আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বছর জুড়ে তথ্যপ্রযুক্তির সাফল্য

প্রকাশিত : ১ জানুয়ারী ২০১৫
  • ফিরোজ মান্না

২০১৪ সাল। বছরজুড়েই তথ্যপ্রযুক্তির (আইসিটি)’র ঈর্ষণীয় উন্নয়ন হয়েছে। শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়েছে দেশ। এ খাতে বিদায়ী বছরের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই ফাই স্থাপন, প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি কলসেন্টার ও দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে গড়ে তোলা হয়েছে ডিজিটাল ল্যাব। এর মাধ্যমে দেশের মানুষ ৪৫ ধরনের সেবা পাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আগ্রহ ভীষণভাবে বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে আইটি বিশেষজ্ঞ।

প্রযুক্তির আশির্বাদে মোবাইল ফোনে এখন কথা বলছেন দেশের ১১ কোটি মানুষ। ২০১৩ সালে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটিরও নিচে। বিদায়ী বছরে এই সংখ্যা সোয়া কোটি বেড়ে গেছে। মোবাইল ফোনে থ্রি জি’র (তৃতীয় প্রজন্মের) ইন্টারনেট সেবার দুয়ার খুলে গেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় দুই কোটি বেড়েছে। বিদায়ী বছরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটির ওপরে। সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে গঠন করা হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে আলাদা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে দেশের মানুষকে দক্ষ জনবলে পরিণত করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) নীতিমালাও-২০০৯ সংশোধন করা হয় গত বছরে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে এবারও বাংলাদেশ আইটিইউ কাউন্সিলর পদ লাভ করেছে।

ইউনিয়নে স্থাপিত মিনি কলসেন্টারে স্থাপিত কলসেন্টার থেকে গ্রামের মানুষ ৪৫ ধরনের সেবা পাচ্ছেন। এখান থেকে তারা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র, কৃষি তথ্য, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, পরীক্ষার ফলাফল, ভর্তি ফরম পূরণ, বিভিন্ন দফতরের তথ্য জানাসহ ৪৫ ধরনের সেবা জনগণের হাতে পৌঁছে গেছে বিদায়ী বছরে। আগের বছরে সেবার পরিমাণ আরও অনেক কম ছিল। বিদায়ী বছরে এর পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়েছে। যা গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনের মানের উন্নয়ন ঘটিয়েছে। একইভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই ফাই সুবিধা থাকায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে আগ্রহ বেড়েছে বহু গুণ। তারা ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা পেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে।

প্রযুক্তির উন্নয়নের উল্টো পিঠে আবার অন্ধকার রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদায়ী বছরে সাইবার ক্রাইমও ঘটেছে বেশি। সাইবার অপরাধী চক্রের কবলে পড়ে বিপন্ন হচ্ছে তরুণ-তরুণীদের জীবন। সাইবার ক্রাইম এখন শিল্প সাহিত্য অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম সাইট ফেসবুক হ্যাক করে ও মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা জি-মেইল এ্যাকাউন্ট ট্রাকিং করছে সংঘবদ্ধ চক্র। এর মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে অভিনব কৌশলে তাদের ব্ল্যাকমেইলিং করা হয়েছে। নিজের অজান্তে তারা এই ধরনের ফাঁদে পা দিয়েছেন। সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধী চক্রের এই ধরনের অনৈতিক কর্মকা-ের শিকার হওয়া তরুণ-তরুণীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগীরাই এমন তথ্য দিয়েছে। ঘুম রাজ্যের রাজকুমার ফেসবুক আইডি দিয়ে প্রতারিত করেছে তরুণ-তরুণীদের। এ জন্য তারা বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। ভুয়া আইডিও খোলা হয়েছে। বিদায়ী বছরে দেখা গেছে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং বিভিন্ন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। বিভিন্ন ভুয়া আইডিতে এরা অত্যন্ত সংগঠিত। দেয়া রয়েছে অশ্লীল ভাষায় কিছু পোস্ট ও ছবি। আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের নম্বর থেকে কল দেয়ার কারণে এটা স্পষ্ট, চক্রটির সঙ্গে বিদেশী সাইবার অপরাধচক্রেরও যোগাযোগ রয়েছে। তাদের বিভিন্ন সফটওয়ার রয়েছে।

ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গবর্ণমেন্ট ফেস-২ (ইনফো-সরকার) মাধ্যমে সচিবালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াই ফাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৪৮৭টি উপজেলা ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া ১৮ হাজার ১৩০টি অফিস ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির মধ্যে চলে আসবে আগামী বছরের জুনে। ৮শ’ অফিসকে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। কয়েক মাসের মধ্যে অফিসগুলো থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং করা যাবে। ২৫ হাজার ৮০৭টি ট্যাব দেয়া হচ্ছে সরকারী কর্মকর্তাদের। যে কোন স্থান থেকেই যেন তারা নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকেন। তখন একজন কর্মকর্তা ২৪ ঘণ্টাই দায়িত্বের মধ্যে থাকবেন। প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আধুনিক করার জন্য সচিবালয়কে ফ্রি ওয়াই ফাই সংযোগের আওতায় আনা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে ইনফো সরকার ফেজ-২’র মাধ্যমে। ২০১৬ সালের মধ্যে ডিজিটাল উইন্ডো প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সব ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য কমে যাবে। তখন দেশের অর্থনীতিক বৈষম্যও অনেকটা দূর হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় একীভূত করে নাম রাখা হয় ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। নতুন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে দুটি আলাদা ডিভিশন করা হয়। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০১০। এরপর ২০১৩ সালে অধিকতর সংশোধন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০১৩ (সংশোধন) প্রণয়ন করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশের কৌশলগত অগ্রাধিকার, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, সাইবার নিরাপত্তা নীতি-২০১০, তথ্য নিরাপত্তা পলিসি গাইডলাইনস, ই-সেবা বিধিমালা, ফেলোশিপ ও বৃত্তি প্রদান এবং উদ্ভাবনীমূলক কাজের জন্য অনুদান প্রদান সম্পর্কিত নীতিমালা-২০১৩’ প্রণয়ন, সরকারী-বেসরকারী অংশীদার নীতি ও বিধিমালা-২০১০, গ্রামীণ সংযোগ নীতি বিধিমালা-২০১০, ব্রডব্যান্ড নীতি, মোবাইল কিপ্যাড স্টান্ডারাইজেশন পলিসি, ই-গবর্নেন্স এর জাতীয় কৌশলপত্র, ইউটিলিটি বিল প্রদানের বিধিমালা, ই-কৃষিনীতি, স্বাস্থ্যনীতি, জাতীয় ই-গবর্নেন্স আর্কিটেকচার, মোবাইল ব্যাংকিং বিধিমালা, জাতীয় টেলিকম নীতি-২০১০ সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় এ বছরেই।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় লার্নিং এ্যান্ড আর্নিং প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করেছে। প্রথম ধাপে ১৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা হয় এই প্রকল্পের মাধ্যমে। দ্বিতীয় ধাপে ৫৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির কর্মসূচী চলছে। ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য থেকে ২ হাজার অনট্রাপ্রেনর তৈরির লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সার টু অনট্রাপ্রেনর কর্মসূচী চালু করা হয়েছে। ন্যাশনাল লেভেল মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম নামে আধুনিক ও সময়োপযোগী এই প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়। বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হচ্ছে ৮ কোটি টাকা।

মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘বাড়ি বসে বড়লোক’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে মেয়েদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা হচ্ছে। তারা বাড়ি বসেই আয় করতে পারবেন। প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত দেশের ১৯টি উপজেলায় ১৯টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামের ১০৬০ জন তরুণ-তরুণীকে আইটিতে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মহিলারা কিভাবে সাংসারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আইসিটি আইন ২০১৩ ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য ২০১৪ সালের এপ্রিলে সাইবার নিরাপত্তা কর্মসূচী চালু করা হয়। ২০১৫ সালে এ কর্মসূচী শেষ হবে। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। নাটোরে ফ্রিল্যান্সার ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ই-কমার্স মেলা আয়োজন করে আসছে। ২০১৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ ই-বাণিজ্য মেলায় প্রাবাসী বাঙালী ও বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশে তৃণমূল থেকে শুরু হওয়া ডিজিটাইজেশন বিশেষ করে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি) এবং জেলা ও উপজেলা ই-সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় ই-সেবা পৌঁছে দেয়া হয়েছে, সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। ২০১৪ সালে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ দেশের বিভাগীয় শহর ও নিউইয়র্কে ই-কমার্স মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তৃণমূল পর্যায়ে আইসিটি শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কর্তৃক ৩১৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ‘ভার্চুয়াল ডেস্কটপ কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক ল্যাব স্থাপন পাইলট কর্মসূচী’ শীর্ষক দুটি কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয়। এ দুটি কর্মসূচীর আওতায় মোট ৩৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে। কর্মসূচী সম্পন্ন হলে মোট কম্পিউটার ল্যাবের সংখ্যা হবে ৩৫৪৪টি। আইসিটি গ্রাজুয়েটদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ১২টি ব্যাচে সর্বমোট ২৭৮৮ জন আইসিটি গ্রাজুয়েট বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছে। বিসিসি কর্তৃক আইসিটি প্রশিক্ষণে ১৮ হাজার প্রশিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বেসিক আইসিটি স্কিল ট্রান্সফার আপ টু উপজেলা লেভেল প্রকল্পের মাধ্যমে ১২৬০ জন শিক্ষক মাস্টার ট্রেইনার, ৩৮৮৫ জন শিক্ষক এবং ৭০,০০০ ছাত্রছাত্রীদের আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ৪৫১৬টি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রসমূহ পরিচালনার জন্য নিয়োজিত ৫৬৭০ জন উদ্যোক্তাদের কম্পিউটার বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিসিসি বিনা ফিতে আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। ইতোমধ্যে ১০৪ জন প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা কার্যক্রমসহ সরকারের অন্যান্য কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার জন্য বিসিসিতে একটি ঞরবৎ-৩ জাতীয় ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে এ ডাটা সেন্টারে ১৬০টি সরকারী ওয়েবসাইট, ৬৮টি মেইল হোস্টিং সার্ভিস, ন্যাশনাল ই-সার্ভিস হোস্টিং সার্ভিসসহ নানাবিধ সেবা ডাটা সেন্টার হতে প্রদান করা হচ্ছে।

প্রকাশিত : ১ জানুয়ারী ২০১৫

০১/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: