মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ছায়ানটের ওয়াহিদুল হক স্মরণানুষ্ঠান আজ

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী ২০১৫
ছায়ানটের ওয়াহিদুল হক  স্মরণানুষ্ঠান আজ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ লেখক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সঙ্গীতজ্ঞ ওয়াহিদুল হকের নবম প্রয়াণবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। তিনি ২০০৭ সালের এই দিনে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ উপলক্ষে ছায়ানট এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে আজ সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলক গান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘পথ ও পথিক’ শিরোনামে একক ও সম্মেলক গান, আবৃত্তি ও পাঠ। ওয়াহিদুল হক স্মারক বক্তৃতা করবেন মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু। ওয়াহিদুল হক ১৯৩৩ সালের ১৬ মার্চ ঢাকা জেলার ভাওয়াল মনহরদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পেশা ছিল সাংবাদিকতা। শেষ জীবনে ‘অভয় বাজে হৃদয় মাঝে’ ও ‘এখনও গলে না আঁধার’ শিরোনামে নিয়মিত কলাম লিখেছেন দৈনিক জনকণ্ঠ ও দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায়। পেশায় সাংবাদিক হলেও তাঁর আসল কর্মক্ষেত্র ছিল সংস্কৃতি অঙ্গন। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীতজ্ঞ ও বাঙালী সংস্কৃতির একনিষ্ঠ প্রচারক। ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ‘ছায়ানট’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ১৯৯৯ থেকে আমৃত্যু সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ছিলেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের কার্যকরী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সহ-সভাপতি এবং ১৯৯৯ সাল থেকে আমৃত্যু সভাপতি। তিনি আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠশীলন’ ও শিশু আবৃত্তি সংগঠন ‘শিশুতীর্থ’র প্রতিষ্ঠাতাসহ অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁকে সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮ সালে (মরণোত্তর) একুশে পদক প্রদান করা হয়। তিনি ২০০০ সালে বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশীপ পান। সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রাখায় তাঁকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১০’ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী ২০১৫

২৭/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: