মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫
  • এমফিল কোর্সে ভর্তি

উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য এমফিল কোর্স সম্পন্ন করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু এমফিল কোর্সে ভর্তির জন্য ‘কোন তৃতীয় শ্রেণী গ্রহণযোগ্য নহে’ শর্তটি থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী এক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছে। এই শর্তটি শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। বেসরকারী স্কুল ও কলেজে নিবন্ধন পরীক্ষার ক্ষেত্রে ‘কোন তৃতীয় শ্রেণী গ্রহণযোগ্য নহে’ শর্তটি প্রথমে থাকলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কর্তৃপক্ষ শর্তটি শিথিল করে একটি তৃতীয় শ্রেণীকে গ্রহণযোগ্য করলে দেশের অগণিত শিক্ষার্থী বর্তমানে ওই নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কল্যাণে নিয়োজিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তদ্রƒপ এমফিল কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে সর্বশেষ পরীক্ষা অর্থাৎ মাস্টার্স পরীক্ষা ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে অন্তত একটি তৃতীয় বিভাগ শিথিল করলে দেশের অনেক শিক্ষার্থী এ কাজে নিয়োজিত হয়ে দেশের জন্য বিশেষ অবদান রাখার সুযোগ পাবে।

শরীফ হোসেন আলী (এমএসসি)

কালিয়া, নড়াইল।

ভিসার দালালচক্র

অনলাইনে ভারতীয় ভিসার আবেদন পূরণ করে সাধারণ কেউই সাক্ষাতকারের জন্যইÑ টোকেন আর পান না। এ অবস্থা চলছে গত দেড় বছর ধরে। ভুক্তভোগীদের একটাই কথা, দালালদের টাকা দিলে তারা খুব সহজেই ই-টোকেন পেয়ে যান। সাধারণ কেউ ঢুকতে গেলে বার বার ‘সার্ভার ব্যস্ত’ লেখা ওঠে। এদিকে অনলাইনে ই-টোকেন নিয়ন্ত্রণের রহস্য উদঘাটনে হিমশিমও খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এ নিয়ে যার সঙ্গে কথা বলি তিনিই জানান, ঢাকার গুলশান-১ নম্বরে ভারতীয় ভিসার দালালদের দোকানে যান। ওই দালালদের পাবেন ডিসিসি মার্কেটের উল্টোদিকেÑ দেখবেন কয়েক ডজন দালালের দোকান আছে। সেখানে দালালকে তিন হাজার টাকা দেয়ার পর তিনি অনলাইনে ফরম পূরণ করে ই-টোকেন পাইয়ে দেবেন। প্রকাশ, ‘একটি চক্র অত্যাধুনিক সফটওয়্যার তৈরি করেছে, যেজন্য ভারতীয় হাইকমিশনের অনলাইনে প্রবেশ করলে আর কেউ সেখানে ঢুকতে পারে না। এ চক্রটি বাংলাদেশ থেকেই এ সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। তবে এখনও তাদের শনাক্ত করা যায়নি। পাশাপাশি এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাও পাওয়া যায়নি। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে সিআইডির তরফ থেকে’। এ থেকে প্রমাণ হয়, এই চক্র কত বড় শক্তিশালী। এ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে ভারতীয় ভিসার জন্য ইন্টারনেট থেকে ই-টোকেন সংগ্রহ যেন প্রতারক চক্রের আরেক প্রযুক্তির ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে কয়েকজন ভুক্তভোগী দু’চোখের জল ফেলে বললেন, গত দেড় বছর ধরে দালালচক্র ভারতীয় ভিসার ই-টোকেন দেয়ার জন্য সাধারণের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে এবং এখনও এই দালাল তথা প্রতারক চক্র ভারতীয় ভিসার ই-টোকেন পাঠিয়ে দেয়ার জন্য অর্থকড়ি লুটে-পুটে নিচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ ওই প্রতারক চক্র তথা দালালদের ধরুন এবং ওদেরকে কঠোর শাস্তি দিন।

লিয়াকত হোসেন খোকন

ঢাকা।

বেতারের বাকশিল্পীদের মূল্যায়ন

সরকারের আয়ের অন্যতম একটি প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ বেতারের ‘বাণিজ্যিক কার্যক্রম’। এতে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা রয়েছে। ১০-১৫ মিনিটের বিভিন্ন অনুষ্ঠানও প্রচারিত হয়ে থাকে। থাকে পত্রের মাধ্যমে শ্রোতাদের অংশগ্রহণও। এমনি একটি ভিন্ন মানের বিজ্ঞাপন অনুষ্ঠান,Ñ ‘একটি সংসারের গল্প’ এর আসর। যার উপস্থাপনায় থাকেন একাত্তরের শব্দসৈনিক নাজমুল হুসাইন। পত্রিকার মাধ্যমেই জানা যায়, বাংলাদেশ বেতারের বিভিন্ন পণ্যের প্রচারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সৌজন্যে অনুষ্ঠান ১৯৭৮ সালে ‘শনিবারের সুর’ তিনিই প্রথমে চালু করেছেন। সে অনুষ্ঠানের সূত্র ধরেই বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। আমার কথা হলো, রেডিও সিলোনের বিজ্ঞাপন উপস্থাপক আমিন সাহনীকে যদি ২০০৯ সালে ভারতের জাতীয় পুরস্কার ‘পদ্মশ্রী’ প্রদান করা যায়, তাহলে বাংলাদেশ বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিভিন্ন পাণ্যের বিজ্ঞাপনের কণ্ঠ দান ও বিশেষ অনুষ্ঠান উপস্থাপনার জন্য ‘বিজ্ঞাপন উপস্থাপক‘ বা ‘বাকশিল্পী’ কেন কোন পুরস্কারে ভূষিত করা হবে না? প্রচারের প্রাচীনতম মাধ্যম ‘বাংলাদেশ বেতার’ এর গৌরব ফিরিয়ে আনতে পুরস্কার প্রদান প্রথা চালু করা হলে ‘বিজ্ঞাপন উপস্থাপক’ বা বাকশিল্পী’গণ উৎসাহিত হবেন এবং সরকারের সুনাম বৃদ্ধি হবে।

গৌরমোহন দাস

অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ।

প্রত্যাবর্তন ও পাসপোর্ট

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিহানাদার বাহিনী ও কার সহযোগীদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামের এক নতুন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ২০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে ও দুই লাখ নরীর সম্ভ্রম হারানোর মধ্য দিয়ে আমাদের এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। পাকিস্তানের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে যিনি মুক্তি সংগ্রামের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলেন এবং ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে যে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি আমাদের জাতির পিতা বন্ধবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানীদের বর্বর হামলার পর সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু তার আগেই এক লিখিত বার্তায় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান। সেই ঘোষণা চট্টগ্রাম বেতার থেকে প্রচার করা হয়। ততক্ষণে মুক্তিযুদ্ধের জন্য জাতি প্রস্তুতি নিয়েছে। জয়বাংলা সেøাগানের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হয়। বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার বিষয়টি ব্যাপক আলোচিত হতে থাকে। তখন বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধু এক অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু লন্ডন হয়ে দেশে ফেরার কথা জানান। লন্ডন বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধু যখন বিমান থেকে নামেন তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নিজের প্রাইভেটকারের পাশে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানান এবং গাড়ির একটি দরজা খুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকে গাড়িতে উঠতে সাহায্য করেন। বঙ্গবন্ধু তখন ছিলেন এ পর্যায়ের নেতা যাকে স্বয়ং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে এসে অভ্যর্থনা জানান। এটি একটি অনন্য ঘটনা। ব্রিটেনে কিছু সময় অবস্থান করার পর তিনি ব্রিটেনের রয়েল এয়ারফোর্সের একটি বিমানে দিল্লী আসেন। পরে ভারতের একটি বিমানে তিনি বাংলাদেশ বিমানবন্দরে এসে নামেন ১০ জানুয়ারি। সেদিন বিমানবন্দর থেকে বঙ্গবন্ধুকে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) আনা হয়। সেদিন বিমানবন্দর থেকে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান ছিল লোকে লোকারণ্য। উদ্যানে লাখো জনতার উদ্দেশে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান বলেন ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালী জাতির এই ভালবাসার ঋণ শোধ করে যাব।’ স্বাধীন বাংলার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার এই দিনটিকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে আসছে।

তখন সারা পৃথিবীতে তিনি এক নামে পরিচিত। লন্ডন থেকে দিল্লী হয়ে তিনি স্বাধীন দেশে এসেছেন। তিনি জাতির পিতা। তাঁর কাছে লন্ডন বা দিল্লী কোথাও কি কেউ পাসপোর্ট চেয়েছিল? সত্যি কি সেদিন বঙ্গবন্ধুর জন্য পাসপোর্ট প্রয়োজন ছিল? তাহলে দুর্নীতির দায়ে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত অর্বাচীন এক নেতা কিভাবে বলেন যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে এসেছিলেন পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে। ইতিহাস বিকৃতকারীদের জানাই ঘৃণা ও ধিক্কার। জাতির পিতা শেখ মুজিবকে নিয়ে কটূক্তি করার অধিকার কারও নেই। জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে জাতির পিতাকে নিয়ে এ ধরনের উক্তি থেকে বিরত থাকা সবার উচিত নয় কি? বর্তমানে গণতন্ত্র রক্ষার নামে যারা বাসে পেট্রোল বোাম দিয়ে নিরিহ মানুষ হত্যা করছে, কংগ্রেসম্যানদের নামে মিথ্যা বিবৃত্তি প্রচার করে দেশকে বন্ধুহারা করছে তারা সময় থাকতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হবে এটাই প্রত্যাশ।

নাজনীন বেগম

আসাদ এভিনিউ, ঢাকা।

পদোন্নতি ও সমন্বিত নীতিমালা

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কর্মরত সরকারী চাকরিজীবীদের মধ্যে যাঁরা বিভিন্ন পেশায় কর্মরত আছেন, তাঁদের জন্য সরকার কর্তৃক সুনির্দিষ্ট নীতিমালাসহ পদোন্নতির ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু যারা গ্রন্থাগারিক পেশায় কর্মরত লাইব্রেরিয়ান পদটি কোথাও প্রথম শ্রেণীর, কোথাও দ্বিতীয় শ্রেণীর, আবার কোথাও তৃতীয় শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত। সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ক্যাটালগার পদটার অবস্থান কোথাও দ্বিতীয় শ্রেণীর, আবার কোথাও তৃতীয় শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত। সহকারী লাইব্রেরিয়ান কাম ক্যাটালগার পদটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদোন্নতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণীর, যার বেতনস্কেল ৮০০০ টাকা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মরত গ্রন্থাগার পেশাজীবীরা পদোন্নতি ও বেতনস্কেলের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

তবে সুখবর হলো প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি সহকারী লাইব্রেরিয়ান কাম ক্যাটালগার পদ সৃষ্টি করেছেন। যা এ পেশার ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য বলা যায়। কিন্তু যারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গ্রন্থাগারিক পেশায় কর্মরত তাদের অবস্থা খুবই দুর্বিষহ। অতএব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহকারী লাইব্রেরিয়ান/ ক্যাটালগার পদটিকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ও লাইব্রেরিয়ান পদটিকে প্রথম শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করাহোক। এছাড়া বিভাগীয় পদোন্নতির ব্যবস্থাসহ সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে আসন্ন পে-স্কেলে যাতে এটা বাস্তবায়ন করা হয় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আবদুল্লাহ আল হাদী

সহকারী লাইব্রেরিয়ান, মোমেনশাহী সেনানিবাস, ময়মনসিংহ

শিক্ষকদের প্রত্যাশা

আশার কথা, আগামী অর্থবছর থেকে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল কার্যকর হবে। এতে সরকারী শিক্ষকগণের প্রত্যাশার সবটুকুই হয়ত পূরণ হবে। তবে দেখবার বিষয় বেসরকারী শিক্ষকদের বাড়িভাড়া পাঁচগুণ ও চিকিৎসাভাতা দ্বিগুণ করলেও তা নিতান্তই অপ্রতুল। বিভিন্ন সিলেবাসে পাঠদানকারী বেসরকারী শিক্ষকগণ শুধু তাঁদের প্রারম্ভিক বেতনের শতভাগ সরকারীভাবে পেয়ে থাকেন। প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পদেও সবাই একই পরিমাণ বাড়িভাড়া পান। তাঁরা বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল ও উৎসব ভাতা পান না। তাঁরা পদোন্নতি, স্বেচ্ছাঅবসর, বদলি সুবিধাসহ অসংখ্য বৈষম্য-বঞ্চনার শিকার।

তাই পে-কমিশনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ‘স্বতন্ত্র বেতনস্কেল’। তা সম্ভব না হলে সরকারী-বেসরকারী ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে পে-কমিশন সব শিক্ষকের জন্য- ক. পুস্তকভাতা, খ. বিনোদনভাতা, গ. পরিবহন ও ভ্রমণভাতা, ঘ. হজ ও স্বাস্থ্যবীমা, ঙ. ইন্টারনেটভাতা, ল্যাপটপ ও অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ে ঋণসুবিধা, চ. সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বমূলক আবাসন প্রকল্প চালু করা প্রয়োজন।

আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

গাজীপুর।

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

১৮/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: