মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

একুশের কবিতা চেতনাশাণিত শব্দস্রোত

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • মুহাম্মদ ফরিদ হাসান

ভাষাপ্রেমে বাঙালী পরীক্ষিত জাতি। হাজার বছরের বাঙালীর জীবন প্রবাহে যেসব আন্দোলন, সংগ্রাম, গৌরবগাথা অগ্রগণ্য, নিঃসন্দেহে বিংশ শতাব্দীর ভাষা আন্দোলন তার একটি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী বিস্মিত হয়ে আছে বাঙালীর ভাষাপ্রীতিতে, বাঙালীর মহিমায়। ভাষার জন্য আত্মত্যাগ বাঙালীকে বিশ্বের মানুষের কাছে আদর্শিক স্থানে দৃষ্টান্তরূপে প্রতিস্থাপন করে সক্ষম হয়েছে।

’৫২ পরবর্তীতে আমাদের জাতীয় জীবনে, সামগ্রিক চেতনায় ভাষা আন্দোলনের প্রভাব কেবল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই পড়েনি, একুশের মহিমা বাংলা সাহিত্যেও বারবার উচ্চকিত হয়ে আসছে। মুক্তিযুদ্ধের মতোই সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় প্রেক্ষাপট হিসেবে ভাষা আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কবিতার কাব্যিক চোখে, গল্পের শাব্দিক ভাঁজে, গবেষণার আগ্রহী বিষয় হিসেবে, নাটকের উদ্দীপক সংলাপ বর্ষণে বায়ান্নের একুশ তারিখ এখনও প্রাণময়, চেতনাদীপ্ত; এতটুকুও পুরনো হয়ে উঠেনি। ফলে এমন পদ্য অথবা গদ্যশিল্পী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যিনি এ প্রেক্ষাপটে অনুরণিত হয়ে গল্প-কবিতা রচনা করেননি। তবে সব সময়ের মতোই, সব প্রেক্ষাপটের পুনঃসঞ্চায়নে ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে অন্যান্য শাখার তুলনায় কবিতাই অজর-অজস্র লেখা হয়েছে। ‘একুশের প্রভাব : বাংলাদেশের কাব্যভাষার বিবর্তন’ প্রবন্ধে কবিতায় ভাষা-আন্দোলনের প্রভাব সম্পর্কে আহমেদ মাওলার মুল্যায়ন- ‘একুশের পর বাঙালীর যেন নতুন জন্ম ঘটে, চেতনায় ও সৃজনশীলতায় নতুন এক দিগন্তের সাক্ষাৎ পায় বাঙালী। সাহিত্যের অন্য শাখার তুলনায় কবিতাই হয়ে ওঠে বাঙালীর সৃজন-বেদনার প্রিয় ক্ষেত্র। ওই দশকে, একসঙ্গে এত কবির আবির্ভাব, এত কবিতা, সম্ভবত আর কখনও লেখা হয়নি। ভাষা-আন্দোলনের অভিঘাতই বাংলাদেশের কবিতার বাঁকবদল ঘটিয়েছে, অভূতপূর্ব রূপান্তর ঘটেছে বাংলাদেশের কাব্যভাষার।’ পূর্বে সাহিত্যে ব্যাপকভাবে আরবী, ফারসী ভাষা ব্যবহৃত হলেও ভাষা আন্দোলনের পরবর্তীতে বাংলা শব্দের যথাযথ প্রয়োগে কবিরা সচেতন ও তীক্ষè দৃষ্টি রাখেন এবং সফলও হন।

একুশের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় প্রথম কবিতা রচিত হয় চট্টগ্রামে। মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী সেদিনই লিখেছিলেন ১’শ ২০ লাইনের কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। কবি এই কবিতার প্রতিটি লাইনে ঘটিয়েছেন প্রতিবাদের বিস্ফোরণ। কী অনবদ্য কাব্যিক প্রতিবাদ! প্রতিবাদে রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়া এ কবিতাটি বাঙালীর রক্তের কণায় কণায় প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে দেয়। গ্রন্থ আকারে কবিতাটি প্রকাশ হলে কাব্যিক প্রতিবাদের ভয়ে ভীত-শঙ্কিত তৎকালীন সরকার সঙ্গে সঙ্গেই বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ‘কাঁদতে আসেনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতায় রমনার রোদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচূড়ার তলে ভাষার দাবিতে যাঁদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে রাজপথ, কবি তাঁদের মৃত্যুতে কাঁদতে আসেননি। কবি এসেছেন যারা বাঙালী ও বাংলা ভাষাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায় তাদের ফাঁসির দাবি নিয়ে। কবি দেখতে পেয়েছেন ভাষা শহীদদের প্রতিটি রক্তকণা রমনার ঘাসের বুকে আগুনের মতো জ্বলছে। এসব শহীদদের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল লিংকন, রকফেলার, আইনস্টাইনের প্রতিচ্ছবি। শহীদরা গিয়েছিল এ দেশের সাংস্কৃতিক মর্যাদার জন্য, গিয়েছিল বাংলা সাহিত্য, মায়ের মুখের গল্প আর কবিতার প্রতিটি অক্ষরের জন্য। তাঁদের মায়ের ভাষা ফিরিয়ে আনতে তাঁরা গিয়েছিল। আজ তাঁদের মৃত্যুতে কবি দাবি নিয়ে এসেছেন-

যারা গুলি ভরতি রাইফেল নিয়ে এসেছিল ওখানে

যারা এসেছিল নির্দয়ভাবে হত্যা করার আদেশ নিয়ে

আমরা তাদের কাছে

ভাষার জন্য আবেদন জানাতেও আসিনি আজ

আমরা এসেছি খুনি জালিমের ফাঁসির দাবি নিয়ে।

কবিতার এই বজ্রশাব্দিক দাবি সেদিন হয়ে উঠেছিল সমগ্র বাঙালী জাতির দাবি। কবিতার মাধ্যমেই আছড়ে পড়ল ক্ষোভ, দুমড়ে মুচড়ে দিতে চাইল সকল অন্যায় অবিচার। সময়, চিত্রকল্প, ভাষাশৈলীর বিচারে কেউ কেউ এই কবিতাকে বলেছেন ‘একুশের সেরা প্রতিবাদী কবিতা’। সময় কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। কারণ, তখনকার বিরূপ সময়ে আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণসম এমন কবিতা লেখার সাহস করা কম প্রশংসার দাবি রাখে না।

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লিখেছিলেন ‘আমার ভাইয়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ আমি কি ভুলিতে পারি’ কবিতাটি। যা প্রথমে আবদুল লতিফ, পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদের সুরে গান হয়ে ওঠে। একুশে ফেব্রুয়ারিতে এই গানটির সুর বারবার আমাদের বলে ফেরে একুশের মাহাত্ম্য আর বাংলা ভাষাপ্রীতির কথা। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির দিন থেকেই শুরু হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কবিতা লেখা। বায়ান্নের পঁচিশের ফেব্রুয়ারিতে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বরেণ্য সাহিত্যিক আলাউদ্দিন-আল-আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলে বসে একুশে ফেব্রুয়ারি ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় লিখেছিলেন ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি। ভাষা শহীদদের স্মৃতি, আত্মত্যাগের ইতিহাস তাদের মাহাত্ম্যকে বাড়ায়নি শুধু, সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়েছে সমগ্র বাঙালী জাতিসত্তার মর্যাদা। কবি মনে করেন, জালিমরা মানুষ নির্মিত শহীদ মিনার ভাঙলে ভাঙ্গুক, তাতে কি। শহীদরা মিশে আছে প্রতিটি বাঙালীর রক্তের কণায় কণায়। এই রক্তে নির্মিত শহীদ মিনার কে ভাঙবে? কবির অনবদ্য আবেগমিশ্রিত পঙ্তিমালা-

ইটের মিনার ভেঙেছে ভাঙুক

একটি মিনার গড়েছি আমরা চার কোটি কারিগর

বেহালার সুরে রাঙা হৃদয়ের বর্ণলেখায়। পলাশের আর

রামধনুকের গভীর চোখের তারায় তারায়

দ্বীপ হয়ে ভাসে যাদের জীবন

যুগে যুগে সেই শহীদের নাম

এঁকেছি প্রেমের ফেনিল শিখায়, তোমাদের নামে তাই আমাদের

হাজার মুঠির বজ্্র শিখরে সূর্যের মতো জ্বলে শুধু এক শপথের ভাস্কর।’

(স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার একাংশ)।

একুশকে নিয়ে পরাবাস্তবতার কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দ যে কটি কবিতা লিখেছেন তার মধ্যে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ কবিতাটি বেশ সমৃদ্ধ। এই কবিতাটি একুশের অন্যান্য কবিতাগুলো থেকে থেকে একটু ব্যতিক্রমই বটে। কেমন ছিল বায়ান্নের দিনগুলো তা তিনি পাঠকদের জানিয়ে দিয়েছেন একজন কিশোরের দিনলিপি সরল ব্যঞ্জনার মাধ্যমে কবিতায় তুলে ধরে। কবিতায় বছরের অন্য সব দিনেই মতোই চলছিল কিশোরদের জীবনের নৌকা, তারই মধ্যে একদিন হঠাৎ... কবি লিখেছেন :

‘পাড়ায় পাড়ায় নাটক- ব্রতচারী নাচ-

মুকুলের মাহফিল-কৃষ্ণচূড়া আর পলাশ ফুল

আর সবুজের স্বরগ্রাম:

কলাপাতা-সবুজ, ফিরোজা, গাঢ় সবুজ, নীল,

তারই মধ্যে বছরের একটি দিনে

রাস্তায় রাস্তায় উঠে আসে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত”

‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই! রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই!’

‘...চিঠিটা তার পকেটে ছিলো/ ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা/ মাগো, ওরা বলে/ সবার কথা কেড়ে নেবে/ তাই কি হয়?/ তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।/ তোমার জন্য কথার ঝুড়ি নিয়ে/ তবেই না বাড়ি ফিরবো..’ আবার আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘মাগো ওরা বলে’ কবিতায় কবি এক দুখিনী মায়ের চিত্রকল্প এঁকেছেন। মায়ের আদরের সেই খোকাটির আর বাড়ি ফেরা হয় না। অথচ ঘরে প্রতীক্ষায় কাতর মা ছেলের জন্য সখের উড়কি ধানের মুড়কি ভাজে, নারকেলের চিড়ে কোটে। একসময় কুমড়ো ফুল শুকিয়ে যায়, ঝরে পড়ে কিন্তু খোকা ছুটি পায় না। কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ এই কবিতায় অত্যন্ত কোমল হাতে, ঝাপসা চোখে ভাষা আন্দোলনে শহীদ ছেলের জন্য মায়ের প্রতীক্ষা যে কত তীব্র, কত কষ্টের তা বিবৃত করেছেন। মাগো ওরা বলে কবিতার পরিবেশে গ্রামের ফুল মাটি জল হওয়ায় পাঠকদের চোখে বারবার একজন প্রতীক্ষা কাতর ক্লান্ত সহজ সরল মায়ের ছবি ফুটে ওঠে। এ কবিতাটিকে নির্দ্বিধায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্যতম সেরা কবিতা হিসেবে বলা যায়।

কবি শামসুর রাহমানের ‘বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে’ কবিতায় বাংলা ভাষার উচ্চারণে নিকানো উঠানে ঝরে রোদ, অন্ধ বাউলের হাতে বাজে একতারা, নদীও বনে যায় নর্তকি। বাংলা ভাষা উচ্চারণকে ভিত্তি করে শামসুর রাহমান এই কবিতায় প্রাকৃতিক রূপকল্পের সঙ্গে সঙ্গে এনেছেন স্বাভাবিক অথচ প্রগাঢ় মানবজীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি। বাংলা শব্দ উচ্চারণ হলে কবির চোখে ভেসে ওঠে একুশের প্রথম প্রভাত ফেরি। কবির ভাষ্য-

‘...বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে চোখে ভেসে ওঠে/ কত চেনা ছবি; মা আমার দোলনা দুলিয়ে কাটছেন ঘুম পাড়ানিয়া ছড়া.../ নানী বিষাদ সিন্ধু স্পন্দে দুলে দুলে রমজানি সাঁঝে ভাজেন ডালের বড়া/ আর একুশের প্রথম প্রভাত ফেরি, অলৌকিক ভোর।’

শামসুর রাহমান যেখানে দেখেছেন প্রভাতফেরির অলৌকিক ভোর, সেখানে সমকালীন কবি মহাদেব সাহার ‘তোমরা কি জানো’ কবিতার অভিব্যক্তি- আকাশে ভেসে থাকা শোকার্ত মেঘ, মাটির জমিনে পড়ে থাকা থোকা থোকা শিশিরের বিন্দু আদতে এগুলো মেঘ কিংবা শিশির বিন্দু নয়। এগুলো একুশের ভাষা শহীদের প্রিয়জনের তপ্ত অশ্রু। কবি জিজ্ঞেস করেছেন-‘তোমরা কি জানো, এ শহর কেনো হঠাৎ এমন/মৌন মিছিলে হয়ে ওঠে ভারী, অশ্রুসিক্ত?’ কবির চিত্রকল্পে ফুঠে ওঠা রঙিন আলপনাকে কবি ফুটিয়ে তুলেছেন এভাবে-

‘একুশের রাজপথ জুড়ে এতো রঙিন আলপনা আঁকা

তোমরা কি জানো সে তো নয় কোন রঙ ও তুলির ব্যাঞ্জনা কিছু

এই আলপনা, পথের শিল্প শহীদের তাজা রক্তের রঙ মাখা!’

একুশের প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতার মধ্যে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘একুশের গান’, সুফিয়া কামালের ‘এমন আশ্চর্য দিন’, মাজহারুল ইসলামের ‘স্বাগত ভাষা’, হাসান হাফিজুর রহমানের ‘অমর একুশে’, কায়সুল হকের ‘একুশের কবিতা’, মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহর ‘স্মৃতির মিনার’, আল মাহমুদের ‘একুশের কবিতা’, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের ‘কৃষ্ণচূড়ার মেঘ’ ওমর আলীর ‘বেদখল হয়ে যাচ্ছে’, শহীদ কাদরীর ‘একুশের স্বীকারোক্তি’, আনিসুজ্জামানের ‘তারা’, আসাদ চৌধুরীর ‘ফাগুন এলেই’, ড. আবু হেনা মোস্তফা কামালের ‘বর্ণমালা’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘একুশের কবিতা’ বেশ উল্লেখযোগ্য।

একুশের প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত কবিতায় কখনও ফুটে উঠেছে সন্তানহারা মায়ের নির্মম প্রতীক্ষা, কখনও কবিতায় স্থান পেয়েছে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণার অক্ষরে প্রতিবাদ। একুশের কবিতাগুলো দেশের ঐতিহ্যগত চেতনারই ফসল। এসব কবিতার প্রতিটি লাইন, প্রতিটি শব্দ একুশকে মাহাত্ম্য করে; পৃথিবীকে জানিয়ে দেয় বাঙালীরা তাদের মায়ের ভাষাকে কত ভালবাসে।

এসব কবিতার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের মাঝে সঞ্চারিত হবে একুশের ইতিহাস, ভাষাপ্রেমের নমুনা। তাই একুশকে মনে রাখতে, ভাষা শহীদদের সম্মান জানাতে কবি আবদুল মান্নান সৈয়দের ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ কবিতায় কবির আহ্বানের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বলি-

হে নতুন প্রজন্ম!

ভুলে যেয়ো না সেইসব কিশোরের কথা

যারা একদিন কচি গলায়

বাংলাদেশের সব শহরের রাস্তায় রাস্তায়

অজস্র কৃষ্ণচূড়া আর পলাশ ফুলের গন্ধে

ফুটিয়ে তুলেছিল আরেক রকম রক্ত-লাল-ফুল;

‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই!’

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১৩/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: