মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা ইন্দোনেশিয়া থেকে নিখোঁজ বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৪
উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা ইন্দোনেশিয়া থেকে নিখোঁজ বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ইন্দোনেশিয়া থেকে নিখোঁজ এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১ বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ সুমাত্রার বেলিতাং থেকে ৮০-১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ন্যাশনাল সার্চ এ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সির (বাসারনাস) এক কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। খারাপ আবহাওয়া এবং রাত হয়ে যাওয়ায় রবিবার নিখোঁজ বিমানটির অনুসন্ধান কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হয়। ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের কয়েকটি বিমান নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে কালিমানতান (বোর্নিও) এলাকায় এবং জাভা সাগরের মধ্যে তল্লাশি চালায়। তবে তল্লাশি অভিযান স্থগিত রাখলেও রাতে কয়েকটি জাহাজ বিমানটির সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রাখে। আজ সোমবার আবার অনুসন্ধান অভিযান শুরু করা হবে।

বাসারনাসের মুখপাত্র সুপ্রিয়ান্দির উদ্ধৃতি দিয়ে আনতারা নিউজ এজেন্সি রবিবার জানায়, সংস্থাটি বেলিতাংয়ে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঝড়ো হাওয়া এড়াতে বিমানটি বেলিতাংয়ের কাছে সাগরের ওপর কয়েকবার চক্কর দিয়ে পরে বিধ্বস্ত হয়ে সাগরে পড়ে।

ইন্দোনেশিয়ার এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, এখন পর্যন্ত কোন ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়নি। এয়ার এশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টনি ফার্নান্দেস বলেন, বিমান নিখোঁজের ঘটনায় আমরা হতাশ। বিমান নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা এটির কোন সন্ধান পাইনি।

বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নিখোঁজ বিমানের যাত্রীদের উদ্বিগ্ন স্বজনরা বিমানটি এবং স্বজনদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছেন কিন্তু তাঁরা কোন তথ্যই পাচ্ছেন না। বিমানবন্দরে ক্রাইসিস সেন্টারে যাত্রীদের স্বজনরা মোবাইলে বিমান সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায় কিনা সেদিকেই মনোযোগী। তাঁরা বিমানের খোঁজ নেয়ার পাশাপাশি বন্ধু ও স্বজনদের সংবাদ জানানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পার হলেও বিমানের কোন সন্ধান না পাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কর্মকর্তাদেরও কোন ধারণা নেই, আসলে বিমানটির ভাগ্যে কি ঘটেছে।

বিমানটি খুঁজে বের করতে সব রকম চেষ্টাই করা হচ্ছে বলে যাত্রীদের স্বজনদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন বিমানের কর্মকর্তারা। পূর্ব জাভার গবর্নর সোয়েকারও, সুরাবাইয়ার মেয়র ত্রি রিশমাহারিনি এবং এয়ার এশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টনি ফার্নান্দেস এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে এয়ার এশিয়ার কোন বিমান নিখোঁজ হয়নি বলেও এ সময় উল্লেখ করে কর্মকর্তারা।

কিউজেড৮৫০১ ফ্লাইটের যাত্রীদের পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের জন্য একটি জরুরী লাইন চালু করেছে। স্বজনদের খোঁজ জানতে ইন্দোনেশিয়ার জুয়ান্দা বিমানবন্দর ও সিঙ্গাপুরের চাংগি বিমানবন্দরে বহু স্বজন জড়ো হয়েছে। চাংগি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের স্বজনদের জন্য একটি সেবা কেন্দ্র চালু করেছে। এই কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৪৭ জন উপস্থিত হয়েছেন। তাঁদের মানসিক সান্ত¡না দিতে বেশকিছু কাউন্সেলর নিয়োজিত রয়েছেন। এর আগে ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ার এশিয়ার বিমানটি রবিবার নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে ১৬২ আরোহী ছিল। (পূর্ববর্তী খবর ৫-এর পৃষ্ঠায়।)

প্রকাশিত : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৪

২৯/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: