আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

যুদ্ধাপরাধী বসনীয় সার্বদের বহিষ্কার করবে যুক্তরাষ্ট্র ॥ দেড় শতাধিক চিহ্নিত

প্রকাশিত : ২ মার্চ ২০১৫

যেসব বসনীয় সার্ব অভিবাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তারা দেড় শতাধিক বসনীয়কে চিহ্নিত করেছেন, যারা ১৯৯০ এর দশকে তৎকালীন যুগোসøাভিয়ায় যুদ্ধাপরাধ করেছেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখতে পেয়েছেন ৯০ এর দশকে অভিবাসী হওয়া প্রায় ৩শ’ বসনীয় সার্বের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। মার্কিন ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বিভাগের ইতিহাসবিদ মাইকেল ম্যাককুইন বলেছেন, ‘বিষয়টি নিয়ে যতই আমরা সামনে অগ্রসর হচ্ছি ততই নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বসনিয়ায় যারা বিভিন্ন অপরাধ করেছে তারা এখানে এসে অবাধে থাকার এবং নতুন জীবন শুরু করার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে, বিষয়টি আমার কাছে খুব কুরুচিপূর্ণ মনে হয়।’ ম্যাককুইন অভিবাসী এজেন্সির যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক অনেকগুলো তদন্তে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অভিযুক্ত অভিবাসীদের মধ্যে আছেন বসনীয় থেকে আগত সেনা সদস্যরা, এদের একজন এখন ভার্জিনিয়ায় একটি ফুটবল টিমের কোচ, একজন ওহাইওতে একটি ধাতব শিল্পে কাজ করছেন এবং চারজন আছেন লাস ভেগাসের ক্যাসিনোতে।

বসনিয়ায় গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার মানুষজন যখন ব্যাপকহারে দেশ ছাড়ছিল তখন বসনীয় সার্বরাও তাদের সঙ্গে পাড়ি জমায়। যুক্তরাষ্ট্র তখন শরণার্থীদের প্রতি কড়াকড়িভাবে অভিবাসন আইন প্রয়োগ করেনি। এই সুযোগে তখন অপরাধীরাও যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়ে। এসব অপরাধী অভিবাসীর সংখ্যা ৬শোর বেশি হতে পারে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন। ৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে সাবেক যুগোসøাভিয়ায় জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের নামে ভয়াবহ গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। সার্ব, ক্রোয়াট ও বসনীয় মুসলিম সব জাতিগোষ্ঠী ওই সংঘাতে জড়ালেও সার্বরা ছিল আক্রমণের শীর্ষে এবং সহিংসতার সবচেয়ে বেশি শিকার হয় মুসলিমরা। ওই যুদ্ধের একপর্যায়ে ১৯৯৫ সালে বসনীয় সার্ব বাহিনী অবরুদ্ধ সেব্রেনিৎসা শহরে আট হাজার নিরস্ত্র মুসলিম পুরুষ ও বালককে হত্যা করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি ছিল ইউরোপের সবচেয়ে বড় গণহত্যা।

প্রকাশিত : ২ মার্চ ২০১৫

০২/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: