কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ১৫.৬ °C
 
১৭ জানুয়ারী ২০১৭, ৪ মাঘ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

গবেষকদের সমীক্ষা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন থেকে সিরিয়া সঙ্কটের শুরু

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫

সিরিয়ায় চলমান গৃহযুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। দেশটিতে যে সংঘর্ষময় পরিস্থিতি এখন চলছে তার কারণ কেবল রাজনৈতিক নয় বরং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে এর একটি সম্পর্ক আছে। এ বিষয়ে করা সর্বশেষ এক গবেষণা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি সিরিয়ার সংঘাতকে আরও তীব্রতর করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি এবং সান্টা বারবারার অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া গবেষকরা বলেছেন সিরিয়র বর্তমান সংঘাতের সঙ্গে মানব সৃষ্ট কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে। তারা দেখিয়েছেন দেশটি গত কয়েক দশকে দফায় দফায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত খরার কবলে পড়েছে। এরফলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ১৫ লাখ মানুষ পল্লী এলাকা ছেড়ে শহর এলাকায় চলে এসেছে। শহরাঞ্চলের ওপর এই বাড়তি চাপ সংঘর্ষমুখর পরিস্থিতি তৈরি করতে ইন্ধন যুগিয়েছে। সিরিয়ায় ২০০৭ সালে খরা শুরু হয়েছিল, এটি ১০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। সম্ভবত এর চেয়েও বেশি সময় এটি অব্যাহত ছিল। ২০১১ সালে শাসক বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলন শুরুর পর আবহাওয়ার উপাত্ত সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কলাম্বিয়ার জলবায়ু বিজ্ঞানী রিচার্ড সিগার বলছেন, সিরিয়ায় সঙ্কট তৈরির নেপথ্যে অনেক কারণ রয়েছে তবে দেশের ভেতরেই ১৫ লাখ মানুষের অভিবাসী হওয়ার বিষয়টি একটি বড় ঘটনা। প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমিতে সোমবার যে রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে তার অন্যতম লেখক সিগার।

তিনি বলছেন, কেবল রাজনৈতিক নয় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত খরাসহ সবকিছু মিলিয়েই সিরিয়ায় পরিস্থিতি এমন সংঘাতমুখর হয়ে উঠেছে। রিপোর্টটির প্রধান লেখক ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া কলিন কেলি বলছেন, সিরিয়া যুদ্ধের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা সহজ নয়। আসাদের নিপীড়নমূলক শাসক একটি কারণ মাত্র। তবে এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণভাবে ১৫ লাখ মানুষ অভিবাসী হওয়া, ইরাক যুদ্ধের ফলে সেদেশে ১০ লাখের বেশি শরণার্থীর অনুপ্রবেশ, খরা, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আরব বসন্তের হাওয়া সব মিলিয়ে এই সঙ্কট তৈরি হয়েছে। কেলি বলছেন, এর মধ্যে কোন একটি কারণকে এককভাবে সবচেয়ে বড় কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা খুব কঠিন। তবে এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন, সিগার। কেলি ও সিগার দুজনই তাদের গবেষণায় পরিসংখ্যন এবং কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করেছেন।

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫

০৪/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ:
যমুনায় নাব্য সঙ্কট ॥ বগুড়ার কালীতলা ঘাটের ১৭ রুট বন্ধ || আট হাজার বেসরকারী মাধ্যমিকে প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো নেই || সেবা সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য পদক পাচ্ছেন ১৩২ পুলিশ সদস্য || দু’দফায় আড়াই লাখ টন লবণ আমদানি, সুফল পাননি ভোক্তারা || বাংলাদেশের আর্থিক খাত উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক রোডম্যাপ করছে || নিজেরাই পাঠ্যবই ছাপানোর চিন্তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের || গণপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে, প্রমাণ হয়েছে বিচার বিভাগ স্বাধীন || নিহতদের স্বজনদের সন্তোষ ॥ রায় দ্রুত কার্যকর দাবি || আওয়ামী লীগ আমলে যে ন্যায়বিচার হয় ৭ খুনের রায়ে তা প্রমাণিত হয়েছে || নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুন মামলার রায় ॥ ২৬ জনের ফাঁসি ||