আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাংলাদেশের গৃহস্থালির গাছগাছড়া

প্রকাশিত : ৪ জানুয়ারী ২০১৫
  • ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের গৃহস্থালিভিত্তিক গাছগাছড়া বা বনরাজির একটি জরিপ সম্পাদন করেছে। জরিপটি সম্পাদিত হয়েছিল ২০১১-১২ সালে। এ জরিপ দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৬৩০০ গৃহস্থালির ওপর সম্পাদিত হয়েছে। জরিপের চয়ন অনুযায়ী এ সব গৃহস্থালি দেশের ১৮৪টি মৌজায় এবং ২টি মহল্লায় দেশের ৭টি বিভাগে ছড়ানো ছিল। জরিপের পদ্ধতি বিশ্লেষণ করলে এটা সুস্পষ্ট হয় যে, জরিপপ্রাপ্ত উপাত্তসমূহ (পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া) সারাদেশের এ বিষয়াধীন অবস্থার প্রতিফলক এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে ধরে নেয়া যায় এ জরিপে প্রাপ্ত উপাত্তসমূহ ২০১৫ সালের প্রথম দিকেও মোটা দাগে প্রযোজ্য।

এ জরিপে দেখা গেছে যে, দেশে গৃহস্থালি পর্যায়ে গাছগাছড়া বাবদ মূল্য সংযোজনের পরিমাণ (সমকালীন মূল্যে) ১২৩৮৯ কোটি টাকা। ২০১০-১১ সালে এর পরিমাণ ছিল ১০৮৮১ কোটি টাকা বা শতকরা প্রায় ১৪ ভাগ কম। ২০১০-১১-এর তুলনায় ২০১১-১২ সালে মূল্য সংযোজনের প্রকৃত বৃদ্ধির পরিমাণ এর চাইতে কম হবে বলে মনে হয়। টাকার নামিত মূল্যে ২০১১-১২ সালে প্রতিফলিত এ বৃদ্ধি সম্ভবত প্রকৃত বৃদ্ধির পরিমাপক নয়। জরিপে দেখা গেছে, দেশের সকল গৃহস্থালিতে ২০১১-১২ সালে ৪০ কোটি ৩০ লাখ ফলদ গাছ, প্রায় ৪০ কোটি কাঠ গাছ, প্রায় ৫২ কোটি বাঁশ এবং প্রায় ১৩ কোটি অন্যান্য গাছগাছড়া ছিল। ২০১০-১১ সালের তুলনায় এক বছরে এই বৃদ্ধি ফলদ গাছের ক্ষেত্রে হয়েছে প্রায় শতকরা ৬ ভাগ, কাঠ-গাছের ক্ষেত্রে শতকরা ৪ ভাগ, বাঁশের ক্ষেত্রে প্রায় শতকরা ৭ ভাগ ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে প্রায় শতকরা ৫২ ভাগ। এতে প্রতীয়মান হয় যে, দেশের গৃহস্থালি পর্যায়ে গাছের সংখ্যা এক বছরে তাৎপর্যমূলকভাবে বেড়েছে এবং জনগণ অধিকতর সংখ্যায় গাছ রোপণ ও অধিকতর মাত্রায় গাছের যতœ করছেন। জরিপে দেখা গেছে যে, ২০১১-১২ সালে প্রতি গৃহস্থালিতে গড়ে ৪৩টি বড় গাছ বিদ্যমান ছিল। ২০১০-১১ সালে প্রতি গৃহস্থালিতে এ গাছের গড় সংখ্যা ছিল ৪১। পরিকল্পিতভাবে গৃহস্থালিতে সৃষ্ট বনের মধ্যে ২০১১-১২ সালে গাছের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬ কোটি ৫০ লাখ। ২০১০-১১ সালে ওই সংখ্যা ছিল ৫১ কোটি ৮০ লাখ অর্থাৎ গৃহস্থালিতে পরিকল্পিতভাবে সৃৃজিত গাছগাছালির সংখ্যা বেড়েছে এক বছরে প্রায় শতকরা ২০ ভাগ। এ তথ্য প্রমাণ করে যে দেশের বিদ্যমান পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে পরিকল্পিতভাবে গৃহস্থালি পর্যায়ে অধিকতর গাছগাছালি রোপণ ও লালন করা সম্ভব। ২০১১-১২ সালে গড়ে প্রতি গৃহস্থালিতে ৩.৭ শতাংশ ভূমি বা জমির ওপর পরিকল্পিতভাবে গাছগাছড়া রোপিত ও বিদ্যমান ছিল। ২০১০-১১ সালে সকল গৃহস্থালির জন্য এই গড় ছিল ৩.৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে জনগণ প্রান্তিকভাবে অধিকতর জমি পরিকল্পিত বনায়নে প্রযুক্ত করেছেন।

২০১১-১২ সালে সারাদেশে ৩ কোটি ৫৮ লাখ ঘনফুট কাঠ গৃহস্থালিতে ব্যবহারের জন্য উৎপন্ন হয়েছে। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৭৭ লাখ অর্থাৎ এক বছরে গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত কাঠের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা ২৯ ভাগেরও বেশি। ২০১১-১২ সালে গৃহস্থালি পর্যায়ে উৎপাদিত জ্বালানি কাঠের পরিমাণ হয়েছিল ৫১৯১৮৩৫ টন, যার মূল্য প্রাক্কলিত হয়েছে ৪৬৫১ কোটি টাকা। ২০১০-১১ সালে গৃহস্থালি পর্যায়ে জ্বালানি কাঠের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪২৯০৬৫৪ টন অর্থাৎ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ কম। মূল্যের নিরিখে এ কমতির পরিমাণ ছিল শতকরা প্রায় ১৯ ভাগ কম। ২০১১-১২ সালে গৃহস্থালি প্রতি গড় উৎপাদিত জ্বালানি কাঠের পরিমাণ ছিল ১০৩৯ কেজি, যা ২০১০-১১ সালে ছিল ১০৬৮ কেজি। এর অর্থ প্রান্তিকভাবে জ্বালানি কাঠের উৎপাদন বাড়লেও গৃহস্থালি পর্যায়ে গড়ে গৃহস্থালির জন্য জ্বালানি কাঠের ব্যবহার কমে আসছে। টাকার মূল্যে গৃহস্থালি পর্যায়ে জ্বালানি কাঠের দাম প্রাক্কলিত হয়েছে ১০১৫৮ কেটি টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ৭৬৪ কোটি টাকা। ২০১১-১২ সালে বিক্রির জন্য গৃহস্থালি পর্যায়ে উৎপাদিত কাঠের পরিমাণ হয়েছিল প্রায় ১৩.১৬ কোটি ঘনফুট। ২০১০-১১ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৩.২৪ কোটি ঘনফুট। এর অর্থ গৃহস্থালিতে উৎপাদিত গাছগাছড়ার ক্রমাগত বেশি অংশ গৃহস্থালিতেই ব্যবহৃত হচ্ছে, বাজারে যাচ্ছে না। ২০১১-১২ সালে অবশ্য গৃহস্থালিতে উৎপাদিত সকল গাছগাছড়ার মূল্য প্রাক্কলিত হয়েছে ৫০২৪৯ কোটি টাকা বা ২০১০-১১ সালের উৎপাদনের তুলনায় শতকরা ৩.২ ভাগেরও কম। মূল্যস্ফীতি হিসেবে নিলে এই কমতির পরিমাণ আরও বেশি হয়। সার্বিকভাবে গৃহস্থালিতে ২০১১-১২ সালে উৎপাদিত কাঠের পরিমাণ ছিল ১৬.৭৪ কোটি ঘনফুট। এর মূল্য প্রাক্কলিত হয়েছে ৬০৪০৭ কোটি টাকা। এই উৎপাদন ও তার মূল্য ২০১০-১১ সালের তুলনায় প্রান্তিকভাবে বেশি। ২০১১-১২ সালে গৃহস্থালিতে উৎপাদিত রাবার লেটেক্সের পরিমাণ ছিল ১৫৫২ মেট্রিক টন। ২০১০-১১ সালে এর পরিমাণ ছিল ১০৩০৭ মেট্রিক টন। রাবার উৎপাদন সম্পর্কে এই পর্যায়ে প্রাপ্ত সংখ্যা দেশের মোট রাবার উৎপাদনের প্রতিফলক নয়। কেননা, দেশের রাবার উৎপাদনের প্রায় সর্বাংশই গৃহস্থালির বাইরে সংজ্ঞায়িত বন এলাকায় হয়ে থাকে। এই জরিপে এটাও বিদিত হয়েছে যে ৫ শতাংশ বা তার বেশি জমি সংবলিত গৃহস্থালির মধ্যে শতকরা ৮.১ ভাগে কোন গাছগাছালি নেই এবং মাত্র শতকরা ৩.১ ভাগ গৃহস্থালিতে পরিকল্পিতভাবে গাছগাছড়া রোপণ ও লালন করা হচ্ছে; শতকরা ২১.৬ ভাগ গৃহস্থালিতে বাড়ির বাইরে অপরিকল্পিতভাবে বেড়ে ওঠা বনরাজি রয়েছে। এই তিনটি তথ্য গৃহস্থালি পর্যায়ে অধিকতর ও বিস্তৃততর গাছগাছালি রোপণ ও লালনের বড় পরিধির বিদ্যমানতা নির্দেশ করে।

এ জরিপে প্রাপ্ত তথ্যাদির আলোকে এ সুস্পষ্ট হয়েছে যে বাংলাদেশে গৃহস্থালি পর্যায়ে শহরে এবং গ্রামে গাছগাছালির সংখ্যা বেশ কম। যে শ্যামল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি আমাদের সামনে যুগ যুগ ধরে ধরা আছে তা ক্রমান্বয়ে দ্রুতগতিতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জরিপে এটাও সুস্পষ্ট হয়েছে যে, গৃহস্থালি পর্যায়ে শহরে ও গ্রামে জ্বালানি কাঠের অভাব প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়ে আসছে। যদি এর সঙ্গে ফসল উৎসারিত খড়-কুটার জ্বালানি হিসেবে সরবরাহ কমে আসে তাহলে সার্বিকভাবে গৃহস্থালি পর্যায়ে জ্বালানির এ অভাব প্রকটতর হবে। এ জরিপে প্রাপ্ত এ সব তথ্যাদির ভিত্তিতে বাংলাদেশে গৃহস্থালি পর্যায়ে বনায়ন বিস্তৃতকরণের বা গাছগাছালির সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে কতিপয় পদক্ষেপ নেয়া জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক. গৃহস্থালি পর্যায়ে বনায়নকে ব্যাস্টিক ও সামষ্টিক কর্মসূচী ও দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। গৃহস্থালিতে লভ্য জমির পাশাপাশি গ্রাম, ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ের বিস্তৃত সড়কগুলোর দু’ধারে পরিকল্পিতভাবে বনায়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা চাঁদপুরের কচুয়া থানায় সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচী নামক এক অসরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১০ বছরে কয়েক কোটি টাকা কাঠ-গাছ রোপণ-পরিচর্যা করার পরে পরিপক্বতার চক্র অনুযায়ী সেগুলো বিক্রি করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বিতরণ করতে সমর্থ হয়েছি। এ কার্যক্রমের আওতায় সড়কের পাশের গ্রামে বসবাসরত স্বল্পবিত্ত বা বিত্তহীন পুরুষ ও নারীরা একেকজনে সড়কের দু’পাশে অসরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রোপিত নির্দিষ্ট সংখ্যক গাছের পরিচর্যা প্রায় ১০ বছর ধরে করেছেন এবং পরে সেসব গাছ বিক্রি করে যে আয় পাওয়া গেছে তার শতকরা ৬০ ভাগ নিজেরা নিয়েছেন, ২০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট অসরকারী প্রতিষ্ঠানকে গাছ কেটে নেয়া স্থানে আবার নতুন করে গাছ লাগাতে দিয়েছেন এবং বাকি ২০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদকে দিতে পেরেছেন। প্রতি বর্গমাইলের সড়ক নিবিড়তা বাংলাদেশে পৃথিবীর মধ্যে সবচাইতে বেশি। এ সব সড়কের দু’পাশে বন সৃষ্ট করলে তা কেবল সড়ক রক্ষণে নয়, যথা প্রয়োজন বনরাজি সৃষ্টি করে দেশের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বাড়ানোয় এবং অধিকতর বৃষ্টিপাত ঘটানোয় সহায়ক হবে। এ ধরনের কার্যক্রম দেশের সর্বত্র গ্রহণ করলে সামাজিক বনায়নের সঙ্গে গৃহস্থালির বনায়নও বিস্তৃত হবে। দুই. গৃহস্থালি বনায়ন সকল পর্যায়ে বাড়ানোর লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে নার্সারি বা বীজাগার প্রতিষ্ঠা করা কর্মানুগ হবে। সাম্প্রতিককালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি-নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়ার ফলে গ্রামবাংলার সকল এলাকায় নার্সারি স্থাপন শুরু হয়েছে। নার্সারি স্থাপনকে অধিকতর বিস্তৃত ও ত্বরান্বিত করে গৃহস্থালি ও সামাজিক বনায়নের জন্য প্রয়োজনীয় গাছের চারা সহজতর ও সুলভতরভাবে লভ্য হবে। তিন. দেশে জ্বালানি কাঠ এবং গৃহস্থালি নির্মাণ ও আসবাবপত্র নির্মাণে কাঠের ব্যবহার যৌক্তিকভাবে কমাতে হবে। এ লক্ষ্যে জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহারকে কমানোর জন্য ধানের তুষ ও খড়-কুটা মিশিয়ে আলকাতরার প্রলেপ দিয়ে অধিকতর শক্তিশালী জ্বালানি উৎপাদন ও ব্যবহার, সকল ইটের ভাটায় কাঠের পরিবর্তে দেশ থেকে আহরিত কয়লা প্রযুক্তকরণ, গৃহস্থালিতে বিশেষত শহরের গৃহস্থালিতে অনুরূপভাবে কয়লার ব্যবহার প্রচলিত ও বাড়ানো লক্ষ্যানুগ হবে। তেমনি বিজ্ঞান ও শিল্প সংস্থার গবেষণালব্ধ জ্বালানি সাশ্রয়ী চুলা ব্যবহার, বায়ো গ্যাস উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির দিকে নজর দিতে হবে। চার. আইন করে দেশে ফলদ গাছ সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ছাড়া কাটা নিষিদ্ধ করতে হবে। অনুরূপভাবে বনজ ও ভেষজ গাছ পরিপক্ব না হওয়ার আগে কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা কিংবা সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে হবে। শহরাঞ্চলে ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছের রোপণ ও পরিচর্যা বিস্তৃত এবং মালিকানা ও অবস্থান নির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট পৌরসভা কিংবা সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়া এ সব গাছ কাটা নিষিদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজনের মানদণ্ডে বাংলাদেশের বন-আবৃত ভূমির পরিমাণ অনেক কম। এ কমতির পরিমাণ কিয়দংশে বাড়ানো যেত যদি গৃহস্থালি পর্যায়ে বন-সম্পদ বা গাছগাছালি বেশি থাকত। পশ্চিমা ইউরোপের কতিপয় দেশে মালিকানা ও স্থান নির্বিশেষে গাছ কাটার ওপর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা ঈপ্সিত ফল দিয়েছে। পাঁচ. শহর ও গ্রামের গৃহস্থালি পর্যায়ে এবং অন্য কাজে প্রযুক্ত না হওয়া খালি জমিতে অধিকসংখ্যক গাছ রোপণ ও লালন করার অনুকূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপে এ ধরনের সামাজিক চেতনাবোধ প্রায় সে সব দেশের প্রায় সকল দেশের নাগরিকদের গাছ রোপণ ও লালন করার অনুকূলে প্রণোদিত করেছিল। ফলদ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপ লক্ষণীয় কম সময়ে একটি সবুজ আবাসন সংবলিত মহাদেশে রূপান্তরিত হয়। জমির স্বল্পতা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে এ ধরনের চেতনাবোধ হতে আমরা ঈপ্সিত মাত্রায় ও দ্রুততার সঙ্গে আবারও শ্যামল দেশে রূপান্তর ও রক্ষা করতে সক্ষম হব।

লেখক : সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী

প্রকাশিত : ৪ জানুয়ারী ২০১৫

০৪/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: