা প্রতিদ্বন্দ্বী।’ Ñআবদুল মান্নান সৈয়দ

উনিশ শতকের মধ্যভাগে রাজেন্দ্রলাল মিত্র সম্পাদিত ‘বিবিধার্থ সংগ্রহ’ (১৮৫১) মাসিক পত্রের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম সমালোচনার সূত্রপাত ঘটে। কালীপ্রসন্ন সিংহ এ পত্রিকায় বেশ ক’জন লেখকের রচনাকর্ম নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করেছিলেন। তাই কালীপ্রসন্ন সিংহকে অনেকেই বাংলা সাহিত্যের আদি সমালোচক হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। পরবর্তীতে বঙ্কিচন্দ্র সমালোচনা সাহিত্যকে সরব করেন এবং বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণ প্রাজ্ঞতায় সমালোচনা সাহিত্যকে ভিন্ন উচ্চতায় উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। এজন্য বঙ্কিমচন্দ্র সমালোচনা সাহিত্যের অগ্রদূত হিসেবে আজও সমাদৃত। তাঁর পথ ধরে রঙ্গলাল, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মধুসূদন দত্ত হয়ে বুদ্ধদেব বসু, দীনেশচন্দ্র, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, মোহিতলাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সৈয়দ আলী আহসান, হাসান হাফিজুর রহমান, আবদুল মান্নান সৈয়দেরা সমালোচনাকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের প্রতিভামুখরতায় সমৃদ্ধ হয়েছে সাহিত্যঙ্গনের এ শাখাটি।

সাহিত্যের নিগূঢ় রস আবিষ্কার, লেখকের মনোভাব উপলব্ধি, তত্ত্বগত বিশ্লেষণ, ভুল-শুদ্ধি নিরূপণ এবং ভাল লাগা মন্দ লাগার কথা পক্ষপাতহীনভাবে বলে যাওয়ার কাজই সমালোচকরা করে থাকেন; এবং এ কাজে পাঠক ও লেখক উভয়ই প্রকৃত অর্থে লাভবান হন। কেননা সমালোচনার মাধ্যমে লেখকের কর্ম পারঙ্গমতার পাশাপাশি তাঁর সীমাবদ্ধতার কথাও দৃষ্টিগোচর হয়। ফলে লেখক পরবর্তীতে চেষ্টা করেন তাঁর সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে উঠতে এবং নতুন নতুন চিন্তা-চেতনায় নিজেকে ঋদ্ধ করতে। একই সঙ্গে সমালোচক বিশ্লেষণ রেখায় দাঁড়িয়ে রচনার ভাব উন্মোচন করতে পাঠককে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেন। লেখক ও পাঠকের যোগসূত্র স্থাপন করার জন্যই সমালোচনাকে আবদুল মান্নান সৈয়দ বলেছেন তৃতীয় নির্মাণ।

পঠন-পাঠনে, বিষয় বৈচিত্র্যে সমালোচক তাঁর চিন্তার জায়গাকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যান; দেশীয় ও বিশ্ব সাহিত্যে তাঁর দখল থাকে উল্লেখ করার মতোÑ ফলে বিভিন্ন আঙ্গিক, চিন্তাধর্মী লেখা সম্পর্কে তিনি তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও পার্থক্য নির্ণয়ে সাবলীলতার পরিচয় দিতে সক্ষম হন। তবে নিপুণ সমালোচনা করার জন্য এসব গুণাবলীর পাশাপাশি একজন সমালোচককে অবশ্যই রুচিনিষ্ঠতার পরিচয় দিতে হয়; কেননা এও সত্য যে, নিজস্ব রুচিকে সার্বজনীন রুচিতে রূপান্তর করার মতো কঠিন পরীক্ষায় সমালোচককে উত্তীর্ণ হতে হয়। সমালোচকের সততা, অন্তর্দৃষ্টির তীব্রতা ও রুচিনিষ্ঠতা না থাকলে ভাল সমালোচনার দেখা পাওয়া সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে গবেষক ও প্রাবন্ধিক অনু হোসেনের ‘সাহিত্যসিন্ধুর অভিযাত্রী’ প্রবন্ধ থেকে ক’লাইন উদ্ধৃতি করা যাকÑ ‘সমালোচককে হতে হয় একাগ্র, সজাগ, দায়িত্বশীল ও রুচিনিষ্ঠ। সমালোচকের রুচি সার্বজনীন ও একই সঙ্গে উৎকৃষ্ট না হলে সমালোচনা ও অধীত সাহিত্যের লক্ষ্য দুুটিই অকেজো হতে পারে। সমালোচকের থাকতে হবে ধারণ, গ্রহণ ও নির্বাচন করার নিরপেক্ষ চোখ।... সমালোচকের রুচি, কৌতূহল ও নিষ্ঠার প্যারামিটারের উপর নির্ভর করে উচ্চমানের সমালোচনা।’

সমালোচক অবশ্যই ধৈর্যশীল একজন সুপাঠকও বটে। সমালোচককে ‘সুপাঠক’ হিসেবে অভিহিত করা যায়। বোদ্ধা পাঠক মাত্রই পঠিত সাহিত্যকর্মটির রহস্য উন্মোচন করতে আগ্রহী হন; নিজের অনুভূতি অন্য পাঠকের কাছে প্রকাশে প্রয়াসী হন। সমালোচককে ‘জনরুচির স্রষ্টা’ অবহিত করে মিডলটন মারি যথার্থই বলেছেনÑ ‘সমালোচক বাস্তবিক অর্থে সেই বিশেষ পাঠক যিনি শিল্পকর্মটিকে তার সামগ্রিকতায় যাচাই ও ব্যাখ্যা করার জন্য নিজেকে যথার্থভাবে শিক্ষিত এবং প্রস্তুত করেছেন এবং যিনি তার সহৃদয় সৃষ্টিধার্মকতায়, তার আবেগ-মনন-কল্পনা শক্তিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুরো সৃজন পক্রিয়াটিকে সাধারণ পাঠকের মনে পুনঃসৃষ্টিতে সক্ষম।...তিনি ব্যক্তি বিশেষ হয়েও নৈর্ব্যত্তিক জনরুচির স্রষ্টা।’

গভীর সমুদ্রে ডুব দিয়ে মুক্তো শিকারী যেমন মুক্তোর খোঁজ করেন, তেমনি সমালোচকও লেখকের রচনায় ডুব দিয়ে উৎকৃষ্টতার অনুসন্ধান করে বেড়ান। তবে এক্ষেত্রে সমালোচক আরেকধাপ এগিয়ে কাজ করেন। শিকারীর মতো মুক্তো পেয়েই সমালোচক তুষ্ট থাকেন না, তিনি ভালর পাশাপাশি মন্দেরও ব্যবচ্ছেদ করেন। ভাল-মন্দের অনুসন্ধানই সমালোচককে তাঁর কাক্সিক্ষত গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। সমালোচক যেমন কারও তোয়াজ-তোয়াক্কা করেন না, তেমনি কাউকে তুষ্ট করার জন্য বা কারও ওপর রুষ্ট হয়েও সমালোচক সমালোচনা করেন না। ন্যায়ের পথে তাঁর অবস্থান কিছুটা বিচারকদের মতোই। সুতরাং সমালোচককে তাঁর কর্তব্যের খাতিরেই ব্যক্তি প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করে যেতে হয়। আবার সমালোচকের ব্যক্তি পছন্দ কী সমালোচনার ক্ষেত্রে সেটিও মুখ্য বিষয় নয়; বরং লেখক রচনায় কী দেখাতে চেয়েছেন তা-ই মুখ্য। এজন্য টিএস এলিয়ট মনে করতেনÑ ‘চমৎকার সমালোচক তিনিই, যিনি লেখককে তার মতো বানাতে চেষ্টা করবেন না। লেখক কী করতে চেয়েছেন সেটাই তিনি উপলব্ধি করতে চেষ্টা করবে।’

সমালোচকের প্রধান কাজ রচনাকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা, তাঁর প্রধান কাজ রচনার দোষ-ক্রটি বা ছিদ্রান্বেষণ নয়। রচনাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লেখকের ভুল-ক্রটিগুলো সমালোচকের চোখে পড়বে এটাই স্বাভাবিক, সমালোচক সেসব দিক নিয়েও আলোচনা করবেন। কেউ যদি দোষ-ক্রটি অন্বেষণ করাকে সমালোচনার মুখ্য বিষয় হিসেবে নেয়, তবে সমালোচক তাঁর উদ্দেশ্য থেকে যেমন বিচ্যুত হবেন, তেমনি সমালোচনা কর্মটিও তার উপযোগিতা হারাবে। এ কথা ঠিক, কর্তব্যে খাতিরেই সমালোচক লেখকের বিষয়চিন্তা, উপলব্ধি, মননশীলতা ধরতে চেষ্টা করবেন, পাশাপাশি ভুল-ক্রটিগুলো নিয়েও আলোচনা করবেন। কেমন হলে ভাল হতো সে কথাও যুক্তিসহকারে বলবেন। সত্যিকার সমালোচনায় লেখক-পাঠক দু’শ্রেণীই লাভবান হবে। এজন্য শ্রীশচন্দ্র দাশ বলেছেনÑ ‘সত্যিকার সমালোচনা পথভ্রষ্ট সাহিত্যিককে নিয়ন্ত্রণ করে তাঁকে দৃষ্টিদান করে এবং সাধারণ পাঠকের দৃষ্টি শাণিত ও অনুভূতিকে জাগ্রত করে।’ কিন্তু কোন কোন লেখক নেতিবাচক সমালোচনা সহ্য করতে না পারায় এবং কোন কোন সমালোচকের (?) উদ্দেশ্য দোষ-ক্রটি অন্বেষণ হওয়ায় সমালোচনা সাহিত্য শুরুর দিক থেকেই লেখক-সমালোচকের মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান ছিল, এ বিরোধ এখনও টিকে আছে। বিশ্ব সাহিত্যের অনেক বাঘা বাঘা সাহিত্যিকই সমালোচকদের তীব্র ভর্ৎসনা করতে কুণ্ঠিত হননি। স্বয়ং টলস্তয় সমালোচকদের প্রতি কোপদৃষ্টি হেনে বলেছিলেনÑ ‘পৎরঃরপং ধৎব ঃযব ংঃঁঢ়রফ যিড় ফরংপঁংং ঃযব রিংব.’ আমাদের ‘শুদ্ধতম কবি’ জীবনানন্দ দাশও সমালোচকদের প্রতি ছিলেন ত্যক্ত বিরক্ত। ‘সমারূঢ়’ কবিতায় তিনি সমালোচকদের উদ্দেশ্য করে বলেনÑ ‘বরং তুমিই লেখ নাকো একটি কবিতাÑ/ বললাম ম্লান হেসে ছায়াপি দিল না উত্তর;/বুঝিলাম সে তো কবি নয়Ñ সে যে ভনিতা/ পাণ্ডুলিপি, ভাষ্য, টিকা কালি আর কলমের ’পর বসে আছে সিংহাসনেÑ কবি নয় অজর অক্ষর/অধ্যাপক দাঁত নেইÑ চোখে তার অক্ষম পিচুটি...।’ শুধু জীবনানন্দ নয়, অনেক কবি লেখকই সমালোচকদের ‘অধ্যাপক’, ‘ঝুনোপণ্ডিত’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন। লেখক-সমালোচকদের এমন বিরোধমূলক আচরণের কারণ সম্পর্কে লিখতে গিয়ে মাহবুবুল আলম ‘সমালোচনা সাহিত্য : সমালোচক-লেখকের দায়বদ্ধতা’ নিবন্ধে লিখেছেনÑ ‘সমালোচনার আদি পর্ব থেকে লেখক ও সমালোচকের মধ্যে বিরোধ ও অবিশ্বাসের এক অদৃশ্য কাঁচের দেয়াল সৃষ্টি হয়েছে। এটা আগে যেমন ছিল এখনও তা-ই আছে। এর জন্য দায়ী উভয় পক্ষই। লেখক যেমন সমালোচকের নেতিবাচক সমালোচনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেন না, তোমনি কোন কোন সমালোচকও সাহিত্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন ইতিবাচক দিকগুলোর চেয়ে নেতিবাচক দিকগুলোকেই প্রাধান্য দিতে গিয়ে এবং নিজের জ্ঞানের পরিধি ও পাণ্ডিত্য জাহিরে প্রবৃত্ত হন এবং নানা ধরনের ছিদ্র অšে¦ষণ করে লেখকের লেখা নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদান করে রচনাকে অখাদ্য-কুখাদ্য বলতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না। তাই লেখকও সুযোগ পেলে সমালোচকের বিদ্যার দৌড় নিয়েও প্রশ্ন তোলতে দ্বিধাবোধ করেন না।’ মাহবুবুল আলমের এক শতাব্দী আগে সতীশচন্দ্র রায় একবার ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন- ‘কেহ আমাদিগকে রচনার সমালোচনা করিয়া কেবল প্রসংশা না করিয়া কোনরূপ দোষ দেখাইলে আর আমাদিগের সহ্য হয় না। আমার তাহার প্রতিবাদে সমালোচকের যুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তি না দেখাইয়া তাঁহার উপর কেবল গালিবর্ষণ করি।’

বর্তমানে বাংলা সাহিত্যে উচ্চমানের সমালোচকের অভাব সর্বত্র লক্ষণীয়। এখন অনেক সমালোচকই আছেন যাদের পঠন-পাঠন অল্প, যারা সমালোচনায় রচনার কাক্সিক্ষত লক্ষ্য, গতি, প্রকৃতি ধারণ করতে অক্ষম। আবার অনেকেই আছেন যারা বই না পড়ে, তুলনামূলক বিশ্লেষণ না করে মুখস্থ সমালোচনা করে থাকেন। যাদের পঠন পাঠন কম, যারা নিজেদের বিজ্ঞতা প্রকাশ কিংবা অন্যের ত্রুটি প্রকাশের জন্য সমালোচনা করে থাকেন তাদের কাছে কী বা আশা করতে পারি আমরা। আর এমন সমালোচকদের ওপর কীভাবেই বা আস্থা রাখবেন লেখক ও পাঠককুল। তাই লেখক-পাঠক সম্প্রদায় প্রশ্ন করেন- ‘দুর্ভাগ্যক্রমে সমালোচকের প্রবীণতা অভিজ্ঞতা ও উপযুক্ত শিক্ষার অভাবে আমাদের দেশের সমালোচনা অনেক স্থলেই কেবলমাত্র উদ্ধত স্পর্ধার সূচনা করে, এবং কেমন করিয়া নিঃসংশয়ে জানিব যে তাহা আদর্শের ক্ষুদ্রতা, উদ্দেশ্যের হীনতা ও হৃদয়ের নীচতার পরিচয় প্রদান করে না?’ একবার আক্ষেপ করে শশাঙ্ক মোহন সেন বলেছিলেন- ‘তুলনা ব্যতীত প্রকৃত সমালোচনা নাই; বহুদর্শন ব্যতীত প্রকৃত তুলনা হইতে পারে না; আবার সহৃদয়তা ব্যতীত সমস্তই বিফল। বঙ্গীয় সমালোচনায় তিনের অভাব পরিদৃষ্ট...।’ এ অবস্থার এখনও কোন পরিবর্তন হয়নি। আমরা দু’মাসে কিংবা ছ’মাসে নিজেকে সমালোচক হিসেবে পরিচিত করতে উঠে পড়ে যাই। ফলে বর্তমান সমালোচনা সাহিত্য তার ঈপ্সিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছে না। উত্তরসূরী হিসেবে আমরা এখনও আবদুল মান্নান সৈয়দের মতো সামলোচনায় সিদ্ধহস্ত নিষ্ঠাবান কোন সমালোচকের দেখা পাইনি।

এটা সহজবোধ্য যে, প্রাজ্ঞ সমালোচকের অভাব কোন দেশের সাহিত্যের জন্য ভাল কিছু নয়। সমালোচনা সাহিত্যের এই খরা দিন দিন আরও প্রকট হয়ে উঠছে। লেখক সময় নিয়ে কাজ করে পর্যাপ্ত পঠন-পাঠন শেষে নিজস্ব পর্যবেক্ষণ নিয়ে সমালোচনা সাহিত্যে হাজির হবেন- এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।

কৃতজ্ঞতা :

১। সমালোচনা সাহিত্য/ ড. রহমান হাবিব

২। সমালোচনা সাহিত্য : সমালোচক-লেখকের দায়বদ্ধতা/ মাহবুবুল আলম

৩। সমালোচনা-সাহিত্য পরিপেক্ষিত ও সাম্প্রদায়িক প্রবণতা/ আহমেদ বাসার

৪। সাহিত্য সন্দর্শন/ শ্রীশচন্দ্র দাশ

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ ২০১৫

১৩/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: