মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ছবির গল্প

প্রকাশিত : ৭ মার্চ ২০১৫
  • ব্যাঙের বন্ধুত্ব

বন্ধুত্ব এখন খুব দুর্লভ সম্পর্ক। বিশ্বব্যাপী ভেঙ্গে যাচ্ছে সকল মানবিক সম্পর্ক। ইউরোপে অনেক আগেই যৌথ পরিবার প্রথা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে এশিয়ার যৌথ পরিবার প্রথা এখন চরম হুমকির মুখে। বর্তমানের সন্তানরা আবেগহীন এক একক জগতে মানুষ হচ্ছে। দীর্ঘমেয়ািদ সম্পর্কের বুনোট না থাকায় মানুষের ভেতর দীর্ঘমেয়াদি হতাশা গেড়ে বসছে। আর এই হতাশার সুযোগ নিচ্ছে আকাশ সংস্কৃতি, যুদ্ধ, বিক্ষোভ, মানবিক বিপর্যয় ইত্যাদি।

নিখাঁদ বন্ধুত্বের এই আকালে ইন্দোনেশিয়ার আলোকচিত্রী হারফিয়ান হারদি বন্ধুত্ব আর সৌহার্দ্যরে নিদর্শন স্বরূপ এক অদ্ভুত সুন্দর আলোকচিত্র তুলে ধরেছেন বিশ্ববাসীর সামনে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির পশ্চিম কালিমানতার সামবাস অঞ্চল থেকে এই আলোকচিত্রী কিছু ব্যাঙের ছবি তোলেন। সেই ছবিতে ক্রীড়ারত তিনটি ব্যাঙকে দেখা যায়। আলোকচিত্রের ভাষায় একে ডিসাইসিভ মোমেন্ট বলা হলেও, মানবিক দিক বিচারে প্রকৃতির বাস্তুসংস্থনের নিচুস্তরে টিকে থাকা এই প্রাণীদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ককে দৃশ্যত রচনা করার যে সাহসিকতা আলোকচিত্রী দেখিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

প্রাণবৈচিত্র্যের দিক দিয়ে বরাবরই ইন্দোনেশিয়া অনেক অগ্রগামী। দেশটিতে যেমন রয়েছে ঘন বনাঞ্চল, তেমনি রয়েছে প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। বিশাল রেইনফরেস্ট অঞ্চল হওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রাণী দেখতে পাওয়া যায় এখানে। যেমনটা এই ছবিতে আমরা দেখতে পাই। প্রকৃতির সবুজের মাঝে ক্যামোফ্লেজ হয়ে থাকা ব্যাঙগুলোকে মনে হচ্ছে পরস্পরের সঙ্গে যেন তারা গভীর বন্ধনে আবদ্ধ।

আলোকচিত্রী হারফিয়ান এই ছবিটি তুলতে ব্যবহার করেছেন নিক্কন ডি৩২০০ ক্যামেরা। এর সঙ্গে ছিল ৫০ মিলিমিটারের লেন্স। হারফিয়ানের ভাষায়, ছবি তোলার জন্য যতটা ক্যামেরা দরকার, তার চেয়েও বেশি দরকার চোখ। দেখার চোখ থাকলেই কেবল ক্যামেরা দিয়ে ভাল ছবি তোলা যায়। আর দেখার সেই চোখ না থাকলে অনেক দামী ও উন্নত ক্যামেরা হাতে থাকলেও লাভ হয় না।

সাতসতেরো প্রতিবেদক

খোঁজা হলেন ৪০০ পুরুষ

ফের নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং। ঈশ্বরের কাছাকাছি পৌঁছনো যাবে, এই আশ্বাস দিয়ে ৪০০ জন পুরুষকে তাদের শুক্রাশয় বা অণ্ডকোষ কেটে ফেলতে রাম সিং উদ্বুদ্ধ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৫ বছর আগে অর্থাৎ ২০০০ সালে ঘটে এই ঘটনা। কিন্তু এতদিন ওই ৪০০ জন পুরুষ এ ব্যাপারে মুখ না খোলায় কিছুই জানাজানি হয়নি। ১৫ বছরে প্রথমবার এই ব্যাপারে মুখ খুলেছেন আক্রান্তরা। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। ২০০০ সালে এক তদন্তকারী সাংবাদিকের হত্যায় যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক নারী ভক্তকে যৌন হয়রানির অভিযোগ থাকলেও, কখনই গ্রেফতার হননি রাম সিং। প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলার সম্পত্তির মালিক গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের ভক্তের সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি বলিউডের একটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

বিয়ের পিঁড়িতে ১৪ শর্ত

বিয়ের সব আয়োজনই সম্পূর্ণ। কোথাও শঙ্খ বাজছে, কোথাও বা উলুধ্বনি। বিয়েরও পিঁড়ি পাতা হয়েছে, মন্ত্র পড়া চলছে। বেড়ার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে বর সনাতন শর্মাকে দু’চোখে দেখে নিচ্ছে কনে। ঠিক তখনই কনের বাবার দিকে একটি কাগজ এগিয়ে দিল ‘বর বাবাজি’। তাতে লেখা ১৪ শর্ত। আর তা পড়ে চক্ষু চড়কগাছ কনের বাবার। বরের দাবি, বিয়ে শুরু হওয়ার আগেই কনের তরফে চুক্তিপত্রে সই করতে হবে। শর্ত অনুযায়ী, কোন ঝামেলা বা অশান্তি হলে কনে পক্ষ থানায় অথবা আদালতে মামলা বা অভিযোগ করতে পারবে না।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের নদিয়ার হাসখালি এলাকায়। যতই কনের বাড়ির লোক সনাতনকে বোঝান তিনি তা কানে তুলতে নারাজ। এদিকে বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে যায়-যায়। এরপরই খেপে গেল কনে। আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে সোজা জানায়, ‘লগ্নভ্রষ্ট হতে হলে হব। কিন্তু বিয়ের আগে যে শর্ত দেয়, তার ঘর করবই না। তাতে আমার জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে।’ এরপর বরকে দু’চার ঘা দিয়ে ঘরে তালাবন্দি করা হয়। অবস্থা বেগতিক বুঝে বরযাত্রীরা সরে পড়ে। বরের বোন বলেন, ‘ভাই যা করেছে, আমার মেয়ের ক্ষেত্রে হলে আমিও বিয়ে দিতাম না। ওর সঙ্গে সম্পর্ক রাখব না।’ তাতেও চিড়ে ভেজেনি। বরং বিয়ের আয়োজনে যে খরচ হয়েছে, ক্ষতিপূরণ বাবদ তা দিতে হবে বলে দাবি করে গ্রামবাসী। তাছাড়া বরপক্ষ কিছু নগদও নিয়েছিল বলে কনেপক্ষের অভিযোগ। কিন্তু শনিবার দুপুর পর্যন্ত আটকে রাখা হলেও, সনাতন ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হননি।

শনিবার দুপুরে পুলিশ বরকে উদ্ধার করতে গেলে গ্রামবাসী তেড়ে আসে। পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। পরে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

সূত্র : আনন্দবাজার

প্রকাশিত : ৭ মার্চ ২০১৫

০৭/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: