রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

দুঃখিত! লেখাটি কেবল ‘গোল্ডফিশ মেমোরি’ মানুষদের জন্য

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪
  • মারুফ রসূল

উনিশ শো একাত্তর সালের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধকে নানাভাবে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা এবং অপচেষ্টা, দুটোই হয়েছে বিগত সময়গুলোতে। বলতে দ্বিধা নেই, এখনও আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বা এ সম্বন্ধীয় আলোচনা পৌঁছাতে পারেনি আমাদের কাক্সিক্ষত জিজ্ঞাসার স্তরে। আমরা দেখেছি, মুক্তিযুদ্ধের নানাদিকের আলোচনা চেয়ে একটি ফরমায়েশি আলোচনাই হয়েছে সবখানে। স্বাধীনতার এত বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-চলচ্চিত্র-সাহিত্য বা অন্য যে কোন মাধ্যমের কাজ দেখলে মনে হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলীয় বা ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের ঐতিহাসিকগণ বেরোতে পারেননি। আমরা, যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, তাদের কাছে এই তথ্যটি পৌঁছে দিতে পারেননি যে, মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাংলার গণমানুষের যুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হয়েছে নবগঠিত বাংলাদেশের সামগ্রিক দিকের সংজ্ঞায়ন।

নিঃসন্দেহে মুক্তিযুদ্ধ একটি রাজনৈতিক বিষয়। বাঙালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই অর্জন রাজনৈতিক গতি-প্রবাহকে অতিক্রম করে হয়ে উঠেছে মানবিকতা আর অমানবিকতার এক ঐতিহাসিক কোলাজ। একদিকে মুক্তিকামী জনতার দুর্জয় সাহসিকতা, অন্যদিকে বর্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আর তাদের দোসর রাজাকার আল-বদরের নৃশংসতা; একদিকে বাঙালীর স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে নানা আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্য মেরুতে বাঙালীর স্বাধীনতার জন্য রচিত হচ্ছে গান। একেবারে ঘরের ভেতর থেকে আমার মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপ্ত সমগ্র পৃথিবীতে। তাই প্রতিটি বিজয় দিবস এলেই আমি ভাবি, আমরা কী এই গভীর, ব্যাপ্ত আর প্রগাঢ় ইতিহাসকে তুলে ধরতে পারছি আমাদের কাজে?

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা মহল নানা বিতর্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে। তাতে তারা সফল হয়নি হয়তো, কারণ, হৃদ-স্পন্দনের ইতিহাস কোনদিন বদলানো যায় না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও স্বীকার করতেই হবে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক ইতিহাসের প্রেক্ষিত এখনও আমাদের মনোজগতকে স্পর্শ করতে পারিনি। এর ফলাফল ভয়ানক। এখনও আমাদের কাছে (আমরা, যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি) একাত্তর চেতনার অংশ হয়ে উঠেনি, বরং রয়ে গেছে উদযাপনের সুঁই-সুতোয়। তাই, যা হতে পারত আমাদের চেতনার প্রোজ্বল নক্ষত্র, তা এখনও হয়ে আছে আমাদের ক্যালেন্ডারের পাতায়। হায়! কেবল এই উদযাপনের জন্যই কী আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল?

যুদ্ধাপরাধের বিচার বা পাকিস্তানী বর্বর সেনাবাহিনীর যে অমানুষিক নির্যাতন, তার ক্ষত যে কতটা ভয়ঙ্কর ছিল, তার কতটুকুই বা আমরা অনুভব করতে পারি? কথাটি বললাম এই জন্য যে, দেশে যখন ‘মেহেরজান’- এর মতো চলচ্চিত্র মুক্তি পায়, বা এই চলচ্চিত্র নিয়ে কিছু মূর্খ সমালোচকগণ ন্যারেটিভের দরজা খুলেন, তখন আমাদের বিস্ময় লাগে ভাবতে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই লাখেরও উপরে নারী অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের কতটুকুই বা আমরা মনে রেখেছি? কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে এদেশে ‘মেহেরজান’ মুক্তি পেলেও বিএনপি-রাজাকার জোট সরকারের আমলে কিন্তু ঠিকই নিষিদ্ধ ছিল তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’। অর্থাৎ, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শিবির ভুল করে না, যত ভুল সব করি আমরা, যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেই।

এটা মনে রাখা দরকার যে, মুক্তিযুদ্ধে বর্বর পাকিস্তান বাহিনী গণহত্যা চালিয়েছে বাঙালী জাতিগোষ্ঠী ধ্বংসের কুৎসিত পরিকল্পনা থেকেই। এখানেই বিবেচ্য হয়, রাজনীতির সঙ্গে নারীর সম্পর্কের বিষয়টি। রাজনীতির অন্যতম কথা হলো ক্ষমতা। কোন সরকার ক্ষমতায় আসে দুটি উপায়ে, সকলের সম্মতিতে, বা বল প্রয়োগে। বল প্রয়োগে ক্ষমতা গ্রহণের সময় নেশন কখনও কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়; এবং সেক্ষেত্রে এথনিং ক্লিনজিং করা হয়।

ট্র্যাজেডি হচ্ছে- একটি নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ধ্বংস পরিকল্পনা করা হলে প্রথমেই নারী হয়ে উঠে লক্ষ্য- কারণ নারীকে হত্যা বা তার ভেতরে শঙ্কর জীবাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় নৃ-গোষ্ঠী ধ্বংস সম্ভব। উনিশ শো একাত্তর সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীও একই পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল। বাঙালী জাতিসত্তা ধ্বংসের অভিপ্রায়ে নির্মম নির্যাতন করেছিল বাঙালী নারীদের। সম্ভবত এর চেয়ে ভয়াবহ ও বীভৎস নারী নির্যাতন সভ্যতা আর দেখেনি কোনদিন।

একাত্তরে নারী নির্যাতনের ওপর বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমাদের এখানে হয়েছে, তবে তার কতটুকু আমাদের মনোজগতের কাঠামোকে আঘাত করতে পেরেছে, তা নিঃসন্দেহে আলোচনার দাবি রাখে। ডাঃ এম এ হাসানের বেশকিছু কাজ একাত্তরে বর্বর পাকিস্তানী বাহিনীর বীভৎস নারী নির্যাতনের একটি প্রায়-স্পষ্ট দিকরেখা তৈরি করে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠান্তে আমরা দেখতে পারি, নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে পাকিস্তানী বাহিনী মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেই বেছে নিয়েছিল। তাদের সাহায্য করেছিল এদেশের আল-বদর, আল-শামস, জামায়াতে ইসলামী আর ইসলামী ছাত্রসংঘ (বর্তমানের ইসলামী ছাত্রশিবির)।

পঁচিশ ও ছাব্বিশে মার্চের গণহত্যার পর পরই পাকিস্তানীরা বিভিন্ন শহরে, সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বাধীনতার পক্ষের বাঙালী- বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িগুলোতে ব্যাপক হানা দেয়। এ পর্যায়ে তারা কাউকে হত্যা করে, অনেককে বেঁধে নিয়ে যায়। পুরুষদের নির্যাতন করার পর কোন কোন স্থান থেকে নারীদের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কোন কোন পরিবারে মা-মেয়ে ও অন্য নারীদের তাদের বাড়িতেই নির্যাতন করে। এ সময় যৌন নির্যাতনের চেয়ে হত্যার প্রবণতাই ছিল বেশি। এর কয়েকদিন পর এরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ধ্বংস-হত্যা আর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। নারী ধর্ষণের ভয়ঙ্কর নজির সৃষ্টি করে ইতিহাসের বুকে।

এ ধরনের স্পট রেপ প্রক্রিয়া শুরু হয় এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে। এই ধর্ষণ প্রক্রিয়া আমাদের বিজয় লাভের পূর্ব পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এসব ধর্ষণের ক্ষেত্রে নির্যাতিত নারীর সংখ্যা প্রতি বাড়িতে দু’তিন জন ছিল।

ইতিহাসের বর্বরতম সেনাবাহিনী ছিল পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। যেখানেই তারা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি আঁচ করতে পেরেছে বা মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে- সেসব স্থান বা তার আশপাশের বহু এলাকায় তারা তাদের ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। এক একটা এলাকা ঘেরাও করেছে, শক্ত সমর্থ পুরুষদের বন্দী করেছে এবং তাঁদের সম্মুখেই এক একটা ভিটায় বা এক একটা ঘরে অনেকগুলো নারীকে জড়ো করে পুরো বাহিনী মিলে ধর্ষণ করেছে।

এ ধরনের এক একটি গণধর্ষণে আট-দশজন থেকে প্রায় একশ’ জন পাক সেনা পর্যন্ত অংশ নিয়েছে। এই ধর্ষণের তা-বতা পুরো নয় মাস ধরেই চলেছে।

নাটোরের ছাতনী গ্রামে গণহত্যা চালানোর পর পাকিস্তানীরা এ রকম একটি ভয়ঙ্কর গণধর্ষণ চালায়। এটি কেবল একটি উদাহরণ। এ রকম হাজার হাজার উদাহরণ ইতিহাস ঘাঁটলেই চোখে পড়বে।

কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি উপন্যাস আছে। ‘নেকড়ে অরণ্য’। পাকিস্তানী ক্যাম্পে কীভাবে নির্যাতন করেছে বর্বর অমানুষরা, আর সেই নির্যাতনের প্রকট দৃশ্য দেখে কী স্বাভাবিক আত্মতৃপ্তিতে মজেছিল এ দেশীয় রাজাকাররা- তার চাবুক বর্ণনা পাওয়া যায় এই উপন্যাসে।

যুদ্ধের পুরো নয় মাস পাকিস্তানীরা বিভিন্ন বাড়িঘর, স্কুল-কলেজ, বিভিন্ন যাত্রী ছাউনী, রেলস্টেশন, বাসস্টেশনসহ সারা বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরে আনে নারীদের এবং তাদের বন্দী করে রাখে সেনাক্যাম্পে। এসব কাজে রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ক্যাম্পে বন্দী করে নির্যাতনের জন্য সাধারণত রাজাকাররাই নারীদের তুলে আনত বা বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানী সৈন্যদের নিয়ে যেত।

এসব নির্যাতন ক্যাম্পে নারীরা কখনও একদিন, একাধিক দিন, কখনও বা মাসের পর মাস ধর্ষিত হয়েছেন। শেষ দিকে পাকিস্তানীরা এই বীরাঙ্গনাদের অধিকাংশদেরই হত্যা করে।

যুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানী সৈন্যরা- পাকিস্তানী পতাকার মিলিটারি জিপে এসে বাঙালী নারীদের ওপর কী পাশবিক নির্যাতন করেছে, তা বোঝার জন্য নির্যাতনের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করতে হয়। সেনাঘাঁটি বা ক্যাম্পে বন্দী নির্যাতিত নারীদের মধ্য থেকেই সাধারণত যৌনদাসী নির্বাচন করা হতো। এদের নির্যাতন করত উর্ধতন সেনা কর্মকর্তারা। ক্যাম্পের বদল হলে, এই নারীদেরও সেনারা সঙ্গে করে নিয়ে যেত।

এ রকম যৌনদাসীর শিকার হয়েছেন হবিগঞ্জের লস্করপুর চা বাগানের অনেক শ্রমিক। ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে এবং বিজয়ের পর অসংখ্য নারীকে পাওয়া যায় পাকিস্তানী ক্যাম্পে ও বাঙ্কারে।

পাকিস্তানী সৈন্যদের নির্যাতনের ধরন সব সভ্যতা বিবর্জিত মানুষের আচরণের চেয়েও নিকৃষ্ট ছিল। তাদের কোন কোন আচরণ ছিল ভয়ঙ্কর বিকারগ্রস্ত। এই বিকারগ্রস্ততা এতটাই বেশিমাত্রায় ছিল যে- মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এদের সাইকোপ্যাথ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

অসংখ্য পাকিস্তানী সৈন্য ও অফিসার একের পর এক অসহায় নারীকে সবার সামনে বিবস্ত্র করে নিষ্ঠুর যৌন নির্যাতনে রক্তাক্ত করেই ক্ষান্ত হয়নি; তারা এসব নারীর পায়ুপথ ছিন্নভিন্ন করে তাদের সব বর্জ্য ও যৌনাঙ্গ নারীদের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। অল্প বয়সী নারীরা যখন বীভৎস যন্ত্রণায় কাতরিয়েছে, তখন পাকিস্তানী সৈন্যরা বেয়নেটের খোঁচায় ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে তাদের যোনীপথ।

পাকিস্তানীদের যৌন বিকৃতি, মনোবিকার ও নিষ্ঠুরতা এতটা ভয়ঙ্কর ছিল যে তাদের অনেককে সাইকোপ্যাথিক পারসোনালিটি হিসেবে গণ্য করে তাদের অপরাধকে আচরণ বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় করা উচিত। তারা যুদ্ধে যতই পরাভূত এবং পরিবার ও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছিল, ততই তারা নিষ্ঠুর যৌন নির্যাতক, বিকারগ্রস্ত ও ধর্ষকামী হয়ে উঠছিল। তারা নিষ্ঠুর নিপীড়নের মাধ্যমে ভুলতে চাচ্ছিল পরাজয়ের গ্লানি। পরবর্তীতে আচরণগত বিচ্যুতির ব্যাখ্যা ও কৈফিয়ত দিতে গিয়ে জেনারেল নিয়াজি নিজেদের নির্দোষ জাহির করে বলে-

‘.. ..ঞযব ঢ়ংুপযড়ঢ়ধঃয রং ড়হব যিড়ংব পড়হফঁপঃ রং ংধঃরংভধপঃড়ৎু ঃড় যরসংবষভ ধহফ ঃড় হড় ড়হব বষংব.’ (এ.উ.চধৎঃৎরফমব)

তবে নিয়াজি যতই শাক দিয়ে মাছ ঢাকুক- পাকিস্তানীদের চারিত্রিক ও আচরণগত বিকারের পেছনে নিষ্ঠুর অবদমনেচ্ছা, জাতিগত প্রেরণা ও অসহিষ্ণুতা অত্যন্ত শক্তভাবে কাজ করেছে। পাকিস্তানীদের এই মনোবিকৃতির ব্যাখ্যা প্রদান করা যায় এ ভাবে-

‘ঞযব ধঃঃধরহসবহঃ ড়ভ ংবীঁধষ মৎধঃরভরপধঃরড়হ ঃযৎড়ঁময ঃযব রহভষরপঃরড়হ ড়ভ নড়ফরষু ড়ৎ সবহঃধষ ঢ়ধরহ ড়হ ড়ঃযবৎং নু ঢ়যুংরপধষ ড়ৎ াবৎনধষ সবধহং.. ..ওহ ধ নৎড়ধফবৎ, হড়হংবীঁধষ ংবহংব, ংধফরংস ৎবভবৎং ঃড় ধহু ঃুঢ়ব ড়ভ পৎঁবষঃু ড়ৎ বীঃৎবসব ধমমৎবংংরড়হ.

[ঞযব ঈঁৎংব ড়ভ ঠরৎঃঁব ধহফ ঃযব ইষবংংরহম ড়ভ ঠরপব, গধৎয়ঁরং ফব ঝধফব (১৭৪০-১৮১৪)]

পাকিস্তানী সৈন্যদের এ জঘন্য মনেবৃত্তির কারণে সারা বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল চিৎকারের ভাগাড়, নারীদের সেখানে ভয়ানক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এতটা ভয়াবহ, বিকৃত মানসিকতা সম্পন্ন বীভৎস নির্যাতন পৃথিবীর আর কোথাও হয়নি- সভ্যতা আর কোন দিন এমন বীভৎসতা দেখেনি।

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

১৬/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন



ব্রেকিং নিউজ: