মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

জিহাদী জনকে জীবিত ধরা হোক ॥ এক বিধবার আকুতি

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

লিবিয়ায় শিরচ্ছেদের শিকার যুক্তরাজ্যের ত্রাণকর্মী ডেভিড হাইন্সের বিধবা স্ত্রী ড্রাগানা হাইন্স বলেছেন, মুখোশধারী শিরচ্ছেদকারী জঙ্গী ‘জিহাদী জনকে জীবিত অবস্থায় আইনের হাতে তুলে দেয়া হোক।’ ইসলামিক স্টেটের (আইএস) এই শিরচ্ছেদকারীর বৃহস্পতিবার পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে। ওই জিহাদী জনের আসল নাম মোহাম্মদ এমওয়াজি বলে জানানো হয়েছে। খবর বিবিসি ও এক্সপ্রেস ট্রিবিউন অনলাইনের।

২০১৪ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক জেমস ফেলির শিরচ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ পায়। ওই ভিডিওতে প্রথম এমওয়াজিকে দেখা যায়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক স্টিভেন সলোফ, যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণকর্মী ডেভিড হাইন্স, যুক্তরাজ্যের ট্যাক্সিচালক এ্যালান হেনিং, যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণকর্মী আব্দুল রহমান কেসিংয়ের (যিনি পিটার নামেও পরিচিত) শিরñেদের ভিডিওতেও এমওয়াজিকেই দেখা গেছে বলে ধারণা যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনীর।

নিহত ত্রাণকর্মী ডেভিড হাইন্সের স্ত্রী ড্রাগানা হাইন্স বিবিসিকে বলেন, ‘আমি আশা করি তাকে জীবিত অবস্থায় ধরা হবে। কারণ যে যদি অভিযানে মারা যায়, তবে তা হবে তার জন্য সম্মানজনক।’

তিনি বলেন, ‘তার মতো মানুষের ক্ষেত্রে আমি যা চাই, আমি মনে করি তাকে আইনের কাছে তুলে দেয়া প্রয়োজন। আর এতে যাদের সে হত্যা করেছে তাদের পরিবার নৈতিকভাবে কিছুটা তৃপ্তি পেতে পারেন।’ হাইন্সের বোন বেথানে ওই হত্যাকারীর পরিচয় প্রকাশের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি আইটিভি নিউজকে বলেন, ‘আমি মনে করি শিরñেদে নিহতদের পরিবার একটু স্বস্তি পাবে যখন আকেটি গুলি তার দুই চোখের মাঝখানে দেখা যাবে।’

স্টিভেন সতলফের পরিবারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘আমরা একটি আদালতে বসে দেখতে চাই তাকে সর্বোচ্চ কারাদ-ে দ-িত করা হচ্ছে।’

প্রতিটি ভিডিওতে হত্যাকারী এমওয়াজির পুরো শরীর কালো কাপড়ে আবৃত ছিল। শুধু তার দুই চোখ এবং নাকের কিছুটা অংশ দেখা গিয়েছিল।

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

২৮/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: