কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অভিজিত হত্যার প্রতিবাদে বার্লিনে বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ৮ মার্চ ২০১৫

দাউদ হায়দার, বার্লিন থেকে ॥ ফাঁসি চাই বা মৃত্যুদন্ড চাই, এরকম সেøাগান, পোস্টার, প্ল্যাকার্ড নিষিদ্ধ জার্মানিসহ গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়নে। বিচার চাই, উপযুক্ত শাস্তি চাই মুখে বলুন, পোস্টার-প্ল্যাকার্ডে লিখুন আপত্তি নেই।

শনিবার দুপুরে বার্লিনের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বাংলাদেশ, ভারত, জার্মানি এবং নানাদেশের মানুষের ভিড়। হাতে পোস্টার, প্ল্যাকার্ড , মুখে সেøাগান অভিজিত রায় হত্যার বিচার চাই, কঠোর শাস্তি চাই, বাকস্বাধীনতা চাই। ধর্মীয় মৌলবাদী রুখতে হবে, দেশে-দেশে, সবদেশেই।

ধর্মীয় উন্মাদনা, উস্কানির মদদদাতা গোষ্ঠীকে কোনও প্রশ্রয় নয়।

বাংলাদেশে উগ্রধর্মীয় তা-বে বুদ্ধিজীবী, মুক্তচিন্তার মানুষ এখন কতটা নিরাপত্তাহীন, নিউ ইয়র্ক টাইমসের (শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০১৫) প্রথম সম্পাদকীয়তে বিশদ উল্লেখিত। লেখক, ব্লগার হত্যায় এখনও কোনও আততায়ী দৃষ্টান্তমূলক সাজা পায়নি বাংলাদেশে, বাংলাদেশ সরকারকেও তীব্র দোষারোপ করা হয়েছে সম্পাদকীয়তে, রাজীব হায়দার, অভিজিত রায় হত্যা প্রসঙ্গে।

লেখক-ব্লগার অভিজিত রায় হত্যাকান্ড ব্যাপক সাড়া ফেলেছে জার্মান মিডিয়ায়, বিশেষত প্রিন্ট মিডিয়ায়। অভিজিতের কিছু লেখার অংশবিশেষও উল্লেখিত, জার্মান অনুবাদে। তাঁর লেখার চিন্তা-বিশ্লেষণও প্রশংসিত।

অভিজিত রায় হত্যার প্রতিবাদে বার্লিনে মানববন্ধনে সামিল অনেকেরই একটিই প্রশ্ন, উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদীদের, হত্যাকারীদের কেন কঠোর শাস্তি হচ্ছে না বাংলাদেশে? মূল কারণ কি? একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আলবদররা এখনও কেন বহালতবিয়তে?

মানববন্ধনে কেবল বার্লিনবাসীই নন, জার্মানির বিভিন্ন শহর থেকেও বাংলাদেশের মানুষ যোগ দিয়েছেন। প্রত্যেকের বুকে কালোব্যাজ, হাতে অভিজিতের ছবির পোস্টার।

প্রকাশিত : ৮ মার্চ ২০১৫

০৮/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: