কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বৈশাখী মেলায় মূল আকর্ষণ ছিল এই নাচ

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

বিদায়ের পথে মানিকগঞ্জের আদি পুতুল নাচ। মাত্র দুটি আদি পুতুল নাচের দল থাকলেও তা বন্ধ হওয়ার পথে। জ্যান্ত পুতুলের নাচের প্রভাবে কেউ আর সেই পুরনো পুতুল নাচের প্যান্ডেলে ভিড় জমায় না। অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচ। উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা আর আইন করে পুতুল নাচের নামে অশ্লীলতা বন্ধ করা না হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে এই শিল্প। এক সময় মানিকগঞ্জের বিভিন্ন মেলা রাশমেলা, পহেলা বৈশাখসহ নানা দিবসের বিশেষ আর্কষণ ছিল পুতুল নাচ। পরিবারের সকলে মিলে উপভোগ করেছে ১৩ রকমের পুতুল নাচের বিভিন্ন দিক। যেমনÑ বনে বাঘ শিকার, নৌকাবাইচ, বেদের মেয়ে, হনুমানের লঙ্কার কাহিনী, প্রেমকাহিনী, বিভিন্ন নাচের গান, সিনেমার গানকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হতো এই পুতুল নাচ। মানিকগঞ্জে এক সময় ৬-৭টি পুতুল নাচের দল ছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন দল বায়না করে আনা হতো। এখন মাত্র তিনটি দল রয়েছে। এর মধ্যে আনিছা পুতুল নাচ ও বিশ্বরূপা পুতুল নাচের দল দুটিই কোন রকমে টিকে আছে আদি পুতুল নাচের দল হিসেবে। এছাড়া ‘নিউ ময়না সীমান্ত পুতুল নাচের’ দলটির বিরুদ্ধে পুতুল নাচের আড়ালে জ্যান্ত পুতুলের নাচ আয়োজনের অভিযোগ রয়েছে। পুতুলের পরিবর্তে তারা অল্পবয়সী মেয়েদের নাচিয়ে থাকে। যার কারণে এদের প্যান্ডেলে উপচেপড়ে ভিড়, আর আদি পুতুল নাচের প্যান্ডেলে থাকে হাতেগোনা দর্শক। যে কারণে মারখেয়ে বিদায়ের পথে আসল পুতুল নাচের দল। বছরের ৫-৬ মাস চলে পুতুল নাচ। একটি দলে ১০ থেকে ১২ জনের সদস্য থাকে। শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘বিশ্বরূপা পুতুল নাচ’ দলের মালিক মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বিজয়নগর গ্রামের বলরাম রাজ বংশী জানান, ৪৫ বছর ধরে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছি।

Ñগোলাম ছারোয়ার ছানু

মানিকগঞ্জ থেকে

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১৪/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: