মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জঙ্গী অর্থায়ন, মুক্তিপণ আদায়

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী ২০১৫
  • বাংলাদেশ ব্যাংক ও ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ

রহিম শেখ ॥ টাকা পাঠাতে প্রেরক বা প্রাপকের কোনো তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা কোম্পানির কাছে না থাকায় দিন দিন মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণা ও জালিয়াতি বাড়ছে। জঙ্গী বা সন্ত্রাসে অর্থায়ন এমনকি মুক্তিপণ আদায় হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে। সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৩টি মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টের মাধ্যমে মুক্তিপণ বাবদ ২১ লাখ ৫২ হাজার টাকার লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্রাক ব্যাংকের বিকাশ এবং ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের এম ক্যাশের একাধিক এজেন্টের একাউন্টের মাধ্যমে এসব লেনদেন হয়েছে। এছাড়া জঙ্গী অর্থায়ন, অবৈধ লেনদেন ও বিদেশ থেকে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেও নিয়মিত টাকা আসার তথ্য মিলেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তদন্তে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে টাকা পাঠাতে প্রেরক ও প্রাপকের কোনো তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা কোম্পানির কাছে থাকে না। শুধু এজেন্টদের সংশ্লিষ্ট সিম কার্ডে টাকার পরিমাণ, প্রেরকের নাম বা প্রাপকের মোবাইল নম্বর- এ ধরনের তথ্য থাকে। এ ক্ষেত্রে কেউ ভুয়া তথ্য প্রেরণ করলেও ধরার কোনো উপায় নেই। কেননা, মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংযোগসহ একটি সিম, দুই কপি ছবি ও ছবি সম্বলিত যে কোন ধরণের পরিচয়ের মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে হিসাব খোলা হচ্ছে। একাধিক সিম ও পরিচয়পত্রের মাধ্যমে একাধিক হিসাব খুলে অর্থ আত্মসাত করছে প্রতারক ও জালিয়াত চক্র। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত কেওয়াইসি ফরম যথাযথভাবে পূরণ না করেও এজেন্ট হচ্ছেন অনেকেই। আর এটিই হচ্ছে প্রতারণার অন্যতম হাতিয়ার। নিয়ম অনুযায়ী একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ একবারে ৫ হাজার টাকা পাঠাতে পারেন। একই গ্রাহক মাসে ২৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করতে পারবেন না। কিন্তু একই গ্রাহক একাধিক এজেন্টের মাধ্যমে প্রতিদিন কী পরিমাণ অর্থ লেনদেন করছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে ধরার কোনো উপায় নেই। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এজেন্টের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে, সিম রিপ্লেস করেও প্রতারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের ২৭ নবেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মোবাইলে লেনদেনের জন্য একজন গ্রাহক সুনির্দিষ্ট একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের অধীনে একটি ব্যাংক হিসাব বা সাবসিডিয়ারি খুলতে পারবেন। একজনের একাধিক হিসাব থাকলে তা বন্ধ করে দিতে হবে। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, এজেন্টরা নিজ নামে একাধিক গ্রাহক হিসাব খুলে নিবন্ধনহীন গ্রাহকদের পক্ষে লেনদেন করছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ১১ কোটি মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর মধ্যে ৯০ লাখ সিম যথাযথ নিবন্ধিত নয়। এতে বলা হয়, ভূয়া ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে এসব সিম রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর নিলক্ষেত, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্থানে ভূয়া ছবি ব্যবহার করে ৩০-৫০ টাকায় ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করা হয়। আর সস্তায় সিম কিনে সহজেই মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খুলছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কে এম আব্দুল ওয়াদুদ জনকন্ঠকে বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা বা জালিয়াতি রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক নির্দেশনা রয়েছে। আমরা শুধু মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি।

তবে ভুয়া ও নিবন্ধন ছাড়া সিমকার্ড বিক্রি করলে মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে বিটিআরসি। একই সঙ্গে ভোটার আইডি কার্ড জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তাই আমরা সবাইকে নিয়ে এই প্রতারণা ও জালিয়াতি বন্ধে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কীভাবে সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হয়, এর কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বার্ষিক প্রতিবেদনে। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ভালো’ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানোর (পাচার) নামে অপহরণসাপেক্ষে মুক্তিপণ আদায় করছে বেশকিছু অসাধু চক্র। এ অর্থ আদায় করা হয়েছে ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। তদন্তে এ ধরনের ২৩টি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাবও শনাক্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর এ ধরনের মুক্তিপণ আদায়ে দেড় লাখ থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্রাক ব্যাংকের বিকাশ ও ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের এম ক্যাশের একাধিক এজেন্টের একাউন্টের মাধ্যমে এসব লেনদেন হয়েছে। এক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের কিছু এজেন্ট নিজের নামে বা বেনামে কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে এজেন্ট বা ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাব খুলে সেগুলোর মাধ্যমে মুক্তিপণের অর্থ লেনদেন করছে। এ ধরনের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাবে খুবই স্বল্প সময়ে ২১ লাখ ৫২ হাজার টাকার লেনদেন শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মানব পাচারের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ে মাঝেমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাঠানোও হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। আর সেখানে তাঁদের আটকে রেখে বাংলাদেশে থাকা ভুক্তভোগীদের পরিবার-পরিজনের কাছে চাওয়া হচ্ছে মুক্তিপণ। যেখানে বাংলাদেশে থাকা অসাধু চক্রের সদস্যরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাবের মাধ্যমে অর্থ আদায় করছেন। সম্প্রতি ইরানী পুলিশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া ১৩ বাংলাদেশিকে উদ্ধারও করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে থাকা এজেন্টদের মাধ্যমে দেশের গ্রাহকদের সহজে টাকা পৌঁছে দিচ্ছে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। ‘ইলেকট্রনিক হুন্ডি’ নামে এ ব্যবসা পরিচালনা করছে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ব্রাক ব্যাংকের সহযোগি প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি জনবসতি এলাকায় বাংলাদেশের একজন এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছেন। কোনো ব্যক্তি তার অর্থ দেশে পাঠাতে চাইলে ওই এজেন্ট সেই অর্থ ও কাঙ্খিত ব্যক্তির মোবাইল নম্বর নিচ্ছেন। এরপর ওই দেশের মুদ্রার মানের সমান অর্থ ও কাঙ্খিত ব্যক্তির নম্বর বাংলাদেশের এজেন্টের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন। আর এদেশে নিযুক্ত ওই মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট তার একাউন্ট থেকে সহজে কাংঙ্খিত ব্যক্তির নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এতে সহজে টাকা ওই ব্যক্তির হাতে পৌছে যাচ্ছে। দ্রুত এবং সহজে বাসায় টাকা পাঠানো যায় বলে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে ইলেকট্রনিক হুন্ডি। যার ফলে ব্যাংকিং চ্যানেল থেকে টাকা পাঠানোর চেয়ে এভাবে টাকা পাঠানোর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে প্রবাসীরা। সিঙ্গাপুর প্রবাসী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠাতে তাদের কমপক্ষে ৫ ঘন্টা সময় নষ্ট হয়। তাছাড়া যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ মিলে ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠাতে খরচ হয় ১৭ সিঙ্গাপুরী ডলারের মত। বিকাশের মাধ্যমে তাদের এ সব কোনো ঝামেলাই পড়তে হয় না। সিঙ্গাপুর থেকেই বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে প্রতি হাজারে ২০ টাকা খরচ হয় বলে জানান তারা। এ হিসাবে সিঙ্গাপুর থেকে কেউ যদি বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চায় তাহলে ব্যাংকের মাধ্যমে তার খরচ হয় সব মিলিয়ে ১৮ সিঙ্গাপুরী ডলার বা প্রায় এক হাজার ৮০ টাকা। অন্যদিকে বিকাশের মাধ্যমে কেউ যদি ৩০ হাজার টাকা পাঠাতে চায় তখন তার খরচ হবে ৬০০ টাকা। খরচ ও সময় বাঁচানোর জন্যই প্রবাসীরা বিকাশের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে বলে তারা মনে করেন। সিঙ্গাপুরে এখন ‘বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান দ্রুত’ লেখা ব্যানার প্রায় সব জায়গায়ই দেখতে পাওয়া যায় বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠালে কাঙ্খিত ব্যক্তি টাকা পান ঠিকই কিন্তু সেটা দেশের উপকারে আসেনা। রেমিটেন্সের ওপরও এটা প্রভাব ফেলে মারাতœক। সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। তাছাড়া হুন্ডির টাকার কোনো হিসাব থাকে না এ কারণে এ টাকা জঙ্গীবাদ বা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই আমরা প্রবাসীদের বিভিন্ন সেমিনারে এটাই বোঝানোর চেষ্টা করি যে, অবৈধভাবে টাকা পাঠানোর অর্থই হলো দেশে কোনো মানুষের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া বা খারাপ কাজে উৎসাহিত করা। তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমরা বিদেশে কোনো ব্যাংকে মোবাইল ব্যাংকিং করার অনুমতি দিইনি তাই তা বন্ধ করার ক্ষমতাও আমাদের নেই। এটা ওই দেশের সরকারই পারবে বন্ধ করতে। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো বন্ধ করতে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। এজন্য প্রতিবছরই বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করে। এসব সেমিনারে বৈধ পথে টাকা পাঠানোর জন্য প্রবাসীদের উৎসাহিত করা হয় বলে তিনি জানান।

এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে জঙ্গী অর্থায়ন ও অবৈধ লেনদেনের তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বেসরকারি ব্র্যাক, ডাচ্-বাংলা, ইসলামী ব্যাংকসহ আরও অর্ধডজন ব্যাংকের এ-সংক্রান্ত লেনদেনকে কড়া নজরদারিতে রেখেছে বিএফআইইউ। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন, মুক্তিপণের টাকা আদায় এবং চাঁদাবাজি বন্ধে ‘মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন’ মনিটরিংয়ের জন্য কমিটি গঠন করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়। গত বছরের ১৭ নবেম্বর সচিবালয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা, হুমকি, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে যিনি টাকা পাঠাবেন এবং যিনি গ্রহণ করবেন উভয়পক্ষই তার পরিচয় নিশ্চিত করবেন। জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তাদের পরিচয় মোবাইল ব্যাংকিং কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি রোধে ওই সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র ম. মাহফুজুর রহমান জনকন্ঠকে বলেন, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে ‘মানি লন্ডারিং অ্যান্ড টেরোরিস্ট ফাইন্যান্সিং রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট গাইডলাইন্স ফর ব্যাংকিং সেক্টর’ শীর্ষক একটি নীতিমালাও জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মুক্তিপন আদায়, জঙ্গী অর্থায়ন কিংবা হুন্ডি ব্যবসার প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী ২০১৫

১৫/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: