মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ষষ্ঠ দল শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী ২০১৫
  • আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে ১২ বা ১৩ জানুয়ারি

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের জন্য চারটি দল নিশ্চিত হয়েছে আগেই। দলগুলো হলোÑ সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, বাহরাইন ও মালয়েশিয়া। আর বাংলাদেশ হচ্ছে স্বাগতিক দল। বাকি ছিল ষষ্ঠ দল চূড়ান্ত হওয়ার। কিন্তু কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছিল না ‘নাম্বার সিক্স’ কে। শুক্রবার অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে পাওয়া গেল আসন্ন ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ষষ্ঠ দলটি। আর তা হলো সাফ অঞ্চলের দেশ শ্রীলঙ্কা। দলটি জাতীয় দল হবে না অলিম্পিক বা অনুর্ধ-২৩ জাতীয় দল হবে, তা জানায়নি স্বাগতিক আয়োজক বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ও আনুষ্ঠানিকভাবে বাফুফে মিডিয়াকে অবহিত করবে আগামী ১২ বা ১৩ জানুয়ারি বাফুফে ভবনের কনফারেন্স রুমে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন বাফুফে সভাপতি কাজী মোঃ সালাউদ্দিন, যিনি এখন অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে।

এই টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ দল নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত প্রথমে পাকিস্তান ও পরে মালদ্বীপ ‘না’ করে দেয়ার। ছয় নম্বর দলটির জন্য আশিয়ান অঞ্চলের ২, সাফ অঞ্চলের ২ এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ১টি দেশকে বাফুফে কদিন আগেই আমন্ত্রণ জানায়। অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল এগুলোর কয়েকটি হচ্ছেÑ লাওস, মিয়ানামার ও নেপাল। কিন্তু এরা কেউই নয়, শেষ পর্যন্ত ষষ্ঠ দল হিসেবে চূড়ান্ত হলো শ্রীলঙ্কা, যারা কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সফর করে ২টি আন্তর্জাতিক প্রীতি সিরিজ ম্যাচ খেলে। সে সফরে তারা অবশ্য ১ ম্যাচে ড্র ও ১টিতে হেরে যায় বাংলাদেশ বাংলাদেশ জাতীয় দলের কাছে।

টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে একমাত্র বাহরাইন বাদে বাকি সব দেশই (শ্রীলঙ্কারটা জানা যায়নি) তাদের জাতীয় দল পাঠাবে। দুই ভেন্যুতে মোট ম্যাচ হবে ৯টি (ঢাকায় ৫ ও সিলেটে ৪)। আমন্ত্রিত দলগুলো ঢাকা এসে পড়বে ১৪ জানুয়ারির মধ্যেই। তাদের কাছে ইতোমধ্যেই বাফুফে বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছে- তাদের দলবহর হবে ৩০ জনের (২৩ খেলোয়াড় এবং ৭ অফিসিয়াল)। চাহিদা অনুযায়ী ইতোমধ্যেই বাহরাইন ও সিঙ্গাপুরের কাছে টুর্নামেন্টের বাইলজের খসড়া পাঠিয়ে দিয়েছে বাফুফে। এছাড়া ঢাকায় দলগুলোর অনুশীলনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চারটি মাঠ চেয়েছে বাফুফে। এর মধ্যে ২টিতে অনুশীলন হবে এবং একটি প্রস্তুত বা বিকল্প প্র্যাকটিস ভেন্যু হিসেবে থাকবে। এগুলো হলো- বনানী আর্মি স্টেডিয়াম, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ এবং শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাব লিমিটেডের নিজস্ব মাঠ। পক্ষান্তরে সিলেট ভেন্যুতে সিলেট ফুটবল একাডেমিসহ মোট ৩টি অনুশীলন মাঠ নেয়ার পরিকল্পনা করছে বাফুফে।

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী ২০১৫

১০/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

খেলার খবর



ব্রেকিং নিউজ: