রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

নৌযানে অবতরণ করবে রকেট

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫

রকেটের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে মহাকাশ প্রযুক্তি নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। তাদের তৈরি ফ্যালকন নাইন রকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আটলান্টিক মহাসাগরে ভাসমান একটি নৌযানে অবতরণ করানো হবে।

৬ জানুয়ারি ছিল রকেটটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ ও অবতরণের নির্ধারিত দিন ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে তা স্থগিত করা হয়। নির্মাতারা আশা করছেন, ৯ জানুয়ারি রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাসাগরে ভাসমান নৌযানে অবতরণের এই সামর্থ প্রমাণিত হলে ভবিষ্যতে রকেট উৎক্ষেপণের খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যেতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিতে অবতরণ করলে কোন রকেটের সব অংশই ধ্বংস হয় যায়।

ফ্যালকন নাইন রকেটের সাহায্যে ড্রাগন নামের একটি পণ্যবাহী নভোযান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রচলিত রকেটগুলো কেবল একবার ব্যবহারের উপযোগী করেই তৈরি করা হয়। উৎক্ষেপণের পর সেগুলো ওজন কমানোর জন্য ইঞ্জিন খালি করে ফেলে এবং পরবর্তী ধাপে কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) বা অন্যান্য নভোযান পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছে দেয়। তখন রকেটের পরিত্যক্ত লোহালক্কড় বা হার্ডওয়্যার পৃথিবীতে ফিরে এসে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়বে। কাজেই মহাকাশে প্রতিটি অভিযানে ব্যয়বহুল নতুন রকেটের প্রয়োজন হয়। স্পেসএক্স আশা করছে, নতুন প্রযুক্তির রকেট ব্যবহার করে এতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ অনেক অংশ ফিরিয়ে এনে আবার ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এ জন্য বায়ুমণ্ডল ভেদ করে পতনের সময় রকেটের হার্ডওয়্যারের গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রকেটে যুক্ত করা হয়েছে ধীরগতিতে নেমে আসার উপযোগী পাখনা এবং ঠিকভাবে অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ।

মহাসাগরে এখন পর্যন্ত কয়েকটি রকেটের পরীক্ষামূলক অবতরণ করানো হয়েছে; কিন্তু সবই হারিয়ে গেছে। তবে রকেট বা অংশবিশেষ উদ্ধারের জন্য কঠিন কোন পাটাতনে অবতরণ করানো জরুরি। তাই স্পেসএক্স এবার মহাসাগরে নৌযানের ওপর রকেট নামানোর চেষ্টা করছে।

সূত্র : বিবিসি ও স্পেসএক্স

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫

০৯/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: