কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধা গফুরের কপালে জোটেনি রাষ্ট্রীয় খেতাব

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা ও বীরত্বের কারণে রাষ্ট্রীয় খেতাব বা পদক প্রদান করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করা হলেও প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন শেরপুর অঞ্চলের কোম্পানি কমান্ডার গফুর বাহিনী প্রধান আবদুল গফুর (৬৯)। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৩ বছর পরও অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনকারী ওই যোদ্ধার সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় ক্ষুব্ধ অনেকেই। তবে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ নন যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর। তাঁর মতে, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশটা স্বাধীন করতে পেরেছি এটাই জীবনের বড় পাওয়া।’ অসম সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী উত্তরবন্দ গ্রামের উমির উদ্দিনের ছেলে। দুই সন্তানের জনক এ বীরযোদ্ধা স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এখন বসবাস করছেন নিজ গ্রামের বাড়িতেই। বিয়ে দিয়েছেন ছেলে-মেয়ে উভয়কেই। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন আর বাইরে খুব একটা বেরোন না। নিজ বসতবাড়িতে যুদ্ধ দিনের স্মৃতিচারণা করে তিনি জানান, ১৯৭১ সনের মে মাসে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তিনি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডালুতে আশ্রয় নেন এবং মুক্তিবাহিনীতে নাম লেখান। পরে তুরা জেলার রংরাম অঞ্চলে হাবিলদার মেজর রণজিৎ সিং এবং প্রতাপ সিংয়ের তত্ত্বাবধানে কঠোর ট্রেনিং নেন। ট্রেনিং শেষে তাঁর নেতৃত্বে ১৬০ মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে তাঁর নামে ‘গফুর বাহিনী’ গঠন করা হয়। জুলাই মাসে তাঁর বাহিনী শ্রীবরদীর কর্ণঝোড়া এলাকায় প্রথম হামলা চালিয়ে সেখানে পাহারারত রাজাকার বাহিনীকে হটিয়ে দেয়।

Ñরফিকুল ইসলাম আধার,

শেরপুর থেকে

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪

২৭/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: