মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আজব হলেও গুজব নয়

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪
  • মারামারি উৎসব

মানুষের সঙ্গে মানুষের ঐক্য স্থাপনের অব্যর্থ তরিকা উৎসব। তাইতো পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে হরেক ধরনের উৎসব প্রচলিত। আর এই উৎসবগুলোর সৃষ্টিও হয়েছে এক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। যেমন, ধরা যাক পেরুর মারামারি উৎসবের কথাই। প্রতিবছর দেশটির চুমবিভিলকাস প্রদেশে এই উৎসব পালিত হয়। কুসকো অঞ্চল নামে খ্যাত ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত আন্দিস পর্বতমালায় বড়দিন উপলক্ষে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। তবে উৎসবটি শুধু মারামারির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। গান-বাজনা, নৃত্য-গীত, পানীয় এবং রংবেরঙের পোশাক সবকিছু মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে ওঠে মনোমুগ্ধকর। পেরুর স্থানীয়দের বিশ্বাস মতে, মানুষের মধ্যেই থাকে শয়তান, আর সেই শয়তানকে মানব শরীর থেকে বের করতে না পারলে মানুষ নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। শয়তান বের করে দেয়ার প্রতীকী রূপ হিসেবে তাই বছরে একবার এই মারামারির আয়োজন করা হয়। নতুন বছরে যেন পরস্পরের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি ফিরে আসে, সেই উদ্দেশ্যই থাকে এই উৎসবের মূল।

১৯৯০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেলিভিশন চ্যানেল এই উৎসবটি নিয়ে একটি অনুষ্ঠান করে। আর এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই পৃথিবীর মানুষ সর্বপ্রথম মারামারি উৎসব সম্পর্কে জানতে পারে। তবে এই উৎসবটি ১৯৬৬ সাল থেকে পেরুতে প্রচলিত হয়। ফাদার দানিয়েল ও’ক্যাফে এই উৎসবটি চালু করেন, যদিও প্রথমদিকে এটি শুধু ও’ক্যাফে পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। প্রতিবছর নিয়ম করে এই পরিবারটি নিজেদের বিশ্বাস মোতাবেক উৎসবটি পালন করত। পেরুর স্থানীয়দের ভাষায় এর নাম ‘ফেস্টিভুস’, কিন্তু মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি দেখানোর পর বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎসবটি ছড়িয়ে যেতে সময় লাগেনি। আর যেহেতু অনুষ্ঠানটি বড়দিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত তাই তা ছড়িয়ে যেতেও সময় লাগেনি।

বড়দিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হলেও পেরুর সামাজিক জীবনে এর গভীর ছাপ রয়ে যায়। প্রতিবছর তারা নিজেদের সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সমস্যার মুখোমুখি হয়ে তাকে পরাস্ত করে নতুনের সূচনা করার যে রীতি তা পেরুর জনজীবনে নতুন এক দিকের সূচনা করে। প্রথমদিকে শুধু হাতাহাতির মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তীতে মার্শাল আর্টসহ শারীরিক বিভিন্ন কসরতের প্রক্রিয়া চালু হয়ে যায়। প্রতিটি মারামারিই শেষ হয় করমর্দন এবং কোলাকুলির মাধ্যমে।

পৃথিবীর বেশিরভাগ উৎসবের চিত্রই যদি আমরা খেয়াল করে দেখি, তাহলে কিছু বিষয়ে আমরা মিল দেখতে পাব। এরমধ্যে অন্যতম হলো ‘করমর্দন’ এবং ‘কোলাকুলি’। কোলাকুলির মাধ্যমে যে মানুষ মানুষের আরও কাছে চলে আসে এই চিরন্তন পরীক্ষিত সত্যটিকে একেক সভ্যতা ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে বুঝতে সমর্থ হয়েছে। তাই প্রায় প্রতিটি উৎসবেই আমরা কোলাকুলি এবং করমর্দনের রীতি দেখতে পাই।

বোমা হামলায় পাখি

বিশ্বব্যাপী জঙ্গী সংগঠনগুলোর হামলা চালানোর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর উপায় আত্মঘাতী বোমা হামলা। এতদিন এ কাজে মানুষকে ব্যবহার করা হলেও, এবার চেষ্টা চলছে পাখিকে ব্যবহারের। আফগানিস্তানের পুলিশের সন্দেহ তালেবান জঙ্গীরা এ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি আফগান পুলিশ একটি পাখিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং পাখিটির গায়ে বিস্ফোরক দ্রব্য, জিপিএস ট্র্যাকার ও একটি ডেটনেটর বাঁধা ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে।

আফগান পুলিশের বরাত দিয়ে ‘দ্য ডেইলি মেইল’ জানায়, পাখিটির পালকের নিচ থেকে তার বেরিয়ে ছিল। তাছাড়া, এর দেহের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন ডেটনেটর ও বিশেষভাবে তৈরি ‘বিস্ফোরক বেল্ট’ও বাঁধা ছিল। আফগানিস্তানের উত্তরের প্রদেশ ফারইয়াবের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তারা তুর্কেমেনিস্তান সীমান্তের কাছে আকাশে অদ্ভুত ধরনের একটি পাখি দেখে সন্দিহান হয়ে ওঠেন। তাছাড়া, এমন বিশাল আকারের পাখি ওই এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না বলেও তাদের সন্দেহ আরও বাড়ে। ‘এনবিসি নিউজ’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আফগান পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল নবী ইলহাম বলেন, ‘পাখিটিকে গুলি করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বিস্ফোরিত হয়। ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়া পাখির দেহাবশেষের সঙ্গে অদ্ভুত ধরনের যন্ত্রাংশও দেখা যায়।’ ‘আমরা সমস্ত যন্ত্রাংশ এক জায়গায় জড়ো করি। তার মধ্যে আমরা জিপিএস ও ছোট ক্যামেরার যন্ত্রাংশের মতো কিছু জিনিস দেখতে পাই।’

চিংড়ির ওজন ১২ পাউন্ড

খবরটি শুনে ভিমড়ি খাওয়ার মতোই অবস্থা। একটি চিংড়ির ওজন ১২ পাউন্ড বা প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি! সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার এক জেলে এমন অতিকায় এক চিংড়িকে জালে বন্দী করেছিলেন। চিংড়িটির একটি ভিডিও ইউটিউবে ছেড়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সেই জেলে। চিংডিটি ধরার অভিজ্ঞতা জানাতে তাকে সম্প্রতি ডিসকোভারি চ্যানেলের ‘ন্যাকেড এ্যান্ড এফ্রেইড’ নামের একটি রিয়েলিটি অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছিল। সমুদ্রবিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন চিংড়িটির বয়স প্রায় ৭০ বছর হতে পারে। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় একটি মেরিন সেন্টারে দেখানোর পর তিনি প্রাণিটিকে আবার প্রশান্ত মহাসাগরে ছেড়ে দিয়েছেন।

সাত-সতেরো প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪

২৬/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: