রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

তরুণ আন্দোলনের গতি

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪
  • আবুল ফজল

মানুষের জীবনে শুধু মানুষের কেন, প্রত্যেক জিনিষের জীবনে সৃষ্টি হইতেছে বড় কাজ- বাঁচিয়া থাকিবার একমাত্র উপায়। প্রত্যেক জীবন্ত জিনিষ এই নূতন সৃষ্টির দুঃসাধ্য সাধনে মশগুল। যেখানে কারণে বা অকারণে সৃষ্টির দরজা বন্ধ হইয়া আসিয়াছে, সেখানে মৃত্যু ঘনাইয়া আসিয়াছে বলিতে হইবে। ব্যক্তির জীবনে যাহা খাঁটি, জাতির জীবনে তাহা ব্যাপকভাবে খাঁটি। একদিন নব নব সৃষ্টির সাধনায় মানুষের চিন্তা রাজ্যে গ্রীকেরা প্রভুত্ব করিয়া গিয়াছে; প্রাচীন ভারতের আর্য্যসভ্যতা মানুষের মনোরাজ্যে জ্ঞান পরিবেশন করিয়া গিয়াছে, আরব ও পারস্যের সংমিশ্রণে যেই অপূর্ব্ব সারাসিন সভ্যতার জন্ম হইয়াছিল, তাহা বহু শতাব্দী ধরিয়া মানুষের চিন্তা ধারার নিয়ন্ত্রণ করিয়াছে। কিন্তু নব নব সৃষ্টির দীপ শিখাকে কেহই নিত্যকালের জন্য সজাগ রাখিতে পারে নাই। তাই সকলের মরণ আসিয়াছিল, দেহে না হইলেও মনেতে বটে।

আজ ইউরোপ আমেরিকা বিশ্বের মনোরাজ্যের প্রভু। ইহা শুধু গায়ের জোরে নয়Ñ নব নব উন্মেষশালিনী প্রতিভার নব নব সৃষ্টিতে। গায়ের জোরে মানুষের দেহের প্রভু হওয়া যায়, মনের নয়। আজ দেহে মনে আমরা ইউরোপের বন্দী। জীবনের গতিপত নির্দ্দেশের জন্য আমাদিগকে হাঁ করিয়া তাকাইয়া থাকিতে হয় পশ্চিমের দিকে। নূতন সৃষ্টির জন্য যে অপরিসীম সাধনা, যে নির্ম্মম বেদনা ও কৃচ্ছ্র সাধনার দরকার, তাহা করিবার শক্তি যেন আমাদের নাই। আমরা দেহ মনে দুর্ব্বলÑ কিন্তু দেহের চাইতেও মনে ভয়ানক দুর্ব্বল। মন আমাদের বেদনা সহ্য করিতে অক্ষমÑ কাঁটা পথে চলিতে শক্তিহীন। আজ ইউরোপ কী দুঃসাধ্য সাধনে ব্রতী। তাহারা আজ সাগরে ডুব দিতে দ্বিধাহীন, আকাশে উড়িতে সঙ্কোচহীন, হিমালয়ের চূড়া লঙ্ঘন করিতে দৃঢ়সংকল্প। কৌতূহল বিচার (বীঢ়বৎরসবহঃ) ও সাধনা এই তিনটি জিনিষ নূতন সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য্য। এই তিনটি জিনিষের উপর ভর দিয়া আজ পশ্চিম বিশ্বজয়ী। পশ্চিমের সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন প্রভৃতি এই তিনটি জিনিষকে ভিত্তি করিয়া গড়িয়া উঠিয়াছে। আমাদের সমাজে নায়েবে রসুল যাঁহারা ছিলেন, তাঁহারা বর্ত্তমানে হইয়া উঠিয়াছেন এক একটা নায়েবে খোদা, তাঁহাদের মতের খেলাফ কোন কথা হইলে অমনি তাঁহাদের অমোঘ অস্ত্র ফতোয়া ‘কাফের হো গেয়া।’ ইহারা বুঝেন না, মানুষ কি চিরদিন অতীতের নির্দ্দেশিত পথ ধরিয়া চলিবে? মানবেতিহাসে এই চৌদ্দশত বৎসরের সাধনা কি মুসলমানের জন্য একেবারে ব্যর্থ হইবে? সমগ্র জাতি নিচয়ের সম্মিলিত চেষ্টায় মানব সভ্যতার সমুন্নত মত পথগুলিকে শুধু আমাদের অতীতের সঙ্গে মিলে না বলিয়াই কি আমরা অস্বীকার করিয়া বসিব? যাঁহাদের মস্তিস্ক সজীব, তাঁহারা নিত্য নূতন নূতন পথে জ্ঞানের অভিযান চালাইবেন। নূতন নূতন পথের আবিষ্কার করিবেন, ইহাতে যদি অতীতের বিরুদ্ধতা হয়, তাহাতে কিছু আসিয়া যায় না। অতীতের বিরুদ্ধতা মুসলমানের জন্য বড় ক্ষতির কথা নয়। কিন্তু অতীতকে আঁকড়িয়া ধরিয়া তাহার জীবনে চলার পথে একটা ফুলস্টপ দেওয়াই তাহার পক্ষে মারাত্মক। অতীতকে অস্বীকার করিতে আমি বলি না। কিন্তু অতীতের দিকে ফিরিয়া যাওয়াতেই আমার আপত্তি। অতীতের কাছে যতখানি আলো পাওয়া যায় তাহা আমি হৃদয় ভরিয়া গ্রহণ করিতে প্রস্তুত কিন্তু পুরাতনের গৌরব দিয়া তাহার অন্ধকারকে নিতে আমি রাজী নই। ইসলামের আবির্ভাব হইতে এই চৌদ্দশত বৎসরের মধ্যে মানুষের জীবনে এবং জ্ঞানে অনেক উন্নতি হইয়াছে। কাজেই অতীতের সঙ্গে আধুনিক মানুষের জীবন যাত্রার বিরুদ্ধতা অনিবার্য্য। পিতামহেরা যে পথে ঘোড়ায় চড়িয়া দুই দিনে অতিক্রম করিতেন, আমরা যদি আজ তাহা মোটরে অর্ধ্বদিনে বা এরোপ্লেনে এক ঘণ্টায় অতিক্রম করি, ইহাতে পিতামহের ট্রাডিশন ভঙ্গ করা হয় সত্য, কিন্তু অপরাধ করা হয় না, একথা সকলেই বুঝে। জীবন্ত প্রাণবাণ মানুষের মন ও মস্তিষ্ক অনুসন্ধিৎসু। কোন একটা জিনিষকে যে কোন প্রকারে পাইয়া তাহার তৃপ্তি নাই। তাহার সত্য পরিচয় অনুসন্ধানেই তাহার আনন্দ। জার্ম্মান দার্শনিক নিট্শে বলিয়াছেনÑ‘ওভ ুড়ঁ ফবংরৎব ঢ়বধপব ড়ভ ংড়ঁষ ধহফ যধঢ়ঢ়রহবংং, নবষরবাব, রভ ুড়ঁ ধিহঃ ঃড় নব ধ ফরংপরঢ়ষব ড়ভ ঃৎঁঃয, ংবধৎপয,’ এই অনুসন্ধিৎসাই মানুষকে সত্যের পথে টানিয়া লইয়া যায়। বিশ্বাস করিয়া মানুষের সুখ আছে জানি, কিন্তু সত্যের অনুসন্ধানে বা সত্যকে আবিষ্কার করিয়া মানুষের যে সুখ, যে আত্মপ্রসাদÑতাহার তুলনা নাই। সন্দেহই জ্ঞানের গোড়াÑএইত বড় বড় দার্শনিকদের কথা। সন্দেহ হইতে মানুষের মনে অনুসন্ধিৎসা জাগে। আজ মুসলমান ছেলের মনে জীবনের বড় কিছু সম্বন্ধে সন্দেহ জাগিতে পারে না। সন্দেহ জাগিলে তাহার গলা টিপিয়া ধরা হয়। এইভাবে তাহার জ্ঞান আহরণের সদর দরজাই বন্ধ পড়িয়া গিয়াছে। একটা উদাহরণ দেই। পিতা পিতামহ বিশ্বাস করেন, খোদা এক। ধর্ম্ম শাস্ত্র বলে খোদা এক। ব্যস্, আমিও বিশ্বাস করিÑ খোদা এক। এইত আমাদের জ্ঞান। কিন্তু খোদা নাই বা খোদা একাধিক, এই সন্দেহ কোন মুসলমান ছেলে প্রকাশ করিলে তাহার কি আর নিস্তার আছে! অনুসন্ধানের ভিতর দিয়া তাহার সত্যে পৌঁছার পথে এই যে বাঁধার সৃষ্টি করা হইল, ইহাতে তাহার ক্ষতি ছাড়া কি কোন লাভ হইল? এই প্রশ্ন হইতে যদি মানুষের চিন্তা ক্ষেত্রে আর একটি নূতন সত্য পাওয়া যায়, তাহাতে গৌরব ঢের বেশী।

একথা কথা বড় বেশী শোনা যায়। বহু দিন হইতে দেশে অসংখ্য মাদ্রাসা চলিয়া আসিতেছে, এবং বছর বছর তাহা হইতে অসংখ্য ছাত্র পাশ করিয়া বাহির হইতেছে। শরিয়তের সব কিছুই তো এখানে পড়ান না। তথাপি জ্ঞানের ক্ষেত্রে ইহারা নূতন কিছু দান করিতে পারিতেছেন না কেন? শরিয়তের বিধি নিষেধগুলিরও আধুনিক জীবনের মতবাদ অনুযায়ী ইহারা কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেন না কেন? ইহার উত্তরÑ-ইহাদের মনে জ্ঞান ও চিন্তার গোড়া সন্দেহ জাগিতে পারে নাই। ইহারা যখন পড়িতে আরম্ভ করেন, তখন তাঁহাদের মনে এই শিক্ষা ও সংস্কার বদ্ধমূল হইতে দেওয়া হয় যে, এই আরবী ফারসী কেতাবে যাহা কিছু লিখিত আছে, তাহা অলঙ্ঘনীয় সত্য। ইহার কোন বিষয়ে তিলমাত্র সন্দেহের স্থান নহে। যাহার মনে সন্দেহ জাগে, সে গুনাহগার। এমনি করিয়া মুসলমানের জ্ঞানের উৎসকে রুদ্ধ করিয়া রাখা হইয়াছে।

কোরানে ও হাদিসে শুধু সাময়িক সমস্যা সমাধানের জন্য বহু আয়েত নাজেল হইয়াছে, বহু হাদিস বলা হইয়াছে। কিন্তু তাহা দেশকাল পাত্র ভেদে নিত্যকালের জন্য প্রয়োজন হইবে এমন কি কথা আছে? সুদ দেওয়া নেওয়া হয়ত একদিন হারাম করা দরকার ছিল, কিন্তু আজ ত দেখা যাইতেছে, সুদ ছাড়া মুসলমান চলিতে পারে না। পৃথিবীর কোন বড় ব্যবসায় বাণিজ্য বর্ত্তমানে সুদ দেওয়া নেওয়া ছাড়া অচল। ব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় আজকাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলিতেছে, অথচ ব্যাঙ্কের গোড়া হইল সুদ। কোরান কি কারণে কি পারিপার্শ্বিক ঘটনার জন্য সুদ হারাম করিয়াছিল, সে সব চিন্তা না করিয়া কোরান হারাম করিয়াছে, শুধু এই দলিলকে নিত্যকালের জন্য ধরিয়া লইয়া মুসলমানের অর্থনৈতিক উন্নতিকে প্রতিহত করিয়া দিবার কি হেতু আছে?

চিত্র শিল্পকে নাকি ইসলাম হারাম করিয়া দিয়াছে। পৃথিবীর হয়ত এমন অন্ধকার যুগ ছিল, যে সময় মানুষ যে সে চিত্রকে পূজা করিয়া বসিত। কামাল পাশার ন্যায় আমরাও কি আজ বলিতে পারি না- ‘পৃথিবী সে যুগ পার হইয়া আসিয়াছে।’ মোগল যুগে শাস্ত্রবাণীকে উপেক্ষা করিয়া চিত্রশিল্প ও সঙ্গীত চর্চা বাড়িয়া উঠিয়াছিল-তাহাতে মানুষের অমঙ্গল হয় নাই। সে যুগের মুসলমান চিত্রের পূজা করে নাই। এখনও সমাজের গোঁড়ামীকে উপেক্ষা করিয়া যাঁহারা চিত্রশিল্পের সাধনায় যোগ দিয়াছেন, তাঁহাদের অঙ্কিত চিত্রকে মুসলমানেরা পূজা করিতেছে, এমন কথা শোনা যায় নাই। ইসলাম মানুষের ধর্ম্ম, বিবেকের ধর্ম্ম, মানুষের বিবেচনাকে ইসলাম কখনও অস্বীকার করে নাই। মানুষের অনুভূতি ও আশা আকাক্সক্ষাকে চিত্রে ফুটাইয়া তোলাতে ইসলাম কি দোষ দিতে পারে?

মুসলমানের সৃষ্টি বহু দিন হইতেই বন্ধ হইয়া গিয়াছে। শুধু শাস্ত্রের জাবর কাটিলে সে শক্তি ফিরিয়া আসিবে না। শাস্ত্রকে উপক্ষো করিতে বলিতেছি না। বুদ্ধি, বিবেচনা ও জ্ঞান দিয়া আধুনিক জীবনের মতবাদ অনুসারে শাস্ত্রকে বিচার করিয়া লইতে হইবে। অন্ধের মত অনুসরণের কোন মূল্য নাই। ইসলাম যুগধর্ম্মকে কোন দিন উপেক্ষা করে নাই, এবং কোন জীবন্ত ধর্ম্মই উপেক্ষা করিতে পারে নাই। যুগের পরিবর্ত্তনকে মানিয়া যে লইবে না তাহার মৃত্যু অনিবার্য্য। হিন্দু যদি আজ সমুদ্র যাত্রাকে অধর্ম্ম ভাবিয়া ঘরে বসিয়া থাকিত, অথবা খৃষ্টান যদি আঘাতের প্রতিÑ আঘাতের পরিবর্ত্তে অন্য গালখানি পাতিয়া দিত, তাহা হইলে তাহাদের জায়গা স্বর্গে হইলেও হইতে পারিত, কিন্তু এই মাটির দুনিয়ায় একেবারে অসম্ভব হইত। মুসলমানকেও যদি দরকার হয় এই রকম নির্ম্মমভাবে সামাজিক বিধি নিষেধকে পরিবর্ত্তন করিতে হইবে। ইসলামের মূল সূত্রকে পরিবর্ত্তন করিতে বলিতেছি না এবং তাহার দরকারও নাই।

আজ যাহারা নূতন সৃষ্টি করিতে চাহিবেন তাহাদিগকে মুক্ত অন্তঃকরণে স্বাধীনভাবে জ্ঞানের পথে চিন্তা করিতে হইবে। কোন বিধি নিষেধ ও বাহিরের বাধা যেন মানুষের চিন্তাকে রুদ্ধ করিতে না পারে। যুগ যুগান্ত হইতে মানুষের সৃষ্টির অভিযান চলিয়াছে। এ অভিযান রুদ্ধ হইতে পারে না।

জীবনের নূতন নূতন অভিজ্ঞতায় আমাদের সাহিত্যকে ভরিয়া তুলিতে হইবে। জীবনের উপলব্ধিই সাহিত্য, সে উপলব্ধির পরিসর যতই ব্যাপক হইবে আমাদের সাহিত্যও ততই বহুধা, বিভিন্ন মুখী ও শক্তিশালী হইবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমাদের জীবনের উপলব্ধি সীমাবদ্ধ, তার পরিসর নেহাৎ ক্ষুদ্র, তাই আমাদের পূর্ব্ব সাহিত্যও একেবারে হালকা। নারী জীবন একটা জীনিষ আমাদিগকে সম্পূর্ণ কল্পনা করিয়া গড়িতে হয়। কিন্তু কল্পনা করিয়া রূপকথা লেখা যায় কথা সাহিত্য সৃষ্টি করা যায় না। বাংলা সাহিত্য আজ যুগ পরিবর্ত্তনের সন্ধিক্ষণে বিদ্যাসাগর, মাইকেল, বঙ্কিমের যে সাহিত্য রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রে নূতন মূর্ত্তি পরিগ্রহ করিয়াছিল, সে সাহিত্য এখন তরুণদের হাতে আবার নূতন দিকে মোড় ফিরিতেছে। তাই আজ প্রবীণ দলে হৈ চৈ পড়িয়া গিয়াছে। শৈলজা-প্রেমেন্দ্র-নজরুল, কল্লোল-কালি কলমের উদ্দেশ্যে অনর্থক গালি-গালাজ বর্ষিত হইতেছে তথাকথিত অভিজাত সাহিত্যের পক্ষ হইতে। বাংলা সাহিত্যের এ নব সাধনা হইতে আমাদিগকে বিচ্ছিন্ন রাখিলে চলিবে না। আমাদিগকেও নূতনভাবে ভাবিতে হইবে, সমাজ জীবনকে নূতনভাবে অধ্যয়ন করিতে হইবে। আমাদের সমাজ বড় পতিত, তার জীবন বড় হীন ও তাই আমাদের সাহিত্য স্রষ্টাদিগকে নির্ম্মমভাবে কলম ধরিতে হইবে। নির্ম্মম ও কঠোরভাবে সমাজের গলদগুলিকে খুলিয়া ধরিতে হইবে। ভুল ভ্রান্তি ও গলদকে যদি বাহির করা না যায়, তবে চুনকাম করা সাহিত্যের দ্বারা কোন লাভ হইবে না। নিজেদের ভুল চুক, পাপকে স্বীকার করিতে হয়ত বুকভাঙ্গা বেদনা ও অশ্রুর সম্মুখীন হইতে হইবেÑ কিন্তু তাহাকে সহ্য করিয়া না লইলে উপায় নাই। রোগকে ঢাকিয়া আরোগ্য সুদূরপরাহত।

আমাদের এ আন্দোলনকে যদি স্থায়ী ও সাফল্যম-িত করিতে হয় তবে তাহাকে সাহিত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত করিতে হইবে। কারণ সাহিত্যই জাতির বাহন, সাহিত্যই চিরদিন তাহার জীবনের খোরাক জোগাইবে। তাহার জীবনে স্থায়ী অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করিবে। কোন ব্যক্তিত্বের ওপর যদি এ আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপিত হয় তবে ইহার ব্যর্থতা অনিবার্য্য।

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪

২৬/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: