আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

‘অন্তরঙ্গ’ ছবি মেলা তাসলিমা আখ্তার

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী ২০১৫

আলোকচিত্রের নানা বিষয়, নানান উপস্থাপন, এ কাজের বৈচিত্র্যময় ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি সমাজের নানা দিকের প্রকাশ ঘটায়। যার যথাযথ কদর এখন পর্যন্ত মূল ধারার অঙ্গনে না থাকলেও ছবি নিজেই সেই সত্য জানান দিয়েছে বারবার। এই অঞ্চলের নানা সময়ের সাক্ষী বেশ কিছু দুর্লভ ছবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে আমাদের ইতিহাসে। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান কিংবা ৭১’ এর কথা বললে রশীদ তালুকদারের ছবি কিংবা ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের কথা মনে হলে পাভেল রহমানের নূর হোসেনের ছবির কথা সবার স্মৃতিপটে ভেসে আসে- যার কোনটি অস্বীকারের জায়গায় নেই। এ সমস্ত জানতে ছবি মেলা, পাঠশালা, বেগ আর্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং আলোকচিত্রীদের ভূমিকা অনস্বীকার্র্য। প্রেস ফটোগ্রাফি, স্যালন ফটোগ্রাফিসহ অন্যান্য ধারার পাশাপাশি এখন নতুন ধারায় ছবি দিয়ে গল্প বলা কিংবা ডকুমেন্টারি আলোকচিত্রের কাজ করছেন আমাদের দেশের আলোকচিত্রীরা। বাংলাদেশে এই কাজে ছবি মেলার প্রধান উদ্যোক্তা শহীদুল আলমসহ অগ্রজ আলোকচিত্রীদের ভূমিকা অস্বীকার করার জো নেই।

দুনিয়ার নানা প্রান্তের আলোকচিত্র জগতের অনুরাগীরা আবারও মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশে এক বিরাট মিলন মেলায়, ‘৮ম ছবি মেলা ২০১৫’-এর আয়োজনে। এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘ছবি মেলা’র এবারের আয়োজনের নাম ‘অন্তরঙ্গ’। কেবল সরল রৈখিকভাবে ঘনিষ্ঠতা, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব কিংবা প্রেমের কথা বলেনি এই মেলা। বরং নৈকট্য, দূরত্ব, ব্যক্তিগত জীবনের যাত্রাপথ, মানুষে মানুষে সম্পর্ক, সংকট, যুদ্ধ, সংগ্রাম, ইতিহাসÑ এ সমস্ত কিছুর মধ্য দিয়ে ‘অন্তরঙ্গ’ শব্দটি সীমাবদ্ধ গ-ি ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক অর্থে উপস্থিত হয়েছে দর্শকের সামনে।

দু’ সপ্তাহব্যাপী ছবি মেলা কেবল বেশ কিছু আলোকচিত্রের স্তূপ কিংবা আলোকচিত্রীদের আসা যাওয়া নয়। বরং এটি এমন এক সম্মিলনী যেখানে এদেশের দর্শকরা প্রতিবারের মতো এবারও প্রায় ২২টি দেশের আলোকচিত্রীদের ছবি দেখতে পেয়েছেন, জেনেছেন ছবি তৈরির পেছনের ঐ মানুষগুলোকে, ঐ মানুষগুলোর বেড়ে ওঠার আশপাশকে, জেনেছেন ভিন্ন দেশ-সমাজ-সংস্কৃতি এবং তাঁদের ইতিহাসকে। ছবি মেলা সেই সুযোগ এ দেশের ছবি প্রেমীসহ আন্তর্জাতিক শিল্পী ও সাধারণ জনগণের জন্যও অবারিত করেছে।

২০০১ সাল থেকে ‘ছবি মেলা’র যাত্রা। দৃক পিকচার লাইব্রেরি আর পাঠশালা-সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এই আয়োজন হয়ে আসছে। অনেক চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আলোকচিত্র শিল্প গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হিসেবে হাজির হয়েছে এই দীর্ঘপথ পরিক্রমায়। সঙ্গীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, পেইন্টিং, ভাস্কর্য ইত্যাদির পাশাপাশি আলোকচিত্রও যে সমাজ জীবনে আমাদের অস্তিত্ব, পরিচয় এবং সমাজের নানা অসঙ্গতি, শক্তি ও বৈচিত্র্যপূর্ণ নানা দিককে দেখার এবং বদলাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম সেই ভাবনা আবারও বিশেষভাবে সামনে এসেছে ছবি মেলার আয়ো

জনের মধ্য দিয়ে। ‘স্টুডিও ফটোগ্রাফার’, ‘ওয়েডিং ফটোগ্রাফার’ কিংবা ‘প্রেস ফটোগ্রাফার’ ইত্যাদি তকমা দিয়ে এদেশের আলোকচিত্রী বা আলোকচিত্রকে খাটো করার কোন জায়গা নেই, তা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছেন এদেশের আলোকচিত্রীরা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখছে, আলোচিত ও সমাদৃত হচ্ছে।

২২টি দেশের মধ্যে ছবি মেলায় এবার ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ইরান, তুরস্ক, নাইজিরিয়া, মিসর, এস্তোনিয়া, গুয়েতেমালা, সিঙ্গাপুর, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউক্রেন, স্পেন ও বাংলাদেশসহ মোট ৩১ জন আলোকচিত্রীর কাজ নতুন মাত্রা পেয়েছে অন্যান্য মাধ্যমের শিল্পীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। পেইন্টার মাহবুবুর রহমান, স্থপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ কাজ করেন আলোকচিত্রী শিল্পী মুনেম ওয়াসিফ, তানজিম ওয়াহাব এবং কিউরেটর রেজাউর রহমানের সঙ্গে। তাদের এই যৌথ প্রযোজনায় প্রদর্শনীগুলো যেমন নতুন রূপ ও শক্তি পেয়েছে, তেমনি কাজটি ছিল পরস্পরের জন্য ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ এবং দুঃসাহসের।

ইরানের আলোকচিত্রী আবদুল্লাহ হায়দেরির ‘লস্ট ইনটেমিসি’ কাজটি কিউরেট করেন আলোকচিত্র জগতের বাইরের শিল্পী মাহবুবুর রহমান। মাহবুব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ড্রয়িং এবং পেইন্টিং বিভাগ থেকে একাডেমিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়েছেন। আব্দুল্লাহ তাঁর ‘লস্ট ইন্টেমিসি’ কাজের মধ্য দিয়ে আগুনে ঝলসে যাওয়া মানুষগুলোর মুখোমুখি এবং কাছাকাছি নিয়ে যান দর্শককে, যেটি করা খুব সহজ বিষয় ছিল না। আর এই কাজটি কিউরেট করতে গিয়ে শিল্পী মাহবুবকে পড়তে হয়েছে ভীষণ তাড়া করা অনুভূতির ভেতরে। ইরানী স্কুলের শিশুর অগ্নিদগ্ধ মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা ফিরে ফিরে তাকানোই ছিল কঠিন বিষয়। সেইখানে সেসব ছবি দিনভর নেড়েচেড়ে, কিভাবে বিন্যস্ত করলে দর্র্শকের কাছাকাছি পৌঁছানো যাবে এইসব ভেবে কিউরেট করার দুঃসাধ্য কাজটি হাত দেন তিনি। তারপর দুই মাধ্যমের শিল্পীর একটি বিষয় নিয়ে নানা বোঝাপড়ার মাঝ দিয়ে অবশেষে বৃত্ত ট্রাস্ট গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয় ছবিগুলো। সন্দেহ নেই দুই ভুবনের দুই বাসিন্দাদের এভাবে এক কাতারে কাজ করার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জিং, নতুন কিছু এবং বৈচিত্র্যময়।

প্রদশর্নীকে পরিচিত গ্যালারির বাইরে এনে দর্শকের এবং বিষয়ের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করার বরাবরের প্রয়াস নতুন আঙ্গিকে দেখা যায় এবারের ছবি মেলায়। মেলার প্রধান ভ্যেনু শিল্পকলা একাডেমি, দৃক গ্যালারির বাইরে বেরিয়ে পরে এবারের ছবি মেলার নানা প্রদর্শনী। পুরনো ঢাকার নর্থব্রুক হল রোড ধরে এগিয়ে গেলে বিউটি বোর্ডিং, নর্থব্রুক হল, লাল কুঠি, কিছু দূরে ওয়াইজঘাটে বুলবুল একাডেমীÑ এই সমস্তই প্রদর্র্শনীর ভ্যেনুতে পরিণত হয়। পুরনো দিনের শিল্পী, সাহিত্যিকদের আড্ডার জায়গা বিউটি বোর্ডিং, আলোচিত স্থান লাল কুঠি এবং বুলবুল একাডেমী হয়ে পরে নতুন ভেন্যু আর পুরনো ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ।

হারিয়ে যাওয়া স্থানগুলো যেন ফিরে আসে স্মৃতিতে। ১০টি রিকশা ভ্যানে করে ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীগুলো ঘুরে বেড়ায় ঢাকার রাজপথে, অলি-গলিতে, অফিসপাড়া, ব্যস্ত এলাকাসহ নানা জায়গায়।

বিউটি বোর্ডিং এ আলোকচিত্রী মুনেম ওয়াসিফ কিউরেট করেন ভারতীয় আলোকচিত্রী মাহেশ সান্তারামের ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিয়ের ছবি নিয়ে কাজ ‘মেট্রিম্যানিয়া’। কাজটি স্থাপন করা হয় বিউটি বোর্ডিং-এর নিচতলার ছোট ছোট রঙ্গীন ঘরে। যেন ভারতীয় বিয়ের আতিশয্যকে কৌতুকময় করে তুলে এই উপস্থাপন। বিউটি বোর্ডিং পেরিয়ে একটু দূরে নর্থব্রুক হলের লাল কুঠিতে রাখা হয় গুয়েতেমালার শিল্পী আলোকচিত্রী লুইস গঞ্জালেস পালমার কাজ ‘দ্য এ্যানানসিয়েশন’।

এর পাশেই হয় নেপাল পিকচার লাইব্রেরির কাজ। পুরো ছবি মেলার ৩৩টি কাজের মধ্যে নেপাল পিকচার লাইব্রেরির কাজটি একমাত্র কাজ যেটি কেবল কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বিষয়ের চিন্তার প্রতিফলন না ঘটিয়েছ পুরো নেপালী জাতির যাত্রার কথাই যেন বলেছে ছবি দিয়ে। নর্থব্রুক হলের লাইব্রেরিতে ছবিগুলো বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থানে যেন বিষয়টিকে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ওয়াইজঘাটে অবস্থিত বুলবুল একাডেমিতে করা হয় ফরাসী আলোকচিত্রী ডেনিস ডায়ালাক্সের দীর্ঘ সময় ধরে করা কাজ ‘ইজিপ্ট’। প্রায় পরিত্যক্ত থিয়েটার, লাইব্রেরি কিংবা বুলবুল একাডেমীতে ভিন্ন ধরনের নিরীক্ষাধর্মী এই কাজগুলো করার সাহস দেখিয়ে আলোকচিত্রী এবং কিউরেটররা নতুনদের অনুপ্রাণিত করে তোলেন। একই সঙ্গে অন্য দেশের ইতিহাস এবং আমাদের দেশের ঐতিহাসিক জায়গাগুলো স্মৃতিতে ফিরিয়ে আনেন।

এছাড়াও বরাবরের মতো শিল্পকলা একাডেমী, দৃক গ্যালারি, ছবির হাট, চারুকলাসহ বিভন্ন জায়গায় একেজন আলোকচিত্রী শিল্পীর কাজ প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশের আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়ার ‘ক্লোজ ডিসটেন্স’ নামের কাজটি ‘গৃহকত্রী’র পাশাপাশি ‘কাজের মেয়ে/বুয়া/ খালা’ পরিচয়ে বাসায় গার্হস্থ্য কাজে অংশগ্রহণকারী মানুষদের নিয়ে পোর্ট্রটে সিরিজটি সামাজিক অবস্থানের অসঙ্গতিকে হাজির করে। আলোকচিত্রী সাদিয়া মরিয়মের তাঁর নিজের জীবনের ফেলে আসা দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজটি প্রদর্শিত হয় শিল্পকলায়। আরও আছে বাংলাদেশের শিল্পী হাদি উদ্দিন, তুসিকুর রহমান, তাপস পালসহ অন্যদের কাজ।

ছবি মেলা কেবল নানান আলোকচিত্রীর একে অপরকে জানবার সুযোগই করে দেয়নি প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে বরং এর বাইরে আয়োজন করা হয়েছে প্রতিদিন শিল্পীদের আলোচনা পর্ব এবং কর্মশালা। প্রতিদিনের এই আলোচনার আয়োজন ছবি মেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় অংশ হিসাবে থেকেছে, যেখানে একেকজন আলোকচিত্রীর কাজ এবং জীবন যাত্রার পথের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হবার সুযোগ হয়েছে অন্যদের। এসবে তরুণ আলোকচিত্রী উৎসাহিত হয়েছেন, একই সঙ্গে শিখেছেন নতুন অনেক কিছু। ম্যাগনামের আলোকচিত্রী ল্যারি টাওয়েল, ফিলিপ ব্লেংকিংন শপ, ক্রিস্টিনা ন্যুনেজ, নিউ ইয়র্ক টাইমসের লেনস ব্লগের সম্পাদক জেমস এস্ট্রিনসহ আরও অনেকে তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা এবং ছবি উপস্থাপন করেন মেলায়।

প্রদর্শনী ও আলোচনার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কর্মশালা, পোর্টফোলিও রিভিউ শিক্ষার্থীদের নিজের কাজকে বুঝতে, সমালোচনা করতে এবং নতুন কাজ শিখতে সহায়তা করেছে। আলোকচিত্রীরা জেনেছেন কিভাবে বই তৈরি করতে হয়, কিভাবে ছবি কিউরেট করতে হয়, জেনেছেন ছবি নির্মাণ, উপস্থাপন এবং কিউরেটের রাজনীতি ইত্যাদি প্রসঙ্গে। একজন আলোকচিত্রী একই সঙ্গে কিভাবে অন্যান্য মাধ্যমের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, সেই প্রসঙ্গটিও এসেছে ছবি মেলায়। টিউয়েন ভ্যান ‘দ্য ফটো বুক’ নামে কর্মশালায় ছবির বই তৈরির নানাদিক শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়ে আসেন। ভারতীয় আলোকচিত্রী স্বপন পারেখ ‘শেপিং ভিশন’, স্পেনের আলোকচিত্রী ক্রিস্টিনা ন্যুনেজের ‘সেল্ফ পোর্ট্রেট’ এসব কর্মশালা তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন অনুপ্রেরণা তৈরি করেছে, তেমনি উন্মোচন করেছে নতুন সম্ভাবনার দিক।

আলোকচিত্রীদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রতি ছবি মেলায় আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন আনোয়ার হোসেন, ল্যারি টাওয়েল, জেম্স এসট্রিন, ডেনিস ডায়ালুস, ক্রিস্টিনা ন্যুনেজ এবং নেপাল পিকচার লাইব্রেরি। এছাড়া এবারের ছবি মেলায় গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে ল্যারি টাওয়েলের ‘দ্য মেনোনাইটস’, স্পেনের আলোকচিত্রী ক্রিস্টিনা ন্যুনেজের ‘বাট বিউটিফুল’ নামে নিজের জীবনের ২৫ বছরের অভিজ্ঞতার ছবি, বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ নামে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও।

পুরো আয়োজনের এবারের ছবি মেলা যেমন দেশী-বিদেশী উভয় শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে তেমনি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী কাজ করার বিষয়ে নতুন সম্ভাবনার পথ সামনে হাজির করেছে।

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী ২০১৫

৩০/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: