মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধে দুই পা হারানো আতিকের মানবেতর জীবন

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী ২০১৫

একাত্তরে পাকসেনাদের অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের সম্মুখে শত্রুদের পরাস্ত করা প্রাণবন্ত নওজোয়ান মোঃ ইউসুফ আতিক এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তিনি কোমরে গ্রেডেন ও স্টেনগান হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন শত্রুদের মোকাবেলায়। যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে তিনি ধরা পড়েন আলবদর বাহিনীর হাতে। তারপর তাঁর ওপর চলে নির্মম নির্যাতন।

পাকসেনারা দুটো পা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। শরীরে সিগারেটের ছেঁকা দিয়ে লেখা হয় ‘জয়বাংলা’। এরপর তাকে মৃত ভেবে ক্যাম্পের বাইরে এক গর্তের ভেতরে ফেলে দেয়া হয়। পরে তিনি অযাচিতভাবে বেঁচে গেলেও পা দুটি অচল হয়ে যাওয়ায় তাঁকে পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়। সেই থেকে বিছানায়। বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জ শহরের জামিয়া রোডে নিজ বাড়িতে সীমাহীন কষ্টে চোখের জল ফেলে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। যন্ত্রণাদায়ক সেইসব স্মৃতি মনে করে প্রায়ই দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি ৪৩ বছর বিছানায় শুয়ে পার করেছেন। অথচ এই সময়ের মধ্যে কোন সহযোদ্ধা তাঁকে দেখতে যাননি।

২০০৫ সালের ২৩ জুন হামিদুল হোসেন তারেক বীরবিক্রম দেখে গিয়ে তাঁর জীবদ্দশা নিয়ে পত্রিকায় লিখেছিলেন। রণাঙ্গনের অকুতোভয় আতিকের একসময়ের সহযোদ্ধাদের একজন এখন দেশের উচ্চপদে আসীন। তিনিও কোনদিন তাঁর খোঁজখবর বা দেখতে যাননি। অনেকেই এখন রাষ্ট্রীয় সুবিধা পেলেও তাঁর ভাগ্যে জোটেনি মুক্তিযোদ্ধার সনদ। পঙ্গু আতিকের সহায় সম্বল বলতে ভিটেবাড়ি ছাড়া কিছুই নেই। তাঁর সংসারে স্ত্রী জাহান আরা বেগম, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে একমাত্র ছেলের ব্যবসার আয় দিয়ে তাঁর প্রতিদিনের চিকিৎসা খরচসহ কোনরকমে সংসার চলছে। বড় মেয়েকে বিয়ে দিলেও আরেকজন অনার্স পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রীর পড়াশোনা অর্থাভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

-মাজহার মান্না

কিশোরগঞ্জ থেকে

জমি আছে ঘর নেই

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের আওতায় ‘যার জমি আছে, ঘর নাই’ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কুঠিবাড়িতে ১৭টি দুই কক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা ঘর, একটি টিউবওয়েল, একটি সেনেটারি ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে নির্মিত এ প্রকল্পে ব্যয় বরাদ্দ হবে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ টাকা। যাতে অতি দ্রুত ঘরগুলো দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে হস্তান্তর করা যায় সেজন্য এর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক। -আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধা থেকে

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী ২০১৫

১০/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: