রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

পঞ্চম শ্রেণির পড়াশোনা

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রধান দুটি অর্থকরি কৃষি দ্রব্যের বর্ণনা দাও।

উত্তর : বাংলাদেশ কৃষি প্রধান একটি দেশ। এদেশের জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এদেশের রপ্তানি আয়ের ১টি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে কৃষি পণ্য থেকে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জাতীয় আয়ের ২০% অবদান হলো কৃষির। কৃষিজ দ্রব্যের যে সকল দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করে অর্থ-অর্জন করা যায় তাই অর্থকরি ফসল। বাংলাদেশের দুটি প্রধান অর্থকরি ফসল হলো : পাট ও চা। নিম্নে এদের বর্ণনা দেয়া হল :

পাট : পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরি কৃষিদ্রব্য। পৃথিবীতে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপন্ন হয়। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এজন্য পাটকে ‘সোনালী আঁশ’ বলা হয়। বাংলাশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এদেশের সব এলাকায় পাট চাষ হয়। তবে বৃহত্তর ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পাবনা, কুষ্টিয়া যশোর ও খুলনা জেলায় বেশি পাট উৎপন্ন হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপন্ন হয়। এদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সাথে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের উপর নির্ভরশীল।

চা : পাটের মতো চাও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জলবায়ু চা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ অঞ্চলের জেলাগুলোতে বেশি চা উৎপন্ন হয়, এগুলোর মধ্যে সিলেট চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে বর্তমানে দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলাতেও চা চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো চা বাগান রয়েছে। প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়। এদেশের চাহিদা পূরণ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান উল্লেখ করে।

উত্তর : প্রতিটি দেশের অর্থনীতিতে শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে (২০১১-১২) অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মোট জাতীয় আয়ে এ শিল্পের অবদান প্রায় ৩০% বাংলাদেশের শিল্প ব্যবস্থা এখনও অনেকটা দুর্বল তবে ক্রমে তা প্রসার লাভ করছে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। শিল্প ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। রপ্তানি পরিমাণ বাড়াতে এবং আমদানির পরিমাণ কমাতে হবে। তাহলেই দেশ দ্রুত উন্নতি লাভ করবে।

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

১৮/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: