কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অদ্ভুত দাঁড়কাক ॥ জীবনবাদী লেখক রোদ্রিগো রে রোসা

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী ২০১৫
  • আরিফুর সবুজ

গুয়েতমালার ইতিহাস দ্বন্দ্বের ইতিহাস। যুদ্ধ আর রক্তের ইতিহাস। সংগ্রাম আর বিজয়ের ইতিহাস। এখানে মায়া সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস গৌণ হয়ে পড়েছে সংঘাত-সংঘর্ষ-যুদ্ধ-সংগ্রাম আর রক্তের ইতিহাসের চোরাবালিতে। এখানকার মানুষকে টিকে থাকতে হয়েছে সংগ্রাম করে। লড়াই করতে হয়েছে অস্ত্র হাতে। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে রক্ত ঝরেছে নিরীহ সাধারণের। ক্ষমতালিপ্সুদের দাপটে আর ষড়যন্ত্রে বার বার দেশটির আকাশের নীল রং লাল হয়ে গেছে, লাল হয়েছে সবুজ বনানী। রক্তে লাল হয়ে ওঠার সেই দৃশ্যপট ভাবিত করেছে লাতিন সাহিত্যাকাশের উজ্জ্বল লুব্ধক রোদ্রিগো রে রোসাকে। আতঙ্কিত করেছে, এবং তাড়িতও। সেই তাড়নায় তিনি গুয়েতেমালাকে উপজীব্য করে, বিশেষ করে দেশটির দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় রাজনীতি এবং এর মানুষের অনিশ্চিত আতঙ্কিত জীবনকে কেন্দ্র করে একের পর এক অসাধারণ সাহিত্য রচনা করেছেন এবং করে চলছেন।

বর্তমান গুয়েতেমালার সাহিত্য জগতে সবচেয়ে উচ্চারিত নাম রোদ্রিগো রে রোসা। জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছেন নিজ সাহিত্য রচনার গুণে। তিনি কল্পরাজ্যে বিচরণ করেননি। বাস্তবের পথে হেঁটে হেঁটে কুড়িয়েছেন অভিজ্ঞতার নুড়ি। নুড়ি বিছিয়ে তৈরি করেছেন সাহিত্যের রাজপথ। রোদ্রিগোকে তাই আখ্যা দেয়া হয় বাস্তববাদী লেখক হিসেবে। তিনি তাঁর লেখায় তুলে এনেছেন গুয়েতেমালার রক্তাক্ত ইতিহাস। বলেছেন মানুষের প্রাত্যহিক সংগ্রামের কথা। খুঁজে ফিরেছেন ছায়াকে। এই ছায়া অপরাধীর ছায়া। উদ্ঘাটন করেছেন অপরাধের অন্তরালের রহস্যে। রহস্যর অন্তরালের রহস্য। অনেকটা লোমর্হষক, অনেকটা থ্রিলারধর্মী, তবে থ্রিলার নয়। অনেকটা গোয়েন্দা গল্পধর্মী হলেও পুরোপুরি তাও নয়। তাঁর গল্পের নায়করা হিরোইজমে ভোগে না। অসম্ভবকে সম্ভব করে না। নায়করা সম্ভবকেই সম্ভব করে। অসম্ভব নিয়ে মাথা ঘামায় না। অতি বাস্তব পৃথিবীর অধিবাসী তারা। এজন্যই পাঠক রোদ্রিগোর বইতে খুঁজে পায় নিজ জীবনের প্রতিচ্ছবি।

রোদ্রিগো রে রোসা অভিজাত পরিবারের সন্তান। কিন্তু আভিজাত্য তাঁকে ছোয়নি। ছুঁয়েছে হতদরিদ্র গুয়েতেমালাবাসীর জীবন আর জীবনের গল্প। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে মানুষের হাহাকার, কান্নার রোল, আর্তচিৎকার তাঁর হৃদয়কে বিদীর্ণ করেছে। মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি তাঁর কাছে জীবনকে অর্থবহ করে তুলেছে। তাই তো তাঁর লেখায় জীবন-মৃত্যুর খেলার সঙ্গে সঙ্গে সুন্দর জীবনের প্রতিচ্ছবিও দেখা যায়। এ কারণে তাঁকে বলা যায় জীবনবাদী দার্শনিকও। খ্যাতিমান এই সাহিত্যিক ১৯৫৮ সালে গুয়েতেমালার ধনাঢ্য শিল্প কারখানার মালিকের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। ওই সময়টাতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দেশে আমেরিকার তাঁবেদার সরকার আর বামপন্থীদের মধ্যে গৃহযুদ্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। তাঁর বয়স যখন মাত্র দুই বছর, সে সময়টাতে শুরু হয়ে যায় ছত্রিশ বছরব্যাপী ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ। তাই রোসার শৈশব কেটেছে গুলি আর বোমার শব্দ আর মৃত্যুর যন্ত্রণা শুনে, রক্তের নহর দেখে দেখে। বীভৎসতা তিনি দেখেছেন, শুনেছেন আর্তি। সেই দেখা আর শোনায় অনুরণিত হয়েছে বার বার তাঁর পরবর্তী সাহিত্যকর্ম।

শৈশব থেকেই রোদ্রিগোর লেখাপড়ার প্রতি ছিল গভীর আগ্রহ। তখনি জেগে উঠেছিল সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ। সেসঙ্গে ছিল ঘোরা-ফেরার প্রতি আগ্রহ। বাবা-মায়ের সঙ্গে শৈশবে মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ পরিভ্রমণ করেন তিনি। আঠারো বছর বয়সে স্কুলের লেখাপড়া শেষ করার পর প্রথমবারের মতো একা ইউরোপ ভ্রমণে বের হন রোদ্রিগো। প্রথমে লন্ডনে যান, এরপর জার্মানি ও স্পেন সফর করেন তিনি। এই ভ্রমণ তাঁকে গুয়েতেমালার বাইরের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। তিনি বুঝতে পারেন গুয়েতেমালাবাসীর সঙ্গে ইউরোপবাসীর জীবনধারার তফাৎ। সেই সময় থেকেই নিজের ভেতর থেকে লেখালেখির তাগিদ অনুভব করতে থাকেন। তিনি যেতে চেয়েছিলেন মরক্কো। কিন্তু অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ায় এক বছরের দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ঘরের ছেলে ফিরে যান ঘরে। কিন্তু সেই ঘরে থাকা হলো না বেশিদিন। গৃহযুদ্ধ প্রকট আকার ধারণ করলে উদ্বিগ্ন বাবা-মা তাঁকে পাঠিয়ে দেন নিউইয়র্কে।

নিউইয়র্কে তিনি উঠেন পূর্ব পরিচিত এক ফটোগ্রাফার বন্ধুর কাছে। সেই বন্ধুর কাছে ছিল পল বাওয়েলসের বইয়ের সমগ্র। সেই বইগুলো সাহিত্যের দিকে আরও বেশি করে আগ্রহী করে তোলে রোদ্রিগোকে। নিউইয়র্কে চলচ্চিত্রের স্কুলে ভর্তি হয়েছিলে তিনি। চলচ্চিত্রের প্রতি ঝোঁকই এই স্কুলে পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেছিল তাঁকে। তবে সেই সঙ্গে ছিল নিউইয়র্কে বৈধভাবে থাকার উদ্দেশ্য। স্কুলে ভর্তি হওয়ার শর্ত ছিল মরক্কোতে বিখ্যাত লেখক পল বাওয়েলসের সামার রাইটিং কোর্স সম্পন্ন করা। এর জন্য একটি গল্প জমা দিতে হয়েছিল তাঁকে। সেই গল্প মনোনীত হওয়ায় তিনি চলচ্চিত্রের স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগের সঙ্গে সঙ্গে পান পল বাওয়েলেসের সান্নিধ্য। মরক্কোতে অবস্থানকালে তাঁর মাঝে সৃষ্টি হয় সাহিত্যচর্চার প্রেরণা।

পল বাওয়েলেস তাঁকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন লেখালেখির। ইংরেজীতে লেখার চিন্তা করেছিলেন রোদ্রিগো। কিন্তু বাওয়েলস তাঁকে উৎসাহ দেন মাতৃভাষা স্প্যানিশে লেখালেখির প্রতি। সেই উৎসাহে রোদ্রিগো মাতৃ ভাষাতেই শুরু করেন লেখালেখি। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্পের বই ‘দ্য বেগার’স নাইফ’। সেই থেকে অদ্যাবধি লেখালেখি চলছে। তাঁর বইগুলো বিশ্বের অনুদিত হয়েছে সাতটি ভাষায়। তবে চারটি বই অনুদিত হয়েছে ইংরেজীতে। আর তা অনুবাদ করেছেন তাঁর সাহিত্যগুরু পল বাওয়েলস।

রোদ্রিগো রে রোসার সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো দ্য বেগার’স নাইফ (১৯৮৬), ডাস্ট অন হার টাং (১৯৮৯), দ্য পেলকারি প্রোজেক্ট (১৯৯১), প্রিজন ট্রি (১৯৯২), দ্য সেভিয়র অব শিপস (১৯৯৩), হোয়াট ড্রিমড সেবাসতিয়ান (১৯৯৪), উইথ ফাইভ ডেকস (১৯৯৬), দ্য গুড ক্রিপল (১৯৯৬), দ্যাট কিলড মি ইফ (১৯৯৭), নো সেকরেড প্লেস (১৯৯৮), দি আফ্রিকান শোর (১৯৯৯), এনচেন্টেড স্টোনস (২০০১), দ্য ট্রেন টু ট্রাভ্যানকোর (২০০১), স্ট্যাবল (২০০৬), এনাথার ঝু (২০০৭), অলওয়েজ টুগেদার এ্যান্ড আদার স্টোরিজ (২০০৮), দ্য হিউম্যান ম্যাটেরিয়াল (২০০৯), সেভেরিনা (২০১১), ডিফ (২০১২), ইমিটেশন অব গুয়েতেমালা (২০১৪) এবং দ্য টেইল অব দ্য ড্রাগন (২০১৪)। রোসা তাঁর সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল অস্টিরুয়াস ন্যাশনাল পুরস্কারসহ আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেন।

দ্য বেগার’স নাইফ তাঁর ছোট গল্পের সমাহার। এই বইয়ের বিখ্যাত গল্প দ্য পাথ ডাবলস। বইটির মধ্য দিয়েই রোদ্রিগো চিনিয়েছেন তাঁর জাত। মৃত্যু, দ্বন্দ্ব,সংর্ঘষ-সংগ্রাম আর সামাজিক বৈষম্য এবং হুমকি ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দগুচ্ছ যে গুয়েতেমালাবাসীর জীবন আখ্যায় অতিশয় প্রযোজ্য তা এই ছোটগল্পের বইয়ের মধ্যে দিয়ে পাঠককে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। জাদুকরী কৌশলের মাধ্যেমে গল্পের কাহিনীগুলোকে পাঠকের কাছে জীবন্ত করে তুলেছেন তিনি। ‘ডাস্ট অন হার টাঙ’ বইটিও ছোট গল্পের এক সমাহার। এতে স্টিল ওয়াটার, কোরালিয়া, দ্য পাগানের মতো চমৎকার গল্প স্থান পেয়েছে। এই বইয়ের গল্পগুলোতে গুয়েতেমালার বিভিন্ন সংঘর্ষের বিভিন্ন খ-চিত্র স্থান পেয়েছে। রূপকভাবে অনেক সংঘর্ষ-সংঘাতকে এই বইতে উপস্থাপন করেছেন তিনি। ‘নো সেকরেড প্লেস’ ছোটগল্পের আরেকটি বই। এই বইটিতে শেফ, পোকো লোকে, বিজনেস ফর মিলিনিয়াম, কো-ইনসিডেন্স ইত্যাদি জনপ্রিয় গল্প আছে। এই বইটির বিশেষত্ব হলো-এই প্রথম কোন বই যেখানে রোদ্রিগো গুয়েতেমালা ছাড়া বাইরের বিশ্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন। বইটিতে তিনি স্থান দিয়েছেন নিউইয়র্কের মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের গল্পকে।

‘দ্য পেলকারি প্রোজেক্ট’ বইটি উপন্যাসিকা। এই বইটিতে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অসচেতনতাকে শৈল্পিকভাবে তিনি উপস্থাপন করেছেন। গৃহযুদ্ধের সময়কালে দেশটির সাধারণ মানুষকে যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তাদের ওপর যে দমন-নিপীড়ন করা হয়, তাই এই বইটির মূল উপজীব্য। তাঁর ‘দ্য সেভিয়র অব শিপস’ বইটি সায়েন্স ফিকশন ও গৃহযুদ্ধের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এক উপন্যাস। বইটির প্রধান চরিত্র এ্যাডমিরাল ওরডোনিজের বিরুদ্ধে যে গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, তার মধ্যে দিয়ে গৃহযুদ্ধের শেষ দিনগুলোকে রূপকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধধর্মী বই ‘দ্য টেইল অব দ্য ড্রাগন’। এই বইটিতে স্থান পেয়েছে ষোলটি প্রবন্ধ, যেগুলোতে অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

‘হোয়াট ড্রিমড সেবাসতিয়ান’ বইটি রোদ্রিগোর উপন্যাসিকা। বইয়ের নায়ক সেবাসতিয়ান রক্ষা করতে চেয়েছিলেন পেতেন জঙ্গলের প্রতœতাত্ত্বিক স্থান পুনতা ক্যারাকলকেকে। আর সেই চাওয়া, সেই স্বপ্নপূরণ করতে গিয়ে সেবাসতিয়ান মুখোমুখি হন ভয়ঙ্কর শত্রুদের, যারা পাশবিক নিষ্ঠুরতায় সিদ্ধহস্ত। তবু দমে যায় না সে। এগিয়ে যায় স্বপ্নপূরণের পথে। এই বইয়ের কাহিনী অনেকটা থ্রিলারধর্মী। তাঁর ‘দ্য গুড ক্রিপল’ বইটিতে নব্বইয়ের দশকে গুয়েতমালার অপহরণ বিষয়ক গুরুতর সামাজিক সমস্যাকে তুলে ধরা হয়। এটি অনেকটা গোয়েন্দাধর্মী বই। ‘দ্যাট কিলড মি ইফ’ এই উপন্যাসিকাটিকে জটিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই বইটিতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যেমন উপস্থাপন করা হয়েছে তেমনি ক্ষমতাসীনরা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়, উপস্থাপন করা হয়েছে তাও। তবে বইটিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে যুদ্ধ পরবর্তী মানুষের অনিশ্চিত জীবনশঙ্কা। তাঁর ‘আফ্রিকান শোর’ বইটিতে পাশ্চাত্য দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তিনি। টুরিস্ট ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে যে বৈচিত্র্যপূর্ণ আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয় সেই বিষয়টি এখানে উঠে আসে। ‘সেভেরিনা’ বইটিতে রোদ্রিগো বই বিক্রেতা ও বই চোরের মাঝে যে প্রেমময় সম্পর্ক গড়ে ওঠে তা দেখিয়েছেন। দ্য ট্রেন টু ট্রাভ্যানকোর বইটি তাঁর ভারত ভ্রমণকে কেন্দ্র করে রচনা করেছেন। ‘দ্য হিউম্যান মেটেরিয়াল’ বইটি ঐতিহাসিক বই। এতে গুয়েতেমালার গৃহযুদ্ধ আর রক্তাক্ত দমন-নিপীড়নের ইতিহাসকে নিয়ে এসেছেন তিনি। ‘ডিফ’ বইটিতে তিনি অপহরণ বিষয়টিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, তাঁর মাকে অপহরণ করা হয়েছিল। মোটা অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হলেও নির্যাতন চালানো হয়েছিল মায়ের ওপর। তাই এই বিষয়টি তাঁর অনেক লেখাতেই উঠে এসেছে বার বার।

গুয়েতেমালার জনপ্রিয় সাহিত্যিক রোদ্রিগো এখন নিউইয়র্ক ছেড়ে গৃহযুদ্ধ পরবর্তীকালে আবার গুয়েতেমালায় ফিরে যান। এখনও বসবাস করছেন সেখানে। এবং লিখে চলছেন অনবরত। এখন তিনি যুদ্ধ নিয়ে লেখেন না। তবে বিদ্যমান দারিদ্র্য, দুর্নীতি, অসাম্য, নৈতিকতার অবক্ষয় ইত্যাদি বিষয়কে পুঁজি করে লিখে চলছেন তিনি আজও।

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী ২০১৫

২৩/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: