কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আধুনিক কারাগার নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আধুনিক কারাগার নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ১২ জেলায় কারাগার নির্মাণ প্রকল্পে লুটপাটের এ অভিযোগ তুলেছে খোদ সরকারের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। অভিযোগ উঠেছে ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করা সত্ত্বেও নির্মাণের কিছুদিন পরেই ব্যবহারের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে এসব কারাগার। অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যন্ত নিম্নমানের উপাদান। এমন সুদির্নিষ্ট অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে দুদকের উপ-পরিচালক শেখ ফাইয়াজ আলমকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, কারাগারে ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আধুনিক কারাগার নির্মাণের উদ্দেশ্যে ১৯৯৬ সালে ৫ বছর মেয়াদী ১২ জেলায় কারাগার নির্মাণ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। জেলাগুলো হলো : রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, মাদারীপুর, নেত্রকোনা, গোপালগঞ্জ, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, শেরপুর, পিরোজপুর, নাটোর, ফেনী ও নীলফামারী। ২০০১ সালে এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু প্রকল্পটি খুবই ধীরগতি ও অবহেলায় বাস্তবায়ন করায় প্রকল্পটির কাজ শেষ হতে সময় লেগেছে ১৫ বছর। ১৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি দুই বার সংশোধন করে ১০ বছর মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি ৪৮ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে ১৮৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। নির্মিত ভবনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শত কোটি টাকার এ প্রকল্পের অধীনে গোপালগঞ্জে নির্মিত কারাগারের অভ্যন্তরে দুইতলা হাসপাতালের নিচতলা দেবে গিয়ে দেয়ালে বড় ধরনের ফাঁটল সৃষ্টি হয়েছে। আর চার তলাবিশিষ্ট ওয়ান্ডারার্স ভবনের প্রতিটি ফ্লোরের প্লাস্টার, সিঁড়ির ওপরের দেয়াল পড়ে যাচ্ছে। রাজবাড়ীতে নির্মিত কারাগারের চারতলার ওয়ান্ডারার্স ব্যারাকের অধিকাংশ জানালার লক ও পুডিং খুলে পড়ায় কাচ ভেঙ্গে গেছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে কয়েদিদের জন্য অভ্যন্তরীণ টয়লেট তৈরি করা হয়নি।

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৮/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: