মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অবরোধে পাবনার তাঁতিদের মধ্যে হাহাকার

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫
  • ৭ ভাগ তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে

কৃষ্ণ ভৌমিক, পাবনা থেকে ॥ জেলার তাঁতিদের মধ্যে হাহাকার চলছে। টানা অবরোধের কবলে তাঁতিরা উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছে না। বিক্রি না হওয়ায় কাঁচামাল কেনাসহ শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধও করা যাচ্ছে না। তাই জেলায় প্রতিদিনই তাঁত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই জেলার ৭০ ভাগ তাঁত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এ অচলাবস্থায় তাঁতশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক লোক বেকার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। জেলার নতুনপাড়া, দোগাছি, কুলুনিয়া, চাঁচকিয়া গোপালপুর, শিবপুর, আতাইকুলা, কুড়িপাড়া, আমিনপুর, মাধপুর, বেড়া ও সাঁথিয়ায় লক্ষাধিক পাওয়ার লুম গড়ে উঠেছে। এ পাওয়ার লুমে লুঙ্গি, শাড়ি, গামছা উৎপাদন করে তাঁতিরা সারাদেশের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রেখে আসছে। এসব এলাকার উৎপাদিত তাঁতপণ্য উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ পাইকারি কাপড়ের হাট আতাইকুলা ও শাহজাদপুরে বিক্রি করা হয়। আতাইকুলা পাইকারি হাট শুক্রবার কেনাবেচা শুরু হয়ে রবিবার শেষ হয়। ঢাকা, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, ঠাকুরগাঁ, দিনাজপুর, পঞ্চগড় থেকে পাইকারি মহাজনরা আতাইকুলা হাটে এসে পাবনার তাঁতিদের লুঙ্গি, কাপড় ক্রয় করে থাকে। টানা অবরোধের কারণে পাইকারি ক্রেতারা আতাইকুলা হাটে আসছেন না। শাহজাদপুর পাইকারি হাটেও কেনাবেচা বন্ধ রয়েছে। তাই জেলার তাঁতিরা উৎপাদিত পণ্য নিয়ে পড়েছে বিপাকে। তাঁতপণ্য বিক্রি না হওয়ায় তারা রং, সুতা যেমন কিনতে পারছেন না তেমনি শ্রমিকের মজুরিও পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে তাঁত মালিকরা তাঁত বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। চাঁচকিয়ার বৃহৎ লুঙ্গি উৎপাদনকারী তাঁত মালিক আলহাজ মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, অবরোধের কারণে কারখানায় উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ লুঙ্গি অবিক্রীত থাকায় তিনি শ্রমিকের মজুরি দিতে পারছেন না। তাই উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে শিবপুর গ্রামের তাঁতি সমবায় সমিতির পরিচালক ডা. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, অবরোধের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রান্তিক তাঁতিরা। এসব তাঁতিরা শাড়ি, লুঙ্গি বিক্রি করতে না পারায় পুঁজি হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

ফরিদপুরের একই পরিবারের ৯ সদস্য অসুস্থ

ভাপা পিঠায় বিষক্রিয়া

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ১৭ জানুয়ারি ॥ জেলায় ভাপা পিঠা খেয়ে বিষক্রিয়ায় বাবা, মা, ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনিসহ এক পরিবারের নয়জন অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে নগরকান্দা পৌর এলাকার গাঙজগদিয়া মহল্লায়। বর্তমানে যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তারা হলেন, ওই গ্রামের মজিবর শেখ (৭০), তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৫৫), ছেলে আনোয়ার শেখ (৩০), আরেক ছেলে বক্কার শেখের স্ত্রী ময়না বেগম (৩০), নাতি আলমাস শেখ (২৭) ও নাতনি বৃষ্টি (৭)। যারা চিকিৎসায় ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন তারা হলেন, মজিবরের ছেলে বক্কার শেখ (৩৫), ছেলে আনোয়ারের স্ত্রী মিনারা বেগম (২৭) ও নাতি মিকাইল শেখ (৪) (আনোয়ারের ছেলে)।

মজিবর শেখ জানান, বাড়িতে নতুন খেজুরের গুড় দিয়ে ভাপা পিঠা বানানো হয়। সে পিঠা খেয়ে পরিবারের সকলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থতার ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রথমে বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা ও সবশেষে জ্বর। মজিবর শেখ অভিযোগ করেন, শত্রুতামূলকভাবে আমাদের ক্ষতি করার জন্য কে বা কারা খাদ্যে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে দেয়ায় এ ঘটনা ঘটেতে পারে।

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

১৮/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: