মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

অমর একুশ

প্রকাশিত : ১ মার্চ ২০১৫

অমর একুশ ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতর্পণমূলক ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। অমর একুশে মনে করিয়ে দেয় ত্যাগ আর অগণিত প্রাণের বিনিময়ে বাঙালীর প্রাপ্তি। বিশ্বে বাঙালীরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষাকে ভালবেসে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ‘অমর একুশ’ নিয়ে যায় ৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারিতে যেই দিন ভাষার জন্য ছাত্ররা মিছিল করেছিল। সে দিন পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিয়েছিল সালাম ,বরকত, শফিক, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেক ভাষাসৈনিক। আর এই ভাষাসৈনিকদের আত্মত্যাগের সংলগ্ন চত্বরে নির্মাণ করা হয় এই ভাস্কর্য। ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯১ সালে। ১৯৯১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সাবেক উপাচার্য কাজী সালেহ আহমেদ ভাষা আন্দোলনের স্মারক ভাস্কর্য ‘অমর একুশ’ উদ্বোধন করেন।

ভাষা আন্দোলনের স্মারক ‘অমর একুশ’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর জাহানারা পারভীন। স্তম্ভসহ ভাস্কর্যটির মোট উচ্চতা ৩৪ ফুট। এটি নির্মাণ করা হয়েছে চুনাপাথর, সিমেন্ট, বালি, মডেলিং ক্লে প্রভৃতি দিয়ে। এ ভাস্কর্যে একজন মায়ের কোলে শায়িত ছেলের প্রতিকৃতি এবং পেছনে সেøাগানরত অবস্থায় দেখা যায় একজনের প্রতিকৃতি।

অমর একুশ ভাস্কর্যের বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, অমর একুশ আমাদের চেতনার বাতিঘর। তাই এ ভাস্কর্য আমাদের চেতনাকে শানিত করতে সাহায্য করে। সবার উচিত এর যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। আমাদের চেতনার জায়গা থেকেই অমর একুশ ভাস্কর্যটির সংস্কার করা জরুরী। অযতœ, অবহেলা আর পোস্টার লাগানোর ফলে ভাস্কর্যটি তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে, খসে পরেছে একটি অংশের কংক্রিট। এটি সংস্কারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

দীপঙ্কর দাস

প্রকাশিত : ১ মার্চ ২০১৫

০১/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: