মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল গর্ভধারণে আপনার খাদ্য তালিকা

প্রকাশিত : ১০ মার্চ ২০১৫

গর্ভধারণে কোন্ খাদ্যগুলো ভাল এ নিয়ে দ্বন্দ্বের শেষ নেই।

মায়ের পুষ্টি, পেটের শিশুর পুষ্টি সমানভাবে বিবেচ্য বিষয়। তাই মোটামুটি ভাল একটি খাদ্য তালিকা প্রণীত হলো।

ডিম : আপনি মাত্র ৯০ ক্যালরি পাচ্ছেন ডিমে। অথচ এতে ১২টা ভিটামিন ছাড়াও পাচ্ছেন বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও প্রোটিন। ডিমের প্রোটিন সহজপাচ্য ও গুণসম্পন্ন। আপনি ও আপনার ভেতরের শিশুটির জন্য প্রতিদিন যে প্রোটিন দরকার ডিম তা সরবরাহ করে। ডিমে কোলিন থাকে। কোলিন আপনার ভেতরের শিশুটির মস্তিস্ক বর্ধন ও অন্য সব গঠন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। ডিম আবার নার্ভের জটিলতা রোধ করে। ডিম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা আছে যে, ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায়, আসলে তা ঠিক নয়। কারণ ডিমে সেচুরেটেড ফ্যাট কম। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে। প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলার ১ থেকে ২টা ডিম খেতে হবে প্রতিদিন।

স্যামন : স্যামন মাছে অতি উৎকৃষ্ট প্রোটিন আছে, আর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিডে ভরপুর, বেড়ে ওঠা শিশুটির মস্তিষ্ক বর্ধনে যা অতীব উপকারী।

শিম : বিভিন্ন প্রকার শিমে প্রচুর প্রোটিন থাকে। প্রোটিন আঁশসমৃদ্ধ শিমের দানা গর্ভবতীকালীন কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোধ করে। শিমে থাকে প্রচুর আয়রন, ফলিক এ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও জিংক। এগুলো ভ্রƒণের গঠন ও বর্ধনে খুব সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুর ক্যারোটিনয়েড আমাদের দেহে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়।

পশু খাদ্য থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ বেশি ভক্ষণ ক্ষতিকারক হতে পারে। কিন্তু ক্যারিটিনয়েড থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন ‘এ’-তে কোন ক্ষতি নেই। সুতরাং ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ সবজি খেতে হবে। এছাড়া মিষ্টি আলুতে প্রচুর ফলিক এ্যাসিড ও আঁশ থাকে।

পপকর্ন ও অন্যসব খোসা সমেত খাদ্য : পপকর্নে আঁশ থাকে প্রচুর। থাকে নানা পুষ্টি যেমন : ভিটামিন ‘ই’, সেলেনিয়াম, ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট। প্রোটিনসমৃদ্ধও বটে। বাদাম : প্রচুর ওমেগা-৩ রয়েছে যা ভেতরের শিশুটির গঠনে সাহায্য করে।

ইউগার্ট : ইউগার্টে প্রচুর প্রোটিন থাকে। বিশেষ করে গ্রিন ইউগার্টে। ইউগার্টে রয়েছে ক্যালসিয়ামের প্রাচুর্য। গর্ভধারণে ক্যালসিয়ামের খুব দরকার।

ক্যালসিয়াম ভেতরের শিশুটির জন্য অতীব প্রয়োজনীয়, তার দেহ গঠনে।

গাঢ় সবুজ শাকসবজি : সবুজ শাকসবজি সব রকম ভিটামিন যেমন : এ, সি, কে-তে ভরা। এগুলো বাচ্চার চোখের স্বাস্থ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মাংস : মাংস খুবই উত্তম প্রোটিনের উৎস। তবে পাতলা চর্বিহীন মাংস খেতে হবে। চর্বিগুলো কেটে ফেলে দিতে হবে। তবে শিক কাবার, হট ডগ জাতীয় মাংস গ্রহণ করা উচিত হবে না। কারণ তাতে থাকে ব্যাকটেরিয়া ও প্যারাসাইট দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শাকসবজি ফলমূল গর্ভকালীন অব্যাহতভাবে গ্রহণ করতে হবে। গর্ভকালীন শেষের ৩ মাস বাচ্চা গর্ভের পানির (এ্যামনিওটিক) মাধ্যমে এই সব খাদ্য গ্রহণ করে। তার স্বাদ সে ভোলে না। পরবর্তীতে তার এসব খাদ্যের চাহিদা রয়ে যায়।

প্রকাশিত : ১০ মার্চ ২০১৫

১০/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: