মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

জীবনের সবক্ষেত্রে বাংলার প্রয়োগ

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • অনুপম সেন

মানুষকে মানুষ করেছে ভাষা। ভাষা মানুষের অসাধারণ অর্জন। ভাষা ছাড়া মানুষ আজকের সভ্যতার যে-সব প্রাপ্তি তাতে কোনদিন পৌঁছতে পারত না। মানুষের মনোজগত ও বস্তুজগতের যে অসীম বিস্তার এবং প্রসার আজ বিশ্বের বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর সংস্কৃতিতে আমরা দেখতে পাই, তাও ভাষারই সৃষ্টি, ভাষারই অবদান। ভাষার উপরই নির্ভর করে সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতি। ভাষা তাই একই সঙ্গে একটি সমাজের উৎপাদন ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো এবং সেই কাঠামোর উপরিসৌধ। একটি ভাষার জোর বা তার অন্তর্নিহিত শক্তির উপর নির্ভর করেই সেই ভাষায় গড়ে ওঠে তার সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প-সংস্কৃতি। আর্থ-সামাজিক সম্পর্কের বৈচিত্র্য এবং সমৃদ্ধি যেমন ভাষা ও সাহিত্যের বহু-বৈভব ঘটায়, তেমনি ভাষার ধারণক্ষমতাই মনোজগতের ব্যপ্তির অসীম প্রসার ঘটিয়ে সাহিত্যের ও বিজ্ঞানের সীমাহীন জগতকে ব্যক্তির মনের সীমায় নিয়ে আসে। সূক্ষ্ম, বিরাট ও বিমূর্ত চিন্তা এবং সেই চিন্তাকে বাণীরূপ দেয়া কোন দুর্বল ভাষার পক্ষেই সম্ভব নয়। বাংলা দুর্বল ভাষা নয়। এটি একটি অত্যন্ত সবল ভাষা। এই ভাষায় আজ পর্যন্ত যে-অর্জন ঘটেছে তার সম্ভার বিরাট। এই ভাষায় যেমন মহৎ কবি জন্মেছেন, তেমনি জন্মেছেন বিশ্ববিশ্রুত বৈজ্ঞানিক যাঁরা তাঁদের বিমূর্ত চিন্তার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন বিজ্ঞানকে। বর্তমান বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক আইনস্টাইনের তত্ত্বের একটি দিকের বিমূর্ত গাণিতিক ব্যাখ্যা যোগ করে সত্যেন বোস বিশ্ব-সভায় একজন অসাধারণ বৈজ্ঞানিক হিসেবে অমরত্ব লাভ করেছেন, বিজ্ঞানে তাঁর সুচির স্বাক্ষর রেখেছেন।

কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সঙ্গীত ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাঙালীর যে বিপুল সৃষ্টি হাজার বছরে বিশেষত গত দু’শ বছরে গড়ে উঠেছে তাতে বিশ্ববাসীকে সে তার অঙ্গনে গর্বের সঙ্গেই আমন্ত্রণ করতে পারে।

বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন থেকেই বাঙালী ভাষা নিয়ে গর্ব করে এসেছে। প্রায় হাজার বছর আগে বাংলা ভাষার সেই আদি প্রত্যুষে যখন তা প্রাকৃত থেকে বাংলা হয়ে উঠছিল তখনই চর্যাপদের কবি ভূষক বলেছিলেন, ‘ভূষক বাঙালী ভৈলি’।

বিকশিত হওয়ার তিন’শ বছরের মধ্যেই এই ভাষায় মানবতার অসাধারণ বাণী লেখা হয়েছে,

‘শুন হে মানুষ ভাই

সবার উপরে মানুষ সত্য

তাহার উপরে নাই’। (চন্ডিদাস)

লেখা হয়েছে, দেহি ও বিদেহি প্রেমের অসাধারণ সব কবিতা। যেমন,

রূপ লাগি আঁখি ঝুড়ে গুণে মন ভোর,

প্রতি অঙ্গ তরে কাঁদে প্রতি অঙ্গ মোর।

অথবা

‘ই-ভর বাদর মাহ ভাদর শূণ মন্দির মোর’।

বা

‘জনম অবধি হম রূপ নিহারিনু নয়ন নতিরপিত ভেল’।

বা ‘আজু মঝু গেহ গেহ করি মানলু, আজু মঝু দেহ ভেল দেহা’।

আরও লেখা হয়েছে, ধর্মের সম্পর্ক বিরহিত অপূর্ব আখ্যান কাব্য, লিখেছেন মুসলমান কবিরা।

মুসলমান রাজন্যবর্গÑ হুসেন শাহ্, নসরৎ শাহ, পরাগল খান ও ছুঁটি খাঁÑ বাংলা সাহিত্যের উন্মেষ-আকুল বীজটি যেন মহীরুহে পরিণত হতে পারে, তার জন্য যে-ভিত্তি-ভূমি তৈরি করে দিয়েছিলেন, তা শ্রদ্ধার সঙ্গেই স্মরণ করতে হয়। তবুও এ-সত্যটি ভোলা উচিত নয়, বাংলা উপমহাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাষা হলেও, এই ভাষার কবি এশিয়া মহাদেশ থেকে সাহিত্যে প্রথম নবেল পুরস্কার পেলেও, এই ভাষা ১৯৭২ সালেই প্রথম তার হাজার বছরের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা বা সরকারী ভাষার মর্যাদা পেয়েছে, তার আগে নয়। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মুখের ভাষা হিসেবে এই ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার-একমাত্র রাষ্ট্র ভাষার নয়Ñ মর্যাদা পেতে বহু তরুণ-প্রাণের রক্ত ঝরাতে হয়েছিল। বাংলা-ভাষাই বিশ্বের একমাত্র ভাষা, যে ভাষার জনগণ ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মোৎসর্গ করেছে, প্রাণ দিয়েছে।

আগেই উল্লেখ করেছি ভাষা মানুষের অনন্য অধিকার, কারণ ভাষাই মানুষের চলার পথের হাতিয়ার বা প্রধান মাধ্যম। এই মাধ্যমটি পঙ্গু থাকলে, সমাজ ও রাষ্ট্র যদি একে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ না-করে, তা-হলে একে আশ্রয় করে জীবনকে নানাভাবে পরিপূর্ণতা দেয়া খুবই কঠিন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে কেবলমাত্র মুষ্টিমেয় বাঙালী যাঁরা এগোতে পেরেছিলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন তাঁরা ইংরেজী জানতেন বা বুঝতেন। অন্য বাঙালীরা, কেবলমাত্র বাংলা ভাষাভাষী বাঙালীরা অবহেলিতই ছিলেন। এই বঞ্চনা ও অধিকারহীনতার উপলব্ধিই ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের শাসকশ্রেণী যখন উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করতে চাইল, পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজকে তা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ঠেকাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তারা জানতো, পাকিস্তানের শাসকশ্রেণীর এই উদ্যোগে কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক ঔপনিবেশিক আধিপত্যই ছিল না, ছিল অর্থনৈতিক শোষণেরও ইঙ্গিত। এই কারণেই বাঙালীর ভাষা আন্দোলনে উপ্ত ছিল বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তি সংগ্রামের বীজ।

দুই

মনে রাখা প্রয়োজন, কোন জাতির প্রকৃত অর্থনৈতিক মুক্তি কখনই কোন বিদেশী ভাষার মাধ্যমে আসতে পারে না, হতে পারে না। কিন্তু সে কথাটি আমরা বার বার ভুলে যাই। আমাদের বিদ্বৎসমাজের বেশ বড় একটা অংশ ভাবেন, কেবলমাত্র ইংরেজী চর্চার মাধ্যমে, ইংরেজী শিখলেই আমরা উন্নত রাষ্ট্র হতে পারব, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করব। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বাংলাদেশে যে একটা নতুন বৃহৎ-বিত্ত-ভিত্তিক শ্রেণীর উদ্ভব হয়েছে, তাঁদের অনেকেরই বাঙালী-সংস্কৃতির মহৎ অর্জনগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বা যোগ না থাকার ফলে তাঁদের মধ্যেই এই চেতনাটা প্রবল; তাঁরা জানেন না বাংলা ভাষায় কাব্য, কথাসাহিত্য, সঙ্গীত, চারুকলা বা মননের চর্চা কত ঋদ্ধ। তাঁরা মনে করেন, ইংরেজীতে কথা বলতে পারলে, বাক্যালাপ করতে পারলে অথবা দু’এক চরণ কোনভাবে লিখতে পারলেই আমরা বা আমাদের উত্তর-প্রজন্ম বাংলাদেশকে ধনী দেশে পরিণত করতে পারব। তাঁদের মধ্যে এই ধারণাটা নেই যে, আসলে ভাষা নয় ভাষাভিত্তিক জ্ঞানই একটি জাতিকে এগিয়ে নেয় এবং এক্ষেত্রে মাতৃভাষাই সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। কারণ যে-ভাষায় একজন মানুষ জন্মায়, সে-ভাষায় তার চিন্তার যে স্বতঃস্ফূর্ততা, স্বাভাবিকতা ও সাবলীলতা থাকে তা অন্য বিদেশী ভাষায় অর্জন করা খুবই কঠিন।

আজ তাই নিজের ভাষাকে, মাতৃভাষাকে অবলম্বন করেই এক-সময়ের তথাকথিত অনুন্নত দেশগুলো বিশ্বের ধনী রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জাপানের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় থেকে কম ছিল। আজ জাপান, তের কোটি লোকের একটি দেশ বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী দেশ, নিজের মাতৃভাষাকে জ্ঞান-চর্চার বাহন হিসেবে ব্যবহার করেই। জাপানের অভ্যন্তরীণ সম্পদ, কৃষিজ বা খনিজ সম্পদ কোনটাই খুব বেশি নেই; জাপান ধনী হয়েছে নিজের মানব সম্পদের গুণে, নিজেকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজে রূপান্তর করে, নিজের মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে, তারই প্রয়োগে। একই কথা দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন সম্পর্কেও প্রযোজ্য। দক্ষিণ কোরিয়া এই সেদিনও বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের প্রথমার্ধেও একটা দরিদ্র দেশ ছিল, মাথাপিছু আয় বাংলাদেশ থেকে বেশি ছিল না। আজ কোরিয়া কোথায়? তারও এই অর্থনৈতিক উন্নতি তো তার মাতৃভাষার উপর নির্ভর করেই, পুরো সমাজকে নিজের ভাষার মাধ্যমে একটা দক্ষ শিক্ষিত সমাজে পরিণত করে। চীন কিছুদিনের মধ্যেই, আগামী দুই বা তিন দশকের মধ্যেই হয়ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে এগিয়ে যাবে সার্বিক বিত্তের বা এ.উ.চ-এর পরিমাপে। চীনের এই অগ্রগতি, শিক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তার অসাধারণ দক্ষতা অর্জন, নিজের ভাষাকেই জ্ঞান চর্চার বাহন হিসেবে ব্যবহার করে। বিশ্বের প্রায় প্রত্যেক উন্নত দেশই আজ উন্নত হয়েছে নিজের জনশক্তিকে মানব-সম্পদে রূপান্তর করে, অর্থাৎ শিক্ষার মাধ্যমে; এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সে-শিক্ষার বাহন তার মাতৃভাষা।

তাহলে, আমরা বাঙালীরা, জনসংখ্যার মাপকাঠিতে পৃথিবীর পঞ্চম বৃহৎ জনগোষ্ঠী, যে ভাষায় এত লোক কথা বলি, যে-ভাষা এত সমৃদ্ধ, কেন এত কুণ্ঠিত নিজের ভাষাকে শিক্ষার প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে?

আমাদেরতো এ-দৈন্য থাকা উচিত নয়, কারণ আমরাই পৃথিবীর প্রথম জাতিসত্তা যারা প্রাণ দিয়েছি ভাষার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করতে। আজ জাতিসংঘ আমাদের মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দেয়ার দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে সারাবিশ্বের সব জাতি-উপজাতির ভাষার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যে ভাষাটি বিশ্বের সবভাষার অধিকারের প্রতীক, যে ভাষা এই উপমহাদেশের সর্বোৎকৃষ্ট ভাষা, যে-ভাষা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষাগুলোর অন্যতম, যে ভাষার বাক্য-বিন্যাস ও শব্দভা-ার তুলনাহীন সমৃদ্ধ, সে-ভাষা নিয়ে আমাদের অহঙ্কারতো অভ্রভেদী হওয়া উচিত। তাহলে কেন আমাদের এত দ্বিধা এই ভাষাকে জীবন ও রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে, শিক্ষার এবং জ্ঞানের প্রধান বাহন করতে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা জাতিসংঘে বাংলাভাষায় তাঁদের ভাষণ দিয়ে এই সত্যতা প্রতিষ্ঠা করেছেন বাংলা বিশ্বের কোন ভাষা থেকেই ন্যূন নয়, বাংলাভাষা বিশ্বের অগ্রগণ্য ভাষাগুলোরই অন্যতম।

তিন

মনে রাখা প্রয়োজন, বাংলাভাষাকে জীবনের সবক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করার অর্থ ইংরেজীকে ত্যাগ করা বা অবহেলা করা নয়। বস্তুত বিশ্বের যে কোন ভাষায় যেসব মহৎ অর্জন রয়েছে, সে সবগুলোতেই রয়েছে আমার উত্তরাধিকার, তা ইংরেজী, ফরাসী, জার্মান, নরওয়েজিয়ান, ফার্সি বা উর্দু যাই হোক-না কেন, কারণ আমি যেমন বাঙালী তেমনি একই সঙ্গে বিশ্ব নাগরিক। ইংরেজীর সঙ্গে রয়েছে আমাদের দু’শো বছরের গভীর সম্পর্ক। এই ভাষার স্পর্শে, চর্চাতে, প্রভাবে বাংলাভাষা ঋদ্ধ হয়েছে, বাঙালীর দু’দুটো রেনেসাঁস হয়েছে, একটি উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে অপরটি বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে। ইংরেজীর মাধ্যমেই বিশ্বের জ্ঞান ভা-ারের সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়েছি। এ-ভাষায় একশকোটি লোক কথা বলে; এটি বিশ্বের বহুজাতিক শিল্প-বাণিজ্য সংস্থাগুলোর প্রধান ভাষা।

এককথায় এ-ভাষায় যেমন রয়েছে সাহিত্য, দর্শন ও বিজ্ঞানের অতলান্ত ভা-ার, তেমনি এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যেরও মুখ্য বাহন। তাই এই ভাষার চর্চা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে, যেমন আমাদের চর্চা করতে হবে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত ভাষাগুলো, আহরণ করতে হবে সেখানে নিহিত সব ঐশ্বর্য, সাহিত্য বিজ্ঞান ও দর্শনের। কিন্তু ইংরেজী কোনদিনই আমাদের শিক্ষার বা জ্ঞানচর্চার সর্বলোকের বাহন হতে পারে না, তা স্বাভাবিক বা সম্ভব নয়। কারণ এটা আমাদের অর্জিত ভাষা, মায়ের ভাষা নয়। যতই আমরা এতে দক্ষতা অর্জন করি না কেন, তা কোনদিনই মায়ের মুখের ভাষার বিকল্প হতে পারে না। আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকেই হতে হবে আমাদের সর্বজনের জীবনের মুখ্য বাহন, সর্বক্ষেত্রে- শিক্ষার ক্ষেত্রে, মননের জগতে, রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে।

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

২১/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: