মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

অঙ্গারও শত ধৌতেন

প্রকাশিত : ২ জানুয়ারী ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কারা যুদ্ধাপরাধী তাদের সকলের চেহারা দেশের মানুষের মুখস্ত। ’৭১-এর দগদগে ক্ষত নিয়ে এখনও অনেকেই বেঁচে আছেন। এসব মানুষের সুন্দর চেহারার আড়ালে লুকিয়ে আছে বীভৎসতা, হঠকারিতা। ’৭১-এর হত্যাকারী, ধর্ষক, নির্যাতনকারী আর এটিএম আহজার রাজাকার আজহারের সম্পর্কে এক বীরাঙ্গনার স্বামী আদালতে এসে সাক্ষী দিয়েছেন। তুলে ধরেছেন কে এই আজহার কী ছিল তার স্বরূপ। কিন্তু মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেও এরা হঠকারিতা ছাড়তে পারেন না। কোথায় নিজের কৃতকর্মের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন তা না করে উল্টো সৃষ্টিকর্তাকে সাক্ষী রেখেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম মঙ্গলবার মৃত্যুদ-ের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, এটি ফরমায়েশি রায়, ফরমায়েশি, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আল্লাহর আদালতে আপনাদের বিচার হবে। এ সময় বিচারকরা রায়ের শেষ অংশ পাঠ করছিলেন। রায় পড়া শেষ হওয়ার পর তিনি আবার দাঁড়ান। দাঁড়িয়ে বলেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আল্লাহ ইনশাআল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন। এ কথাগুলো বলার পরপরই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এটিএম আহজারুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়া থেকে নিয়ে যান। এরপর তাকে ট্রাব্যুনালে অবস্থিত সাবজেলে নিয়ে যাওয়া হয়। রায় পড়ার সময় বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত তিনি ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় শান্তভাবে বসে ছিলেন। মৃত্যুদ-ের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন। বেলা দেড়টায় এটিএম আজহারকে ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন পর্যন্ত বিচার হওয়া দেশের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে আজহারের বীভৎসতা মনে করে এখনও কেঁপে ওঠেন অনেকে। রংপুর কারমাইল কলেজের ছাত্র থাকাকালে ’৭১-এ পাকিস্তান কায়েমের জন্য নারকীয় তা-ব চালায় এই শীর্ষ রাজাকার।

প্রকাশিত : ২ জানুয়ারী ২০১৫

০২/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: