মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

পেট্রোলবোমা হামলাকারীর বিরুদ্ধে সরকার প্রধানের নির্দেশ ॥ যে কোন ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী ২০১৫
পেট্রোলবোমা হামলাকারীর বিরুদ্ধে সরকার প্রধানের নির্দেশ ॥ যে কোন ব্যবস্থা
  • এবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নির্দেশ এলো সর্বোচ্চ পর্যায় খোদ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে
  • এর আগে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ প্রধান বলেছিলেন প্রয়োজনে গুলির চালানোর কথা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির ডাকা দেশব্যাপী টানা অবরোধে পেট্রোলবোমা হামলা, সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদী কর্মকা- দমনের জন্য যখন যেখানে যা করা প্রয়োজন পুলিশকে তা করতে হবে। নাশকতা ঠেকাতে কোন ছাড় দেয়া হবে না। এবার দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন নির্দেশ এলো। নাশকতা নির্মূলে প্রয়োজনে সব দায় নিজ কাঁধে নিয়ে দেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার নিজ কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমন নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকারপ্রধান হিসেবে আমি আপনাদের অনুমতি দিচ্ছি, পেট্রোলবোমা ছুড়ে মানুষ হত্যাকারী ঘাতকদের বিরুদ্ধে যখন যেখানে যে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন আপনারা নেবেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি জোটের অবরোধে যে কোন মূল্যে নাশকতা ঠেকাতে হবে। নাশকতা ঠেকাতে কোন প্রকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব ব্যতিরেকে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন চিন্তার অবকাশ নেই। নাশকতা ঠেকিয়ে দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখতে হবে। দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্তিত করতে হবে। এ জন্য যা কিছু প্রয়োজন সবই করতে হবে। নাশকতা ঠেকাতে যা করণীয় সব করতে হবে। সেক্ষেত্রে তিনি পুরো দায়-দায়িত্ব নেয়ার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে যা যা করণীয় তা সবই করতে হবে। এ জন্য পুলিশকে প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নির্দ্বিধায় কাজ করে যেতে হবে। এতটুকু স্বাধীনতা পুলিশকে দেয়া হলো।

হরতাল-অবরোধে পেট্রোলবোমা হামলায় মানুষ হত্যার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদী কর্মকা-। এই সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদী কর্মকা- দমনের জন্য যখন যেখানে যা করা প্রয়োজন পুলিশকে তা করতে হবে। মানুষ পুলিশের কাছ থেকে এমনটাই আশা করছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী টানা অবরোধ আর খ- খ- হরতালে মানুষ এখন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। দেশের মানুষ আশা করছেন, কঠোর হস্তে এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- বন্ধ করা হোক। অবরোধের ২৩ দিনে নাশকতা ও সহিংসতায় অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শত শত যাত্রাবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আহত হয়েছেন শত শত মানুষ। পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হয়ে অনেককে চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে। অনেকেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। মানুষের আর্তচিৎকারে দেশের আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে আছে। মানুষ আর এসব দেখতে চায় না। দ্রুত এ সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। যেভাবেই হোক তা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, মানুষের ওপর যে জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন হচ্ছে, এই জুলুম যেন আর কেউ করতে না পারে। যারা মানুষকে পোড়াবে বা মানুষের ওপর আঘাত করবে তাদের বিরুদ্ধে যে কোন ব্যবস্থা নেয়া দরকার। সেই ব্যবস্থা পুলিশকে নিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সংরক্ষণ ও সংবিধান-গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব পালনে পুলিশকে ইস্পাত কঠিন মনোবল নিয়ে কাজ করতে হবে।

পুলিশের প্রতি আস্থা থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আশা করি, পুলিশ নিজ নিজ দায়িত্বশীল এলাকায় ফিরে নাশকতা প্রতিরোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

গত বছর ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে নাশকতা দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে সন্ত্রাস ও নাশকতা মোকাবেলায় পুলিশের সঙ্গে জনগণকেও সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ, সচেতন নাগরিক, যারা শান্তি চায়, তাদের সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে নাশকতা নৈরাজ্য প্রতিরোধ করার পরামর্শও দেন তিনি। সেই সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত প্রতিনিধি, র‌্যাব, আনসার-ভিডিপি, বিজিবি সকলকে সম্পৃক্ত করে চলমান সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদী কর্মকা- মোকাবেলা করতে হবে। যে কোন উপায়ে নাশকতা দমন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন আপোস করা হবে না। কোন আপোস করার সুযোগ নেই। দেশের সাধারণ মানুষ নাশকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। অনেক জায়গায় তার প্রমাণও মিলছে। সময় যত যাবে, তত মানুষ রুখে দাঁড়াবে। মানুষের এই মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিতভাবে দেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করার পরামর্শও দেন তিনি।

বোমাবাজ ও নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে ইতোমধ্যেই সরকার পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে লিফলেটও বিলি করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুন মাসে বাজেট দেয়ার পর পরিকল্পনা গ্রহণ করে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয় নবেম্বর-ডিসেম্বর মাস থেকে। আর মূল কাজ শুরু হয় জানুয়ারি মাসে। এই জানুয়ারি মাসেই তা-ব শুরু করে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত। ফলে অর্থনীতির যে গতিশীলতা, উন্নয়নের যে গতিশীলতা ছিল- তা আজকে ব্যাহত হচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, কত মায়ের কোল যে খালি হচ্ছে! আমি জানি না বিএনপি নেত্রী তিনি তার সন্তান হারিয়েছেন। তার নিজের ব্যথা তিনি বোঝেন। কিন্তু যাদের পুড়িয়ে মারছেন, সেই সন্তানের পোড়া শরীর দেখে বা পোড়া লাশ দেখে সেই মায়ের মনে যে কি কষ্ট, সেই কষ্টটা কী খালেদা জিয়া বুঝতে পারছেন? আমার একটা প্রশ্ন থাকল এখানে।

গত ৬ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা চলমান অবরোধে নাশকতার ঘটনা প্রতিরোধে সারাদেশে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে। নাশকতা ঠেকাতে ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা টানা অবরোধে সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে টানা অবরোধে প্রতিদিন গড়ে ভাংচুর আর অগ্নিসংযোগের কবলে পড়েছে অন্তত হাজারখানেক যানবাহন। পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অন্তত ৫ শতাধিক যানবাহন। দেশের ক্ষতি হয়েছে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা। আহত হয়েছেন অন্তত হাজারখানেক মানুষ। দগ্ধ হয়েছেন দুই শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু। চলমান নাশকতায় রেললাইন উপড়ে ফেলা হয়েছে। রাজধানীর সদরঘাটে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষমাণ লঞ্চে পরিকল্পিতভাবে পেট্রোলবোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে অবরোধকারীরা।

গত ২৩ জানুয়ারি সবচেয়ে মারাত্মক পেট্রোলবোমা হামলাটি হয় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল কাঠেরপুল এলাকায়। একটি যাত্রীবাহী বাসে থাকা ৩১ জনকে পেট্রোলবোমা দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। দগ্ধদের মধ্যে ২৭ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চলছে।

এদিকে বুধবার বিকেলে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশলাইন মাঠে পুলিশের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, নাশকতা রোধে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে যার যেখানে যাওয়া উচিত, সে সেখানেই চলে যাবে। হরতাল-অবরোধের যতই দিন যাচ্ছে পরিস্থিতি ততই উন্নতির দিকে যাচ্ছে। কারণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাশকতা প্রতিরোধে সর্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষও সচেতন হয়ে উঠেছে। তারা নাশকতাকারীদের ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দিচ্ছে।

বিএনপি উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পেট্রোলবোমা মেরে এবং নাশকতামূলক কর্মকা-ের মাধ্যমে মানুষ হত্যা বন্ধ করুন, অন্যথায় পরিণতি ভাল হবে না। মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে আপনাদের যেখানে যাওয়া উচিত সেখানে চলে যাবেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, একটি মার্ডার হলে তার পেছনে কিছু মোটিভ থাকে। যেমন, কে হত্যা করেছে, কে নির্দেশ দিয়েছে ইত্যাদি। পেট্রোলবোমা মেরে হত্যা করার নির্দেশদাতাকে তো আইনের আওতায় আসতে হবেÑ এটাই স্বাভাবিক। ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও মামলা হয়েছে এবং হচ্ছে। আইন যেভাবে চলার কথা সেভাবেই চলবে।

দেশব্যাপী চলমান নাশকতা বন্ধে পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেছেন, নাশকতাকারীদের ছাড় দেয়া হবে। যে কোন মূল্যে নাশকতাকারী, তাদের গডফাদার ও তাদের অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনা হবে। নাশকতার বিষয়ে কোন আপোস করার সুযোগ নেই। যদি কেউ আপোস করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশ থেকে যে কোন মূল্যে নাশকতাকারী ও সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার ঘোষণাও দেন তিনি। নাশকতা ঠেকাতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়ারও আগাম নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সেসব নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করা হচ্ছে। যারা নির্দেশ মানছেন না বা অর্পিত দায়িত্বে গাফিলতি করছেন তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

নাশকতা ঠেকানোর বিষয়ে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ জানান, নাশকতা প্রতিরোধে প্রয়োজনে বিজিবি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারেও দ্বিধা করবে না। তবে দিন দিন দেশে যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে যেসব জেলায় তা-ব চালানোর ঘটনা ঘটেছিল, চলমান অবরোধেও সেইসব জেলায় নাশকতামূলক কর্মকা- চালানোর চেষ্টা করছে অবরোধকারীরা। বিষয়টি তাদের নজরে আছে। নাশকতা এড়াতে প্রয়োজনে যে কোন ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাহিনীর সদস্যদের আগাম নির্দেশা দেয়া আছে। নাশকতা চালিয়ে যাতে সীমান্ত পার হয়ে পালাতে না পারে এজন্য সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

দেশব্যাপী জ্বালাও পোড়াওসহ নাশকতা ঠেকাতে র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ জানান, রাজধানীসহ দেশব্যাপী নাশকতা কমে আসছে। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তারপরও যেসব নাশকতাকারী এখনও সক্রিয়, তাদের যে কোন মূল্যে দ্রুত নির্মূল করা হবে। সাধারণ মানুষ নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাকে সাড়া দিয়েছে। নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের মানুষ শান্তি চায়। আমরা সাধারণ মানুষের সহায়তা নিয়ে নাশকতাকারীদের রুখে দিতে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। নাশকতাকারী ও তাদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই নাশকতাকারীদের রুখে দেয়া হবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তারা দেশ ও জাতীর শত্রু। তাদের যে কোন মূল্যে প্রতিহত করা হবে। নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে ২৫ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেন তিনি।

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী ২০১৫

২৯/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: