কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পানির কত রং

প্রকাশিত : ৭ মার্চ ২০১৫

স্পটেড লেক, কানাডা

বিভিন্ন খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ লেক কানাডার স্পটেড লেক। গ্রীষ্মে যখন কানাডার বেশিরভাগ জলাধারই শুকিয়ে যায়, তখনও পানি থাকে এই লেকে। স্থানীয়রা এই লেকটিকে ‘ক্লিলুক’ নামে ডাকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বিস্ফোরক তৈরিতে এই লেকের লবণ ব্যবহার করা হয়েছিল। লবণের বাইরেও এই লেকে আছে সালফেট, সিলভার এবং টায়টানিয়াম। প্রতিবছর বহু পর্যটক এই লেকের বহু রং বিশিষ্ট পানি দেখতে আসেন।

লেক রেতবা, সেনেগাল

দূর থেকে দেখলে মনে হবে আস্ত একটা সুইমিংপুল। কিন্তু যতই কাছে যাবেন, ততই ভুল ভাঙ্গতে শুরু করবে। স্থানিক দূরত্বের ওপর যেমন এই লেকের পানির রং নির্ভর করে, তেমনি মনোমুগ্ধকর গোলাপী রঙের পানির জন্য বিখ্যাত এই লেক। বিশেষত শুষ্ক মৌসুমে এই লেকের পানির রং পাল্টে যায়। অন্যান্য সময়ও পানির রং গোলাপী থাকে, তবে শুষ্ক সময়ের মতো অত গাঢ় হয় না।

গ্র্যান্ড প্রিসম্যাটিক স্প্রিং, যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক হ্রদ আছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কে রয়েছে এমনি এক হ্রদ, যার পানির রং ভিন্ন ভিন্ন। প্রায় ৯০ মিটার দীর্ঘ এবং ৫০ মিটার গভীর এই হ্রদটির পানির রং কেন ভিন্ন ভিন্ন রঙের, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করে এখনও কিছু বলতে পারেননি। তবে একদল গবেষকের মতে, তাপমাত্রার ভিন্নতার কারণে পানির রং পাল্টে যেতে পারে।

ব্লাড ফলস, এ্যান্টার্কটিকা

এ্যান্টার্কটিকার এই ঝর্ণধারাটির বুক থেকে ধীরে ধীরে গড়িয়ে পরে রক্তের রঙের পানি। গবেষকদের দাবি, পানিতে অত্যাধিক আয়রন থাকার কারণে পানির রং এরকম হয়েছে। কিন্তু এটাও সত্যি, যদি পানির রং পরিবর্তনের কারণ অত্যাধিক আয়রনই হয়ে থাকে, তাহলে যে বরফের চাঁইয়ের বুক চিড়ে লাল রঙের পানি বেরুচ্ছে, সেই বরফের রংও লাল হওয়ার কথা। কিন্তু ধবধবে সাদা বরফের মাঝের পানির রং কিভাবে লাল হয়, সেটা আজও রহস্য।

পামুক্কালে ত্রাভারতিন তেরাক্সেস, তুরস্ক

কানাডার খনিজসমৃদ্ধ লেকের মতো তুরস্কের ত্রাভারতিন লেকটিও বেশ অদ্ভুত। পানির ধার ঘেঁষে যাওয়ার সময় আপনার মনে হতেই পারে পানির তলায় অজস্র ফুল ফুটে আছে। কিন্তু একটু কাছে গেলেই দেখা যাবে, বিভিন্ন রঙের পানির ঘূর্ণি অবিরত পাঁক খাচ্ছে। তুরস্ক সরকারের পক্ষ থেকে এই স্থানটিকে প্রথম দিকে জনসাধারণের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু জাতিসংঘ স্থানটিকে বিশ্বের দর্শনীয় স্থানগুলোর একটিতে স্থান দেয়ার পর, তুরস্ক সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। -বাংলা মেইল

প্রকাশিত : ৭ মার্চ ২০১৫

০৭/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: