মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ফিরে দেখা ভাষা আন্দোলন

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • এমআর মাহবুব

৯৪ নবাবপুর রোড

১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় অফিস ছিল ৯৪, নবাবপুর রোডে। ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচীকে বানচালের জন্য সরকার ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে এক মাসের জন্য ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে সভা সমাবেশ মিছিল ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এ অবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের এক বৈঠকে বসে ঢাকার ৯৪ নম্বর নবাবপুর রোডের আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় অফিসে। এতে সভাপতিত্ব করেন আবুল হাশিম। ঐতিহাসিক তাৎপর্যে গুরুত্বপূর্ণ সর্বদলীয় পরিষদের সভায় ভাষা-আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ নেতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার পক্ষের মনোভাব প্রকাশ করেন। বৈঠকে অলি আহাদ, মুহম্মদ তোয়াহা, আবদুল মতিন, শামসুল আলম (ফজলুল হক হলের ভিপি) ও গোলাম মাওলা (ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভিপি) ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে মত দিলেও ভোটাভুটিতে তাদের মত গৃহীত হয়নি। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সিদ্ধান্ত ছিল না বলে যুবলীগ নেতা মুহম্মদ তোয়াহা ভোটদানে বিরত থাকেন।

ভোটাভুটির শেষে আবদুল হাশিম সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহ্বায়ক আবদুল মতিন তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে, যেহেতু ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা বা ভঙ্গ না করার বিষয়টি পরেরদিন ২১ ফেব্রুয়ারিতে ঘটবে এবং সেদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমতলায় ছাত্র সমাবেশ হবে, সেহেতু সিদ্ধান্তটি ওই সমাবেশ পর্যন্ত মুলতবি রাখাই সমীচীন হবে। আবদুল হাশিম তখন আবদুল মতিনের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

লেখক : গবেষক

সৎসধযনঁন@ুধযড়ড়.পড়স

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১৪/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: