রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রতারকের দাওয়াত খেয়ে জয়পুরহাটে বৃদ্ধার মৃত্যু

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়পুরহাট, ২৮ জানুয়ারি ॥ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে অপরিচিত পড়শী এক দম্পতির দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ৭৫ বছরের বৃদ্ধা গোলেনুর বেগম। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তার পুত্রবধূ ও নাতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রতারক অজ্ঞাত দম্পতি সোনার গহনা, কাপড়-চোপড়, রাইস কুকার ও অন্য জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার রাতে ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই মাস পূর্বে পাঁচবিবি পৌর এলাকার রাধাবাড়ি মহল্লার সাইফুল ইসলামের বাড়ির একটি ঘর ভাড়া নিয়ে সোহেল রানা (৩২) নামে এক ব্যক্তি স্ত্রী রানীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। একটি সিগারেট কোম্পানিতে চাকরি করে বলে তারা পড়শীদের জানায়। মঙ্গলবার রাতে সোহেল রানা লুৎফর রহমানের বাড়িতে রান্নাবাড়ার আয়োজন করে ইজ্জাতন বানু, শাশুড়ি গোলেনুর বেগম ও ইজ্জাতনের নয় বছরের পুত্র রেদওয়ানকে দাওয়াত করে খাওয়ায়। রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন বুধবার সকালে আত্মীয়স্বজন ও পড়শীরা ওই বাড়িতে গিয়ে মৃত গোলেনুর বেগম, অসুস্থ ইজ্জাতন বানু ও রেদওয়ানকে দেখেন। অসুস্থ ইজ্জাতন বানু ঘটনার বিবরণ দিলে সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।

সাতক্ষীরায় হাসপাতালে চার মাস ওষুধ সরবরাহ বন্ধ

মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা থেকে ॥ অবরোধের কারণে সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে সরকারী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ওষুধ সরবরাহ হচ্ছে না। ৪ মাস ধরে সাতক্ষীরা জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ইডিসিএল থেকে সরকারী ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চালানের ওষুধ সেপ্টেম্বরে এলেও গত ৪ মাসে ওষুধ সরবরাহ না হওয়ায় জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে আসা বেশিরভাগ রোগীর চাহিদানুযায়ী ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে ২৫ ভাগ জরুরী জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ক্রয়ের জন্য গত জুন মাসে দরপত্র ডাকার কথা থাকলেও এই দরপত্র ডাকা হয় নবেম্বরে। কিন্তু জানুয়ারির শেষেও এই ওষুধ কেনার জন্য ঠিকাদারকে কোন কার্যাদেশ দেয়া হযনি । জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সালেহ আহমেদ ওষুধ সঙ্কটের কথা স্বীকার করে জনকণ্ঠকে বলেন, অবরোধের কারণে ওষুধ আনা যাচ্ছে না। স্থানীয়ভাবে ওষুধ কেনার জন্য নবেম্বরে দরপত্র আহ্বান করা হলেও সমস্যার কারণে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হচ্ছে না বলে তিনি স্বীকার করেন। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বার্ষিক এই রুটিন বরাদ্দের পরও অতিরিক্ত বরাদ্দের ওষুধ নিয়ে হাসপাতালগুলোর চাহিদা মেটানো হয়। চলতি অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ওষুধ সেপ্টেম্বরে সরবরাহ করা হলেও গত ৪ মাস ধরে সরবরাহ না থাকায় জেলার সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে আসা রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া রুটিন বরাদ্দের ওষুধ এখনও সরবরাহ না হওয়ায় অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য চাহিদা দেয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে কলেরা স্যালাইন ও জীবনরক্ষাকারী এন্টিবায়োটিকের সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী ২০১৫

২৯/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: