মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

রাঘববোয়ালদের ধরতে গ্রেফতার অভিযান

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • যাত্রাবাড়ীতে পেট্রোলবোমা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গত ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলায় ৩১ যাত্রীকে দগ্ধ করার ঘটনার সঙ্গে জড়িত রাঘববোয়ালদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ সংক্রান্ত দায়েরকৃত তিনটি মামলার মধ্যে দুই মামলায় হুকুমের আসামি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মামলার তদন্তের স্বার্থে খালেদা জিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াও প্রয়োজনে তাকে গ্রেফতারও করা হতে পারে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন। ইতোমধ্যেই এ মামলায় দুই আসামির দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে বোমা হামলার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত অনেক বিএনপি নেতার নাম প্রকাশ পেয়েছে।

এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ড শেষে লেগুনাচালক শহীদুল্লাহ ও পারভেজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সিএমএম আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জবানবন্দীতে দুই আসামি জানিয়েছে ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা নবি উল্লাহ নবীর নির্দেশেই রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা মারা হয়। বোমা হামলার আগে বাড্ডার একটি বাসায় এক বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ছিলেন। যাত্রাবাড়ী এলাকার ছাত্রদল নেতা জনিকে বোমা হামলার দায়িত্ব দেয়া হয়। জনি লেগুনাচালক শহীদুল্লাহ, চালকের সহকারী সোহাগ, বোমা রাসেল, সাব্বির ও রাজমিস্ত্রি পারভেজ নামে পাঁচজনকে দিয়ে টাকার বিনিময়ে বোমা হামলা করায়। বোমা হামলার সময় বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, এহসানুল হক মিলন, হাবিবুন নবী খান সোহেল আগে থেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বোমা হামলার পর পরই তারা সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। এরপর থেকেই বোমা মারার নির্দেশ প্রদানকারী বিএনপি নেতারা জনির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তারা বলছেন, ওই মামলায় শিক্ষক নেতা সেলিম ভুঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার কাছ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৮/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: