কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আদমদীঘিতে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করতে এসে বর কারাগারে

প্রকাশিত : ৪ জানুয়ারী ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, সান্তাহার, ৩ জানুয়ারি ॥ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার পল্লীতে বিয়ে করতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেফতার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা পেয়েছে বর জাহাঙ্গীর আলম। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের ধনতলা গ্রামে।

জানা গেছে, উপজেলার মঠপুকুরিয়া গ্রামের হাইপত শাহ্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম সম্প্রতি প্রবাস থেকে ফিরে আসে। অর্থশালী হবার কারণে, একই গ্রামের আবুল কালাম ওরফে লাদু মিয়া তার মেয়ে সদ্য জেএসসি পাস করা কুইন খাতুনের সঙ্গে ওই বরের বিয়ে ঠিক করে। বিয়ে সম্পন্ন হবার ক্ষেত্রে গ্রামে সমস্যা হতে পারে এই আশংকায় মেয়ের বাবা মেয়ে কুইনকে নানাবাড়ি ধনতলায় পাঠিয়ে দেয় এবং সেখান থেকে বিয়ে সম্পন্ন করার আয়োজন করে। শুক্রবার বরযাত্রীও এসে যায় কনে বাড়িতে। কিন্তু বিধিবাম। বিয়ের এ খবর পৌঁছে যায় উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনে। সন্ধ্যায় আদমদীঘি থানা পুলিশ হানা দেয় বিয়ে বাড়িতে। গ্রেফতার করে বর জাহাঙ্গীর আলমকে। এর পর হাজির করা হয় উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালতে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুজ্জামান বাল্যবিয়ে করতে আসার অপরাধে বর জাহাঙ্গীর আলমকে ১৫ দিনের কারাদ-ের রায় দেন।

কুড়িগ্রামে বিনামূল্যের বই জিম্মি করে স্কুলের বকেয়া আদায়

রাজু মোস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম থেকে ॥ কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্য বই বিতরণের সময় অবৈধভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নানা অজুহাতে ৫শ’ থেকে ৯শ’ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ফি আদায় করছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। যেসব শিক্ষার্থী ওই ফি পরিশোধ করতে পারেনি তাদের পাঠ্য বই দেয়া হয়নি। এতে দরিদ্র ও দিনমজুর শিক্ষার্থী অভিভাবকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রৌমারীর দাঁতভাঙ্গা স্কুল এ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭৮০ থেকে ৯৮০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে। ওই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৭ম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছে আলমগীর হোসেন। সে অভিযোগ করে বলে, ‘সেশন ফি ৩০০ টাকা, ভর্তি ফি ২০০ টাকা, ৩ মাসের বেতন ২৪০ টাকা এবং অন্যান্য ফি ৪০ মোট ৭৮০ টাকা দিতে হচ্ছে। ওই টাকা পরিশোধ করে রিসিভ সংগ্রহ করতে হয় স্কুল থেকে। টাকা পরিশোধের ওই রিসিভ দেখানোর পর বিনামূল্যের পাঠ্য বই পাওয়া যায়। নচেৎ বই দেয়া হয় না। ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর জন্য ওই ফি দিতে হচ্ছে।’ ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সেশন ফি ৫০০ টাকা তাতে ৯৮০ টাকা ফি দাঁড়ায়। স্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই অভিযোগ করেছেন। কলেজের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামান ফি নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি সেটাই আদায় করছি।’

প্রকাশিত : ৪ জানুয়ারী ২০১৫

০৪/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: