কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এনজিও

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫
  • ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ব্যাংকিং এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিভিশন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন স্থাপন করা হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি এনজিওদের অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকা- যেমন কমিউনিটি বেইজড অর্গানাইজেশন, সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচী যেমন- শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য চিকিৎসা, পয়োনিষ্কাশন, সুপেয় পানি, প্রকৃতির নিরাপত্তা, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ, আইটি সামাজিক বনায়ন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, দুস্থ ও দারিদ্র্য মহিলাদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মূল উন্নয়নের সুফলভোগকারী হিসেবে গরিব, চরম গরিব, মহিলা, শিশু ও ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠীকে বেছে নেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয় সমাজের দরিদ্র শ্রেণীর অবস্থানরত দরিদ্র ও নিঃস্ব মানুষদের ভাগ্যোন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য পার্টনার এনজিওদের মাধ্যমে অনুদান দিয়ে যাচ্ছে।

এ অর্থ বেনিফিসিয়ারিরা কেমন করে উপকৃত হচ্ছেন, তা যাচাই-বাছাই করার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সিলেট জেলার চারটি পার্টনার অর্গানাইজেশনের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ চারটি অর্গানাইজেশন হলো জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থা, রিলায়েন্ট ওমেন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, সিলেট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ও রাইজ ফাউন্ডেশন। মতবিনিময়কালে সুস্পষ্ট হয়ে উঠে কিভাবে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে এ চারটি অর্গানাইজেশন তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভাগ্য ফেরানোর জন্য কাজ করে চলছে। রিলায়েন্ট ওমেন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে সিলেট সদরে স্যানিটেশনের কাজ করছে। দরিদ্র শ্রেণী বিশেষত চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠীর জন্য সংস্থাটি কাজ করছে। জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠী ও বাঙালীদের স্বাস্থ্যসেবা, গাছের চারা বিতরণ, সবজি বীজ বিতরণ করে থাকে। সিলেট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির ফাউন্ডেশন নিরাপদ পানির কার্যক্রম পরিচালনা করছে জকিগঞ্জ উপজেলায়। এই প্রতিষ্ঠানটির নিরাপদ পানির কার্যক্রমটি সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জনগণের জন্য বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। গোয়াইনঘাট উপজেলায় রাইজ ফাউন্ডেশন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণের লক্ষ্যে লাল চাল, ঢেঁকি ছাঁটা চাল ও আটার সুফল সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি করছে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলা মতবিনিময় অনুষ্ঠান থেকে প্রতিভাত হয় যে, চারটি এনজিওই তৃণমূল পর্যায়ে লোকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বল্প পরিসরে হলেও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছে।

‘উন্নয়নে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান : প্রেক্ষিত সিলেট জেলা’ শিরোনামের একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় জেসিসের অফিসে। সেখানে উঠে আসে অনেক অজানা তথ্য। জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থার প্রকল্প হচ্ছে সমন্বিত ক্ষুদ্র নারী উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্প। এটি চারিকাটা ইউনিয়নে গ্রহণ করা হয়েছে । প্রকল্পের আওতায় জরিপ করা হয়েছে ৫টি গ্রামে, ইউনিয়ন পরিকল্পনা সভা হয়েছে ১টি, প্রতি দলে ২০ জন করে ৫টি দল গঠন করা হয়েছে। বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ দু’দিনে প্রতি ব্যাচে ২০ জন করে ৫টি ব্যাচের মাধ্যমে করা হয়েছে। ১০০ জন দলীয় সদস্যের মধ্যে সবজি বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় সদস্য প্রতিজনকে ২টি ওষুধি, ২টি ফলজ, ২টি বনজ চারা করে বৃক্ষ রোপণ/চারা বিতরণ করা হয়েছে ১০০ জনের মধ্যে। এ ছাড়াও ৫টি হেলথ ক্যাম্প করেছে যারা বেনিফিসিয়ারি হচ্ছে ৭৫০ জন।

এসডিএস এনজিও ফাউন্ডেশন থেকে ২০০৯-২০১৩ সাল সময়কালের মধ্যে মোট ছয় লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে। ২০১৩ সালের ৩ নবেম্বর চার নম্বর কিস্তির অর্থ দিয়ে বর্তমান কার্যক্রম শেষ করেছে। তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয় সিলেট জেলাধীন জকিগঞ্জ উপজেলার বারকুঠারী ও কসকনপুর ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামে। এসডিএস তাদের কার্যক্রমের আওতায় বিনামূল্যে ১৫০ সেট রিং ল্যাট্রিন বিতরণ করেছে। ২০০ পরিবারের জন্য ২০টি নলকূপ স্থাপন করেছে। ১০০ জন শিক্ষককে নিরাপদ পানির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করেছে। আনুমানিক ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে স্যানিটেশন বিষয়ক ধারণা প্রদান করা হয়েছে। নিরাপদ পানির ব্যবহার সম্পর্কে ৬টি মাইকিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ৩টি র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। ৪০ জন নলকূপ ব্যবহারকারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছিল। উপকারভোগীর সংখ্যা হচ্ছে ৩৮৩২ জন। ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে উপকৃত কার্যক্রমের আওতায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উপকারভোগীরা তাঁদের সংসারের কার্যক্রমে নলকূপের পানি ব্যবহার করছেন, যার দরুণ পানি ও মলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ওই উপকারভোগীদের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

রাইজ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প হচ্ছে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণের লক্ষ্যে লাল চাল, ঢেঁকি ছাঁটা চাল ও আটার সুফল গণসচেতনতামূলক কর্মসূচীর সুফল। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অনুদানকৃত অর্থের আওতায় গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের কর্ম এলাকায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির কার্যক্রম গত বছরের নবেম্বর (২০১৪) শুরু হয়েছে, যা চলতি বছরের (২০১৫) অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই প্রকল্পের আওতায় ১০০ জনের ডায়াবেটিস পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হয়েছে। ডায়াবেটিস রোগ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ৩০ জনকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। ৫০০ জনের মধ্যে ডায়াবেটিস রোগ ও রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বুকলেট বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্প সময়কালের মধ্যে ৭টি ঢেঁকি বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে ২টি ঢেঁকি বিতরণ করা হয়েছে। ঢেঁকি ছাঁটা লাল চাল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ করার ক্ষেত্রে সংস্থা সহযোগিতা করছে। ইতোমধ্যে দুটো তথ্য বোর্ড প্রতিস্থাপন করে লাল চাল ও ঢেঁকি ছাঁটা চাল ও আটার সুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। আবার দুটি ঢেঁকি ব্যবহারকারীর মধ্যে বিনামূল্যে দুই মণ ধান বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে চলমান প্রক্রিয়ায় লাল চাল, ঢেঁকি ছাঁটা চাল বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে সংস্থার পক্ষ থেকে সহযোগিতা, পরিদর্শন ও মনিটরিং নিয়মিত করা হচ্ছে।

সমতা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফাতেমা বেগমের সঙ্গে দেউন্দী চা বাগানে বিতরণকৃত ১৭টি সেলাইমেশিন এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের সঙ্গে কথা বলি ও কিছু কিছু হস্তশিল্পের নমুনা দেখি। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠী যারা মূলত চা শ্রমিক তাদের অবস্থা সরেজমিন দেখি। টিলার ওপর এক ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠীর মেয়ের হস্তশিল্প দেখে বিস্ময়ে অভিভূত হতে হয়। তার চেয়ে বড় বিস্ময় জাগে যখন শুনতে পাই মা ও বড় বোন উন্মাদ অথচ তাকে সংসারের ঘানি ধরতে হয়েছে। কঠিন জীবন সংগ্রামকে বিএনএফের ফান্ড ‘সমতা’ নামের এনজিওটির সঠিক তত্ত্বাবধানে প্রত্যন্ত গ্রামে মানব ও সামাজিক কল্যাণে আন্তরিকতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি হতদরিদ্র মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচী নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে করে চলেছেন। চা বাগানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপকারপ্রাপ্ত মহিলারা যেন আন্তরিকতার সঙ্গে উনাকে সম্মান জানালেন; তাতে মনে হলো তিনি যেন তাঁদের আত্মার আত্মীয়। অভাব-অনটন লেগে থাকা প্রত্যন্ত গ্রামের দুস্থ নারী যেন একটু সহায়তা পেয়ে নিজের পায়ে আত্মনির্ভরতার সুযোগ খুঁজে পাচ্ছে। এই দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই তো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দান করে দেশের স্বাধীনতার লাল সূর্য পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল।

ফাতেমা বেগম আলাপকালে জানালেন, চা বাগানের কর্মপ্রত্যাশী যুবকের আবদারের কথা। তাঁরা তাঁর কাছে আবদার করেছেন তাঁদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বাবলম্বী করে উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণার্থে। আপন মনেই বলে চললেন তাঁর স্বপ্নমালার কথা, তাঁদের হয় আইটিতে প্রশিক্ষণ দান করার জন্য নতুবা মৎস্য চাষের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া ও আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য। বয়স্ক এ মহিলার মধ্যে মায়াভরা ও স্নেহময়ী দিদির সহজাত প্রবৃত্তি পরিলক্ষিত হয়। ভাবতে অবাক লাগে, শহরের কৃত্রিমতা ভেদ করে ফাতেমা বেগমের মতো কর্মঠ ব্যক্তিত্ব রয়েছেন বলেই বর্তমান সরকারের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে।

মনে পড়ে গেল কিছুদিন আগে বাংলাদেশের এক ডাকসাইটে নারী উদ্যোক্তা নেত্রীর কাছে বাংলাদেশের মোট মহিলা উদ্যোক্তার সকল খাত মিলে আনুমানিক হিসাব চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে তথ্য না থাকায় তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ সঠিক পরিসংখ্যান যদি না থাকে, মোট মহিলা উদ্যোক্তার সংখ্যা কত তা যদি জানা না থাকে, তবে তারা কিসের ভিত্তিতে দেশী-বিদেশী সংস্থার কাছে উদ্যোক্তা শ্রেণী গঠনে সহায়তা চাইবেন এবং খাতওয়ারি কিভাবে বিনিয়োগ করতে ক্ষেত্র প্রস্তুত করবেন? এ জন্য বাংলাদেশের ফেডারেশন অব উমেন এন্ট্রিপ্রিনিউরকে মহিলা উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার গতি-প্রকৃতি ইনক্লুড করে একটি ডাটাবেজ তৈরি করা উচিত। এখিাতওয়ারি নারী উদ্যোক্তার তালিকা প্রণয়নে বাংলাদেশ উমেন চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বাংলাদেশের এনজিও ফাউন্ডেশন যথেষ্ট নিয়মনিষ্ঠভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফান্ড প্রকৃত উপকারীদের মধ্যে বিতরণ করছে। তাদের এই নিয়ম-নিষ্ঠা দেশের অগ্রগতিকে বলিষ্ঠ করছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতের চেয়েও বাংলাদেশ সামাজিক সূচকসমূহে অনেকাংশে এগিয়ে আছে। এক্ষেত্রে এনজিও ফাউন্ডেশনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মকা- বেশ সাফল্য দিয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছেন। তাঁর এ কর্মকা-ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন অর্থমন্ত্রী এবং অর্থ উপদেষ্টা। দেশের এ অগ্রগতি ও প্রগতি যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আশা করব, অর্থ মন্ত্রণালয় যেভাবে এ ফাউন্ডেশনকে প্রত্যন্ত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজে লাগিয়েছে এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার প্রয়াস নিয়েছে তার জন্য অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হ্রাস করে হলেও, এ খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা হবে, যাতে এটি উৎপাদনশীল খাতে ব্যয়িত হয়। যখন ফান্ডের অর্থায়নের ক্ষেত্রে ট্রান্সপারেন্সির কথা সব পার্টনাররা বলেন তখন ভাল লাগে এ ভেবে যে, সত্য মানুষের কল্যাণে সদা জাগরুক থাকবে। দেশের উন্নয়নে আলোর অভিযাত্রা হোক বিএনএফ।

ম্যাক্রো ও ফিন্যান্সিয়াল ইকোনমিস্ট, অধ্যাপক ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদ, ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি Pipulbd@gamil.com.

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫

১১/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: