মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বাদীর জবানবন্দী শুনেছেন আদালত

প্রকাশিত : ৮ জানুয়ারী ২০১৫
  • দুই দুর্নীতি মামলা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুই দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সময়ের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাঁর অনুপস্থিতিতেই মামলার বাদীর জবানবন্দী শুনেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার খালেদার আবেদন নাকচ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। বাদীর জবানবন্দী শেষ না হওয়ায় আগামী ১৫ জানুয়ারি সাক্ষ্য শোনার পরবর্তী দিন ধার্য করে মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন বিচারক। বুধবার বিএনপির লাগাতার অবরোধের মধ্যে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী এজলাসে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলারও শুনানি হয়েছে।

বুধবার সকালে এজলাস বসার পর খালেদার পক্ষে সাক্ষ্য পেছানোর আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও মহসিন মিয়া। তাঁরা বলেন, খালেদা জিয়াকে গত ৩ জানুয়ারি থেকে তাঁর গুলশানের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাছাড়া তিনি অসুস্থ। এ কারণে বিএনপি চেয়ারপার্সনের পক্ষে আদালতে আসা সম্ভব ছিল না উল্লেখ করে সময় চান তাঁরা। এ দুই মামলায় খালেদা জিয়ার প্রধান তিন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সানাউল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, ভাংচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলার বিষয়টি তুলে ধরে মাসুদ তালুকদার আদালতকে বলেন, তাঁরা যাতে শুনানিতে আসতে না পারেন সেজন্যই সরকার তাদের মামলায় জড়িয়েছে। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়া ইচ্ছা করলেই আসতে পারতেন, তাঁর আইনজীবীরা অজুহাত দিচ্ছেন। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন নাকচ করে বুধবারের জন্য খালেদাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন এবং তার অনুপস্থিতিতেই সাক্ষ্য চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

সময়ের আবেদনটি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে বিচারক তাও নাকচ করে দেন বলে খালেদার অন্যতম আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ জানান। শুনানি শেষে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারি বাদী তাঁর অবশিষ্ট সাক্ষ্য দেবেন। ওইদিন তিনি বক্তব্য শেষ করতে পারবেন বলে আশা করছি।

সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর খালেদা এ দুই মামলায় আদালতে হাজির হন। ওইদিন তাঁর হাজিরাকে ঘিরে ওই এলাকায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ আদালতের নতুন বিচারক আবু আহমেদ জমাদার ওইদিনই প্রথম এ মামলার বিচারে বসেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের ফাঁকা গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিপেটার মধ্যেই আদালতে উপস্থিত হয়ে খালেদা সময়ের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করে শুনানি ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেন। খালেদার আইনজীবীদের একের পর এক আবেদনের মধ্যে মামলার বাদী ও প্রধান সাক্ষী হারুন-অর-রশীদ এর আগের চারটি ধার্য তারিখেও সাক্ষ্য শেষ করতে পারেননি।

প্রকাশিত : ৮ জানুয়ারী ২০১৫

০৮/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: