মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

মির্জাপুরে নদীর পাড় কেটে মাটি লুট, নষ্ট হচ্ছে আবাদী জমি

প্রকাশিত : ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, ৩ ফেব্রুয়ারি ॥ মির্জাপুরে বংশাই নদী অবকাঠামো ধ্বংস করে অবাধে মাটি চুরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় ভেকু যন্ত্র দিয়ে নদীর পাড়, আবাদী জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো নষ্ট করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাটি চুরি করলেও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের যোগীরকোফা, চাঁনপুর, মইশালপাড়া ও পালপাড়া এলাকায় বংশাই নদীতে গিয়ে দেখা গেছে, ভেকু যন্ত্র দিয়ে শত শত ট্রাক মাটি লুট করা হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারী খাল ভরাট করে রাস্তা বানিয়ে ট্রাক দিয়ে প্রতিদিন মাটি তুলে নেয়ায় গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন। যোগিরকোফা এলাকায় বংশাই নদীতে গিয়ে দেখা গেছে, একাধিক ভেকু মেশিন দিয়ে নদীর পাড় ২০/২৫ ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে শুধু নদীর অবকাঠামোই ধ্বংস হচ্ছে আবাদি জমি ও গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট। এছাড়া নদীর পাড় কেটে ফেলায় বর্ষা মৌসুমে আবাদী জমিতে নদীর বালি পড়ে জমির উর্Ÿরতা নষ্ট করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোড়াই এলাকার মইশালপাড়া, পালপাড়া ঘাটপাড় ও চাঁনপুর এলাকায় পাখি মিয়া, নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, রাজীব এবং যোগিরকোফা এলাকায় শাহজাহান ও আফাজ মল্লিকসহ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা এই মাটি লুটের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

সোমবার গোড়াই মইন নগর গ্রামের মনজু মিয়া তার জমির উপর দিয়ে মাটির ট্রাক নেয়ার প্রতিবাদ করলে মাটি লুটকারীরা তাকে বেদম মারপিট করে। গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আদিদুল রহমান খান আদিল জানান, নদী থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাক দিয়ে বহন করায় অত্র এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মাটি লুটের সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ এদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেলিম রেজা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিপা ভাইরাস ॥ নওগাঁয় ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ৩ ফেব্রুয়ারি ॥ মান্দা উপজেলায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু সংবাদ মঙ্গলবার জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হলে জেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ খেজুর রস ও মৌসুমি ফল কুল (বরই) খাওয়ার ক্ষেত্রে। খেজুর রস খাওয়া থেকে বিরত থাকার কথাও মানুষের মুখে মুখে ফিরছে এখন। এদিকে গাছিরাও পড়েছে লোকসানের মুখে। তাদের অনেকেরই সংসার চলে খেজুর রস বিক্রি করে। তাই তারাও তৎপর হয়ে উঠেছে বিশুদ্ধ রস বাজারে বিক্রির জন্য। মঙ্গলবার নওগাঁ সদরের বলিহার ইউনিয়নের পয়না ও ফারাদপুর এবং মান্দা উপজেলার মৈনম, গনেশপুর, পরাণপুর ও ভালাইন ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, গাছিরা বিশুদ্ধ রস সংগ্রহের জন্য প্রতিটি গাছেই কাপড়ের জাল বা বিশেষভাবে তৈরি বাঁশের বাতার তৈরি নেট দিয়ে গাছের কাটা অংশ ও হাঁড়ির মুখ মুড়িয়ে ঢেকে দিয়েছে। যেন বাদুড় বা পাখিতে গাছের রস খেতে না পারে। মঙ্গলবার দিনভর খেজুর গাছে নেট লাগানোর কাজে ব্যস্ত ছিল গাছিরা। তবে কোন কোন এলাকার গাছি আগে থেকেই এ ব্যবস্থাটি করেছে। যারা করেনি তারা নতুন করে গাছে নেট লাগানোর কাজ করছে।

প্রকাশিত : ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৪/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: