আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আমাদের এখন একটাই কাজ জঙ্গীদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দেয়া ॥ নাসিম

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দেশের একমাত্র জঙ্গী নেত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। তার নির্দেশে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার মাধ্যমে দেশে জঙ্গী কর্মকা- চলছে। বর্তমানে আমাদের একটাই কাজ, জঙ্গীদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দেয়া। সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদী কর্মকান্ড বরদাশত করা হবে না। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বংশালের সুরিটোলা স্কুল মাঠে গণতন্ত্রী পার্টির উদ্যোগে ঢাকা মহানগর ১৪ দল আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াত জোটের দেশবিরোধী চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, পেট্রোলবোমা, চোরাগোপ্তা বোমা হামলা, জঙ্গী নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকা- ও দানবীয় হত্যার প্রতিবাদে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সাদেক হোসেন খোকা ও মাহমুদুর রহমান মান্না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিলেন। সেই ষড়যন্ত্রকারী মান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার ষড়যন্ত্রের বিচার হবেই। দেশে কোন ষড়যন্ত্রকারীর রক্ষা নেই। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে দেশে সামরিক শাসন কিংবা অগণতান্ত্রিক সরকার আসত। আপনি তখন আপনার গণতান্ত্রিক কর্মসূচী পালন করতে পারতেন না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনকে ভয় পায় না। দেশে নির্বাচন অবশ্যই হবে। তবে সে নির্বাচন হবে ২০১৯ সালে। ওই নির্বাচনের জন্য আপনি (খালেদা জিয়া) প্রস্তুতি নিন। জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই ক্ষমতায় আসবে।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বিএনপি রাজনীতির সব খেলায় পরাজিত হয়ে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দিয়ে উত্তরপাড়ায় ষড়যন্ত্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ৪০ দিনের মধ্যে আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আত্মসমর্পণ করল। আদালত মনে করলে আপনাকে জামিন দিতেও পারেন। তিনি বলেন, দেশে হরতাল-অবরোধের কোন চিহ্ন নেই। হরতাল শুধু আছে পত্রিকার পাতায় ও টেলিভিশনে। দেশের মানুষ সবকিছু স্বাভাবিকভাবে করছেন। আপনি (খালেদা) যেদিন থেকে মানুষ হত্যা শুরু করেছেন, সেদিন থেকেই জনগণ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাস ও গণতন্ত্র একসঙ্গে চলতে পারে না। খালেদা জিয়া যে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছেন, এর বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবেই। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোন সংলাপ বা আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, যদি কেউ দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেন তাকেও ক্ষমা করা হবে না। তাদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। মাহমুদুর রহমান মান্না ও সাদেক হোসেন খোকা সাহেবের মতো অনেকেই অনেক কথাবার্তা বলতে পারেন। কিন্তু সাবধান হয়ে যান। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবদুর রহিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগাœ-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম এমপি, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডাঃ ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান প্রমুখ।

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

২৭/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: