কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চবি ভিসি অবরুদ্ধ

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

চবি সংবাদদাতা ॥ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে তাপস সরকার নামে এক কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার ক্যাম্পাস ছিল বিক্ষোভে মুখর। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম। এছাড়া নিজেদের কর্মী হত্যার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন সিএফসি (চ্যুজ ফ্রেন্ড উইথ কেয়ার)। এ সময় ছাত্রলীগ নেতারা দুপুর ১২টা থেকে চবি প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে এবং উপাচার্যকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পাশাপাশি প্রগতিশীল ছাত্রজোটসহ সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

এদিকে হত্যার ঘটনায় রবিবার রাতে হাটহাজারী থানায় মামলা হলে পুলিশ ২৪ ছাত্রকে আটক করে সোমবার কারাগারে পাঠিয়েছে।

এদিকে অবস্থান কর্মসূচী পালনের সময় বেলা ১২টার দিকে সিএফসি গ্রুপের নেতা ও চবি ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সুমন মামুনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় উপাচার্য বেলা ১টা পর্যন্ত সময় নেন এবং এ সময়ের মধ্যে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে ছাত্রলীগ নেতাদের আশ্বস্ত করেন। কিন্তু বেলা ১টায় কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় দেড়টার দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটসমূহ বন্ধ করে দিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীরা ভবনের জানালায় ইটপাটলে নিক্ষেপ করে ভাংচুর চালায়। এতে প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তারা ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। উপাচার্যও এ সময় প্রশাসনিক ভবনে তার অফিস কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে বেলা ২টার দিকে অফিস শেষে কর্মকর্তাদের বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হলেও উপাচার্য তখনও তার অফিস কক্ষে অবস্থান করেন।

মামলা দায়ের ॥ ছাত্র নিহতের পর ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত শাহজালাল হলে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে হাটহাজারী থানার এসআই হাবিবুর রহমন বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি দায়ের করেন। এতে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আটক ২৪ জনকে কারাগারে প্রেরণ ॥ পুলিশী অভিযানে আটক ২৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মোহাম্মদ নোমানের আদালতে তোলা হয় তাদের। বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে এই চব্বিশজনকে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, পুলিশী অভিযানে মোট ২৫ জনকে আটক করা হয়। তন্মধ্যে আহত একজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

১৬/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: