মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ২০ দলের সমাবেশে হাঙ্গামা

প্রকাশিত : ৭ জানুয়ারী ২০১৫
  • বিএনপি দুষছে জামায়াতকে

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউড়ি এলাকায় সোমবার বিকেলে ২০ দলীয় জোটের কালো পতাকা সমাবেশে হাঙ্গামা ও পুলিশী হামলার জন্য জামায়াত-শিবিরকে দুষছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। জামায়াতের উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণেই সমাবেশ প- হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের। মঙ্গলবার বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের অনেকে অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে জামায়াত-শিবিরের একটি লাঠি মিছিল যোগদানের পরই গোলযোগের সৃষ্টি হয়। এতে করে আড়াই শতাধিক গ্রেফতার ছাড়াও আসামি হতে হয়েছে প্রায় ৫শ’ নেতাকর্মীকে। নগরীর নূর আহমদ সড়কে অবস্থিত নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে সোমবার বেলা ২টা থেকে শুরু হয় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের কালো পতাকা সমাবেশ। পুলিশের বেষ্টনীর মধ্যেও সমাবেশটি চলছিল ভালই। বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রুপে গ্রুপে মিছিল নিয়ে এসে যোগদান করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। পুলিশেরও আশ্বাস ছিল যে, শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করলে কোন বাধা প্রদান করা হবে না। কিন্তু বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সমাবেশে এসে যোগ দেয় জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বহন করছিল প্রচুরসংখ্যক লাঠিসোটা। তারা সেখানে তাদের নেতাদের নামে সেøাগান দিতে থাকে। এছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে ও পুলিশকে উদ্দেশ করে উস্কানিমূলক সেøাগানও দেয়। সভাস্থলে ছাত্র শিবিরের কর্মীরা আগুন লাগিয়ে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ঢিল ও লাঠি। আর এতেই এ্যাকশনে যায় পুলিশ।

রাজশাহীতে বিএনপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের তিন মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। সোমবার মধ্যরাতে পুঠিয়া থানায় হত্যা, পুলিশের ওপর হামলা ও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের দায়ে এসব মামলা করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকেই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও চারঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চাঁদসহ ২০ দলীয় জোটের ৭ হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। পুঠিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, সোমবারের ঘটনায় থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মজির উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় হত্যা মামলা একটি। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, সরকারী কাজে বাধাদান ও বিস্ফোরক আইনে আরও দুটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে পুঠিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় ২০ দলীয় জোটের ৭ হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া এসআই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ৭ হাজার জনের নামে মামলা করেছেন। ওই মামলায় বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারী কাজে বাধাদানের মামলাটি করেছেন এসআই ডেভিট হেমাদ্রি বর্মন।

প্রকাশিত : ৭ জানুয়ারী ২০১৫

০৭/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: