কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলা আদালতে মাইক্রো চালকের জবানবন্দী

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক হত্যা মামলায় রবিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে মাইক্রো চালক ফয়েজ আহমেদ। তবে তাকে আসামি না করে মামলার সাক্ষী করা হয়েছে। দ-বিধি ১৬৪ ধারায় এই জবান বন্দী রেকর্ড করেন মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট নার্গিস ইসলাম। জবানবন্দী রেকর্ড করার পর আদালত এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাহাবুদ্দিন খান বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমা-ে মঞ্জুর করেছে। এর পূর্বে শনিবার উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুন্সীগঞ্জ ডিবির এসআই মাসুম খান জানান, ফয়েজ আহমেদ নামে মাইক্রোবাস চালক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নার্গিস ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। ঘটনার দিন লৌহজং উপজেলা যুবলীগের সংস্কৃতিক সম্পাদক রফিক হত্যাকা-ে খুনীরা গোয়ালীমান্দ্রা থেকে ঢাকা শাহজালাল এয়ারপোর্টে যাবার কথা বলে ৪ হাজার টাকায় ফয়েজের মাইক্রেবাসটি ভাড়া নেয় ফয়েজের পূর্ব পরিচিত ড্রাইভার মিঠু। ঘটনার দিন সকালে রফিক যখন বাড়ি থেকে বেড় হয়ে কাজির পাগলার রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছিল, তখন সে মাইক্রোবাসের সামনে এলে সুজন তার শার্টের কলার চেপে ধরে। শাহাবুদ্দিন বাবু রফিককে ধাক্কা দিয়ে মাইক্রোতে তুলে নেয়। এ সময় রফিক ছাড়াবার চেষ্টা করলে বাবু, ড্রাইভার মিঠু ও নাতি সুজন তার গলায় ছুরি চেপে ধরে। এ সময় তারা রফিককে মাইক্রোতেই মারধর করে তাকে কাবু করে ফেলে। মাইক্রো চালক এ সময় বাধা দিলে বাবু তার গলায়ও ছুরি চেপে ধরে গাড়ি চালাতে বলে। মাইক্রোটি তারা কাজির পাগলার পরিত্যক্ত রাইসমিলে নিয়ে গিয়ে মাইক্রো চালককে ভাড়া দিয়ে ছেড়ে দেয়।

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৯/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: