রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাংলাদেশের সুশীল সমাজের বড় অংশটির এই অধঃপতনের কারণ কি?

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

আমার সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক বন্ধু এবং ষাটের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা আমিনুল হক বাদশা প্রায় শেষ জীবনে একটি বই লেখার জন্য মালমসলা যোগাড় করতে শুরু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তার একটি বই আছে, ‘হৃদয়ে বিষাদ সিন্ধু।’ লন্ডনের বাংলা সাপ্তাহিকে প্রকাশিত তার নিয়মিত কলমে ‘বাদশাহী দরবার’ পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। এই লেখাগুলোও তার বই আকারে বের করার ইচ্ছা ছিল। তবে তার শেষ জীবনের সবচাইতে বড় ইচ্ছা ছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু এবং তৎকালীন বুদ্ধিজীবীদের তথা সুশীল সমাজের ভূমিকা নিয়ে একটি বড়সড় বই লেখার।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে যেসব বাম বুদ্ধিজীবীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল না; পরবর্তীকালে দেখা গেছে তাদের কেউ কেউ এই আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বদান ও ভূমিকা সম্পর্কে বিতর্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য আদাজল খেয়ে লেগেছেন। একদিকে বিএনপি বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন কিনা তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, অন্যদিকে বাম পরিচয়ের মুখোশে চেহারা ঢেকে একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে বিএনপি’র বঙ্গবন্ধুবিরোধী প্রচারণাকেই জোরদার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছিলেন এবং এখনও চালাচ্ছেন।

আমিনুল হক বাদশা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অকৃত্রিম অনুসারী এবং এক সময় ছিলেন তার ছায়াসঙ্গীর মতো। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পরও ঘাতকের দল এবং তাদের বুদ্ধিজীবী সমর্থকরা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যে প্রচার প্রোপাগান্ডা শুরু করে, তাতে বাদশা দারুণ ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। আমাকে তিনি প্রায়ই বলতেন, “গাফফার ভাই, এই কুবুদ্ধিজীবীদের মুখোশ খুলে দিয়ে আপনি কিছু লিখুন।” আমি তাকে বলেছি, আমি তো সুযোগ পেলেই লেখি, তুমিও লেখো।

প্রায় বছরখানেক আগে, সম্ভবত গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাদশা আমাকে জানান, ভাষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা এবং তৎকালীন বুদ্ধিজীবী তথা সুশীল সমাজের এই আন্দোলনে অবস্থান সম্পর্কে একটি বই লেখার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা তিনি শুরু করেছেন। তার কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। মাঝে মাঝে লন্ডনে তিনি আমার বাসায় এলে তার সংগৃহীত তথ্যগুলো নিয়ে আলোচনা করতেন এবং আমি তাকে বইটি লেখা দ্রুত শুরু করার জন্য তাগাদা দিতাম।

এর কিছুকাল পরই বাদশা দারুণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘকাল হাসপাতালের রোগশয্যায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে ভাষা শহীদদের স্মৃতিপূত এই ফেব্রুয়ারি মাসেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বাদশা খুব গোছানো মানুষ ছিলেন না। ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত তার সংগৃহীত নোটগুলো কোথায় কি অবস্থায় রেখে গেছেন তা আমি জানি না। এগুলো হারিয়ে গেলে তা হবে আমাদের জন্য একটা দারুণ লোকসান।

বাদশার মৃত্যুর পর ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে তার নোটগুলোর কথা এজন্যেই মনে পড়ল যে, সম্প্রতি কলকাতার এক সাহিত্যিক বন্ধু আমাকে লেখা তার চিঠিতে পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজের একট বড় অংশের ভূমিকা সম্পর্কে দারুণ হতাশা প্রকাশ করেছেন। লিখেছেন “কলকাতার সুশীল সমাজের একটা বড় অংশের সকল সময়ই একটা গণসম্পৃক্ততা এবং প্রগতিশীল ভূমিকা ছিল। আজ তাদের অধিকাংশের তা নেই। মমতা ব্যানার্জির কাছ থেকে কিছু পার্থিব সুযোগ-সুবিধা পেয়ে তাদের অধিকাংশই ভোল পাল্টেছেন। এমন কি মহাশ্বেতা দেবী, যিনি বয়সাধিক্য ভুলে বামফ্রন্ট শাসনামলে ছিলেন সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের কৃষক আন্দোলনের নির্ভীক সমর্থক, তিনিও এখন তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি, হত্যার রাজনীতি, অপশাসন সম্পর্কে সম্পূর্ণ নীরব।” তার মতে, ‘পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজের একটা বড় অংশই এখন অধঃপতিত।’

আমিনুল হক বাদশা তার শেষ জীবনে ঢাকার সুশীল সমাজ সম্পর্কেও এ কথাটাই আমাকে বলতেন। গত বছর রোগাক্রান্ত হওয়ার আগে শেষবারের মতো ঢাকা থেকে ফিরে এসে আমাকে বলেছেন, গাফ্্ফার ভাই, আপনি তো কালেভদ্রে ঢাকায় যান। তাই দেশের সুশীল সমাজের অবস্থা ভাল করে জানেন না। আমি তো নিয়মিত ঢাকায় যাই এবং দীর্ঘ সময় থাকি, ফলে অবস্থাটা দেখে হতাশ হই। বহু বড় বুদ্ধিজীবীর বাড়িতে ব্যক্তিগত আড্ডা, ঘরোয়া বৈঠকেও কেবল শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নিন্দা ও সমালোচনা। বেগম খালেদা জিয়া বা বিএনপি কখনোই তেমনভাবে আলোচনায় আসে না। সব আলাপ আলোচনাতেই হাসিনার সমালোচনা যেন একটা কমন ফ্যাক্টর। এর কারণ কি তা বলতে পারেন?

বাদশাকে বলেছি, এর একটা বড় কারণ রবীন্দ্রনাথের কবিতায় পাবে। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “ধ্বনিটিরে প্রতিধ্বনি সদা ব্যঙ্গ করে/ধ্বনি কাছে ঋণী সে যে পাছে ধরা পড়ে।” বঙ্গবন্ধু দেশটাকে স্বাধীন করে সারাদেশটাকে তার কাছে অসীম ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। তাই তাকে হত্যা করে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা একজন গৃহবধূ হয়েও জীবনের সকল নিরাপত্তা বিসর্জন দিয়ে তার পিতার নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়ছেন। হাসিনা না থাকলে আজ সুশীল সমাজের যে অংশ সমাজের সবচাইতে সুবিধাভোগী শ্রেণী হিসেবে নিশ্চিত নিরাপত্তার মধ্যে বসে হাসিনাকে গালমন্দ করতে পারছেন, তাদের অবস্থা হতো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের ভীত, পলাতক বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশের মতো। সুতরাং তারা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিন্দায় পঞ্চমুখ হবেন না তো আর কাদের বিরুদ্ধে হবেন? শেখ হাসিনার কাছে তাদের সমষ্টিগত ঋণ শোধ করতে হবে তো!

আমিনুল হক বাদশাকে যা-ই বলে থাকি, একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, পশ্চিমবঙ্গের বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশের মতো বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী তথা সুশীল সমাজেরও একটা বড় অংশে পচনক্রিয়া অত্যন্ত স্পষ্ট। এক মনীষী বলেছেন, ‘মাছের পচন শুরু হয় মাথা থেকে, মনুষ্য সমাজেও পচন ধরে তার মাথাওয়ালা শ্রেণী থেকে।’ কথাটা বর্তমান বাংলাদেশ সম্পর্কে অতি বেশি প্রযোজ্য। বাংলাদেশে যতদিন বুদ্ধিজীবীরা বিদেশী শাসনে সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত ছিলেন, ততদিন তাদের অনেকেরই গণসম্পৃক্ততা অটুট ছিল। জনগণের সংগ্রামে তারা শরিক হতেন। তারা জানতেন জনগণ সংগ্রামে জয়ী হলে তাদেরও সুযোগ-সুবিধা বাড়বে। স্কুল মাস্টার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরও তারা হতে পারবেন।

ভাষা আন্দোলনে তাদের শরিক হতে দেখা গেছে। স্বাধীনতার যুদ্ধে আত্মাহুতি দিতে দেখা গেছে। অবশ্য তাদের মধ্যেও সুবিধালোভী ট্রয়ের ঘোড়া যে ছিল না তা নয়। তা না হলে পাকিস্তান আমলে রবীন্দ্রসঙ্গীত বর্জনের জন্য আইয়ুব সরকারের প্রচেষ্টায় আবুল মনসুর আহমদের নেতৃত্বে ৪০ জন শীর্ষ বুদ্ধিজীবী বিবৃতি দিয়ে সমর্থন যোগান কিভাবে?

এক শ্রেণীর শীর্ষ বুদ্ধিজীবীর বুদ্ধি ও নীতিভ্রষ্টতার মধ্য থেকেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের নতুন গজিয়ে ওঠা বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশের মধ্যে এই বুদ্ধি ও নীতিভ্রষ্টতার শুরু। স্বাধীনতার পর যে অঢেল সুযোগ-সুবিধা তার অধিকাংশই হস্তগত হয় সমাজের শীর্ষস্থানীয় এই বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর। তখন তাদের আর কোন উর্দুভাষী বা নিজ সমাজের হিন্দু বুদ্ধিজীবী প্রতিযোগী ছিল না। সুতরাং সরকারী বেসরকারী অঢেল সুযোগ-সুবিধার অধিকারী হয়ে এই বুদ্ধিজীবী বা সুশীল সমাজের মধ্য থেকেই একটা কায়েমী স্বার্থ গড়ে ওঠে। এই ধরনের হঠাৎ উল্লম্ফন জাত একচেটিয়া সুবিধাভোগী শীর্ষ শ্রেণীর অভ্যুদয় অন্য কোন দেশে দেখা যায় না।

রাতারাতি কেরানী হয়ে গেলেন সেক্রেটারিয়েটের সচিব। স্কুলের হেড মাস্টার নিদেন একজন কলেজ শিক্ষক হতে পারলেই যিনি খুশি হতেন তিনি হয়ে গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। স্বাধীনতার আগে যিনি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রুফ রিডার; স্বাধীনতার পর তিনি হলেন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক। সুযোগ সুবিধা ও অনুগ্রহের এই উল্লম্ফনের জোয়ারে যখন বুদ্বুদের মতো নতুন বুদ্ধিজীবী সমাজ গড়ে উঠছে, তখন তাদের ঠেকায় কে? সমাজের নতুন মাথাওয়ালা শ্রেণীর একটা বড় অংশই তাই ধীরে ধীরে গণসম্পৃক্ততা হারায়। জনগণের পাশে থাকার তারা আর প্রয়োজন অনুভব করে না। কারণ, জনগণের সংগ্রামে যুক্ত থেকে তাদের নতুন করে পাওয়ার আর কিছু নেই।

বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা এবং জনগণের স্বার্থে এই উল্লম্ফনের জোয়ার ঠেকাতে চেয়েছিলেন। যেমন মাও জে দুং একই কায়েমী স্বার্থের অভ্যুত্থান ঠেকাতে চেয়েছিলেন তার কালচারাল রেভ্যুলিউশন দ্বারা। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন তার বাকশাল পদ্ধতি প্রবর্তন দ্বারা। কায়েমী স্বার্থের চক্রান্তে দু’জনেই ব্যর্থ হয়েছেন এবং অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের সুশীল সমাজের কায়েমী স্বার্থবাদী অংশটি তাই এখনও বঙ্গবন্ধু, বাকশাল নামে শঙ্কিত। এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগও তাদের চোখের বালি।

এদিক থেকে জিয়াউর রহমান ও বিএনপি তাদের বন্ধু এবং অভিভাবক। জিয়াউর রহমানই বঙ্গবন্ধু হত্যায় ইন্ধন জুগিয়ে, বাকশাল ব্যবস্থায় উচ্ছেদ করে দেশের নব্য ধনী ও নব্য বুদ্ধিজীবীদের কায়েমী স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। তাই নব্য ধনী ও নব্য বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশই (তারা ডানপন্থী বা বামপন্থী যাই হোন) জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী ও বিএনপির প্রতি একটা গোপন অনুরাগ এবং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সম্পর্কে মনে গোপন ভীতি ও বিদ্বেষ পোষণ করেন। আমার এ বিশ্লেষণ কতটা সঠিক তা বোঝা যায় বিএনপি’র সাম্প্রতিক সন্ত্রাসের রাজনীতি এবং জামায়াতের সঙ্গে মিলে দেশে মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি সম্পর্কে ও এই বুদ্ধিজীবী তথা সুশীল সমাজের একটা বড় অংশ, তাদের মিডিয়াগুলোর ভূমিকা লক্ষ্য করলে।

সবচাইতে লক্ষণীয় ব্যাপার এই যে, রাশিয়ায় সমাজতন্ত্রী বিপ্লব দ্বারা সোভিয়েত ইউনিয়ন তৈরি হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রথম প্রচার শুরু করেন ইউরোপের তথাকথিত বাম সুশীল সমাজেরই একটি অংশ। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরেও প্রথমে সুশীল সমাজের ভেতর থেকেই বোরিস প্যাস্তারনক, সোলঝেৎসিনদের আবির্ভাব ঘটেছিল; যারা সোভিয়েতবিরোধী প্রচারণায় অংশ নিয়ে প্রকারান্তরে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদকে সহায়তা জুগিয়েছেন এবং নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। এখন তো ফাঁস হয়ে গেছে, প্যাস্তারনক এবং সোলঝেৎসিন দু’জনের পেছনেই ছিল মার্কিন সিআইএর মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা। আমাদের দেশেও হালে কি নোবেলবিজয়ী ড. ইউনূসদের আবির্ভাব ঘটেনি?

ইউরোপে নাৎসিদের অভ্যুদয়ে বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশের কী বিরাট অংশগ্রহণ ও সমর্থন ছিল সে সম্পর্কে অসংখ্য বই এখন বাজারে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের বর্তমান সুশীল সমাজের একটা বড় অংশের অধঃপতন, বুদ্ধি ও নীতিভ্রষ্টতা এবং জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণ, পটভূমি ও পরিণতি সম্পর্কেও আলোচনা, বিশ্লেষণ ও বই প্রকাশ প্রয়োজন। আমিনুল হক বাদশার ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত পরিকল্পিত বইটি লেখা শেষ হলে হয়ত এই ব্যাপারে পথ দেখাতে পারত। কিন্তু তার মৃত্যুতে তা আর হলো না। আমার ধারণা, দেশের বুদ্ধিজীবীদের যে প্রগতিশীল অংশটি এখনও অবশিষ্ট আছেন, তাদের ভেতর থেকেই আমাদের একটি অধঃপতিত সুশীল সমাজের নীতি-নৈতিকতাবিহীন বর্তমান ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে দেশবাসীকে সতর্ক ও সচেতন করার জন্য কারও এগিয়ে আসা উচিত।

[লন্ডন ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০১৫

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১৮/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: