কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য কণিকা

প্রকাশিত : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪

ভাল ঘুমের জন্য

ঘুম সম্ভাবত আপনার স্বাস্থ্যের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। ঘুম আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ঠিক রাখে। ঘুম পরিপাক তন্ত্রকে ঠিক রাখে। স্মৃতি শক্তিকে অক্ষুণœ রাখে, সজাগ্রতা ও চলন-বলন ঠিক রাখে।

আপনাকে তাই মনে রাখতে হবে আপনার জীবন ভঙ্গিমা আপনার জন্যে আপনার ঘুমের জন্য সহায়ক অথবা অসাহায়ক। এখানে কিছু সহজ উপয় বলা হলোÑ

১। সব সময় একই সময়ে ঘুমাতে যান। আপনার ঘুমের সময় ও উঠবার একটি মস্তিষ্ক-এ্যালার্ম তৈরি করে।

২। ঘুমানোর আগে সাদা ও তীব্র আলো পরিহার করুন। সাদা আলো আপনার মস্তিষ্কে দিনের আলোর অনুভূতি এনে দেয়, ঘুম আনতে দেয় না।

৩। জানবেন আপনার শয্যা শুধু ঘুম ও সেক্সের জন্যে। অন্য কিছুর জন্য নয়।

৪। ঘুমের আগে প্রার্থনা করা ভাল অভ্যাস। শিথিল করুন দেহ-মন।

৫। ঘুম পাতলা হলে কানে কানে বদ্ধ লাগাতে পারেন। তাহলে অল্প শব্দতে ঘুম ভাঙ্গবে না।

ব্রেন ধ্বংসকারী সব অভ্যাস

এটা তো ঠিক আপনার মস্তিস্ক আপনার দেহ যন্ত্রের অন্যতম একটি অঙ্গ। অথচ আমাদের বিভিন্ন কুঅভ্যাসের কারণে আমাদের মস্তিস্ক দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভ্যাসগুলো বর্ণিত হলোÑ

১। যদি আপনি সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু সকালের নাস্তার কার্বোহাইড্রেট সারা দিনের আপনার ব্রেনের গ্লুকোজ সরবরাহ করে থাকে।

২। চিনি : আপনার রক্তে অধিকতর চিনি শরীরে প্রোটিন ও পুষ্টি গ্রহণ কমিয়ে দেয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্রেন।

৩। ধূমপান : ধূমপান ব্রেনের চিন্তাশক্তিকে ধ্বংস করে এমনকি যারা ধূমপায়ী পাশে থাকে তাদেরও।

৪। অতিভোজন : অতিভোজন ব্রেনের শিরা-উপশিরাগুলোকে মোটা করে, ফলে ব্রেনের ধার কমে যায়।

৫। ঘুমহীনতা : ঘুম মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়। ঘুমহীনতা তাই ব্রেন ক্ষতির অন্যতম কারণ।

৬। বায়ুদূষণ : বায়ুদূষণে ব্রেনে অক্সিজেন কমে যায়, ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়।

৬। মাথা ঢেকে শোয়া : লেপ বা বালিশে মাথা ঢেকে যারা শুয়ে থাকে তাদের শরীরের নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হবার পথ পায় না ফলে জমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইড আপনার ব্রেনের ক্ষতি করে।

৭। অসুস্থতার সময় মস্তিস্কে কাজ : অসুস্থতার সময় ব্রেনের শিরা-উপশিরাগুলো কোঁচকানো থাকে, ফলে অুসস্থতার সময় কোন মানসিক বা শারীরিক কাজ এমনকি পড়াশোনা ব্রেনের ক্ষতি করে।

৮। অল্প পানি খাওয়া।

৯। অল্প কথা বলা : অল্প কথা বলা ভাল শুনালেও ব্রেনের ওপর সামাজিক আদানপ্রদানের কিন্তু একটি প্রভাব আছে। একেবারই কথা বললেন না আপনার মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলো।

সর্দিকাশি নিরাময়ে সহজ উপায়

১। প্রচুর ঘুমান। ৮ ঘণ্টা ঘুমাবেন রাতে।

২। ভিটামিন খান। মাল্টিভিটামিন আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

৩। প্রচুর পানি খান। পানি বেশি খেলে ভাইরাস চলে যায়।

৪। বেশি এ্যালকোহল পান করবেন না, এ্যালকোহল রোগ প্রতিরোধকে দুর্বল করে।

৫। স্ট্রেসে ভুগবেন না তাহলে বেশি বেশি সর্দিকাশিতে আক্রান্ত হবেন।

প্রকাশিত : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪

৩০/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: