আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

২০১৬ সালের আগের শেয়ার ছাড়তে চায় না রবি

প্রকাশিত : ৬ জানুয়ারী ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও মূলতবির সময় বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন টেলিকম খাতের বেসরকারঢ কোম্পানি রবি বা একটেল। কোম্পানিটি জানিয়েছে, রবির বর্তমান পরিস্থিতি আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার পক্ষে সহায়ক নয়। তাই আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো উচিত। গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জের (বিএসইসি) উপ-পরিচালক মোঃ মোহাম্মদ শামসুর রহমানের কাছে রবির প্রধান অর্থ কর্মকতার পাঠানো এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া মূলতবিতে সাধুবাদ জানিয়ে নতুন পত্রে বলা হয়েছে, সম্প্রতি রবিবার তৃতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স বা থ্রি-জির লাইসেন্ন পেয়েছে। এখন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে এই সেবা প্রদানের দিকে নজর দেয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ নতুন করে তরঙ্গ বরাদ্দের উদ্যোগ নিচ্ছে। আমরা বুঝতে পারছি যে, আমরা সন্দিহান ২০১৫ সালে বরাদ্দকৃত এই তরঙ্গ আমাদের জন্য অনুকূল কিনা ? অধিকন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিম প্রতিস্থাপনের দাবি যা এখনই বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যবসাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করবে বিশেষ করে রবির ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকে বিঘিœত করবে।

রবির পাঠানোর চিঠিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, কমিশনও লক্ষ্য করেছে যদিও ব্যবসা করার অনুকূল পরিবেশ থাকে তবুও আইপিওতে আসার পক্ষে কোম্পানিগুলোর পক্ষে তেমন উল্লেখযোগ্য প্রণোদনা থাকছে না। কারণ বিদ্যমান কর আইনে বর্তমানে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিগুলো সবচেয়ে বেশি কর দিচ্ছে। যা এখন রয়েছে মোট ৪৫ শতাংশ। তামাকজাত প্রণ্যের কোম্পানিগুলোও একই হারে কর প্রদান করছে। তামাক কোম্পানিগুলো সাধারণত সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যে উৎপাদন করে থাকে যা, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু অপরপক্ষে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিগুলো দেশের গঠনে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সহায়তা করছে। তবুও কোম্পানিগুলোকে সমহারে কর দিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রবি অর্থমন্ত্রীর কাছে শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার ছাড়া না ছাড়ার কথা জানিয়েছিল।

এই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই আইপিও মূলতবির সিদ্ধান্ত বৃহত্তর বাজারের অবিশ্বাস ও আর্থিক বিষয়গুলোকে প্রভাবিত করবে। এই পরিস্থিতিতে রবি আবারও নিজেদের অঙ্গীকার পুনরাবৃত্তি করছে যে, আগামীতে আরও ভাল প্রবৃদ্ধি অর্জন করে কোম্পানিটি বাজারে আইপিওয়ের মাধ্যমে শেয়ার ছাড়বে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি রবির বাজারে শেয়ার ছাড়ার মতো উপযুক্ত নয়। তাই আগামী ২০১৬ সাল পর্যন্ত আইপিও পক্রিয়া মুলতবি করা হোক।

বিএসআরএমের আইপিও আবেদন শুরু ১ ফেব্রুয়ারি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ স্টিল রি- রোলিং মিলস লিমিটেডের (বিএসআরএম) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে জমা নেয়া শুরু হবে। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা যা জমা দিতে পারবেন আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পাবেন আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৩তম নিয়মিত কমিশন সভায় বিএসআরএম কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসআরএম পুঁজিবাজার থেকে ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের মূল্য পড়বে ৩৫ টাকা। এর মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য ও ২৫ টাকা প্রিমিয়াম। ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট। কোম্পানি বাজারে ১ কোটি ৭৫ লাখ সাধারণ শেয়ার ছাড়বে। উত্তোলিত অর্থ কোম্পানির অনগোয়িং এক্সপেনশন/বিএমআরই, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খাতে ব্যয় করা হবে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ শেষ হওয়া বছরের নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫.০৬ টাকা এবং নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫২.০৯ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

প্রকাশিত : ৬ জানুয়ারী ২০১৫

০৬/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: