মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মেধাবীদের পরামর্শ

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী ২০১৫
  • সৃজনশীল প্রশ্নে গুরুত্ব দাও

বন্ধুরা, তোমরা যারা এ বছর এস এস সি পরীক্ষা দিচ্ছ তারা নিশ্চয়ই গভীরভাবে মনোযোগের সাথে পড়াশোনা করছ। ভালো ফলাফল বেশি পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু কৌশলের উপরও নির্ভর করে। এক্ষেত্রে প্রধান কৌশল হচ্ছে প্রতিটি বিষয়ে সমান গুরুত্ব দেয়া। প্রস্তুতির শেষ মুর্হুতে অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরছি কিছু বিষয়।

বাংলা : বাংলা প্রথম পত্রে অ+ পেতে হলে সর্বাগ্রে টেক্সট বই ভাল করে বুঝে পড়তে হবে। টেক্সট বইয়ের প্রতিটি গদ্য ও কবিতার লেখক বা কবির পরিচিতিসহ বইয়ের সকল লাইন ধরে শব্দ বুঝে পড়তে হবে। লেখক কবির জন্ম সাল, তাদের লিখিত উপন্যাস, কবিতা, কাব্যগ্রন্থ, নাটক ইত্যাদি সকল কিছু জানতে হবে এবং প্যারা করে প্রশ্নের উত্তর লিখার সময় (জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা) অনুসরণ করে লিখতে হবে। বাংলা ২য় পত্রের ক্ষেত্রে ব্যাকরণ ভালভাবে বুঝতে হবে এবং চিঠি বা দরখাস্ত লেখার সময় যে নিয়ম আছে সেই নিয়ম অনুযায়ী লিখতে হবে। আর রচনা লেখার ক্ষেত্রে মূল কথার দিকে লক্ষ্য রেখে লিখতে হবে।

ইংরেজী : ইংরেজী ১ম পত্রে অ+ পেতে হলে মেইন বই পড়তে হবে তাছাড়া মেইন বই পড়ে সেই Passage¸‡jvi choose the correct answer, following question, summary, fill in the blanks ইত্যাদি সকল কিছু পড়তে হবে। এবং ঝঃড়ৎু লিখার সময় ঝঃড়ৎু এর মূল কথা তুলে ধরতে হবে।

ইংরেজী ২য় পত্রের ক্ষেত্রে এৎধসসধৎ-এর দিকে বেশি জোর দিতে হবে। এৎধসসধৎ-এর সকল ৎঁষবং অনুযায়ী ভালভাবে শিখতে হবে যাতে সহজে এৎধসসধৎ পারা যাবে। পাঠ্যবই পড়ে এই সকল কিছু ভালভাবে জানা যাবে।

সাধারণ গণিত : গণিতে অ+ পেতে হলে প্রত্যেকটি অঙ্ক কয়েকভাবে করতে হবে। উদ্দীপক দেখা অঙ্ক যাচাই করে সার্থকতা নিরূপণ করে উত্তর দিতে হবে।

্রপ্রোগামিং, ওয়ার্কশিট, এক্সেল এই সকল কিছু কাজ জানলে ভাল নাম্বার পেতে সহজ হবে। উদ্দীপক পড়ে প্রশ্নের উত্তর যাচাই করে যুক্তিসহ লিখতে হবে। বহুনির্বাচনী প্রশ্নের ক্ষেত্রে সাধারণ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বহুপদি সমাপ্তিসূচক প্রশ্ন অভিন্ন তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন তা বুঝে উত্তর দিতে হবে। এজন্য পাঠ্যবই পাঠ করা অতি প্রয়োজন। তাছাড়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় ও মানবণ্টন লক্ষ্য রাখতে হবে।

এই মুহূর্তে তোমাকে বিগত বছরে আসা প্রশ্নগুলো বার বার পড়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। বিশেষ করে গাণিতিক বিষয় যেমন বিজ্ঞানের পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, গণিত ব্যবসায় শিক্ষা শাখার হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং গণিত কম্পিউটার, সাধারণ বিজ্ঞান তেমনি মানবিক শাখার জন্য গুরুত্বভেদে পড়তে হবে। ইংরেজী বিষয়টি ভয়ের কিছু মনে করা যাবে না। পাঠ্যবই আর গ্রামারের দিকে একটু বেশি নজর দিতে হবে।

হাতের লেখার গতি বৃদ্ধি করা জরুরী। সময়কে ম্যানেজ করতে হবে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে। যেসব প্রশ্নের উত্তর কম সময়ে লিখে বেশি নাম্বার তোলা যায় সেগুলো উত্তর দিতে হবে। চিত্র স্মারণি আর অঙ্কের সমাধান স্পষ্ট হওয়া চাই।

হিসাববিজ্ঞান ও ফিন্যান্সকে ভয় পাবার কিছু নেই। বার বার নজর রাখ যে কোন বিষয়গুলো তোমার অঙ্কের উত্তর ভুল করাচ্ছে। বার বার এগুলো প্র্যাকটিস কর সব কনফিউশন দূর হয়ে যাবে।

নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নে ভাল করতে পাঠ্য বইয়ের কোন বিকল্প নেই। বার বার পাঠ্যবইয়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো পড়তে হবে। এক্ষেত্রে বিগত বছরের প্রশ্ন এবং বিভিন্ন স্কুলের টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন সলভ করা যেতে পারে। সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্দীপক ভালভাবে পড়ে তারপর উত্তর করতে হবে। উত্তর যথাযথ লিখতে হবে। অযথা লিখে সময় নষ্ট করার দরকার নেই।

য় সায়মা নাঈম

জিপিএ-৫, এসএসসি পরীক্ষা-২০১৪

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী ২০১৫

২২/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: