মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আজ হানাদারমুক্ত

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর ২০১৪
  • জামালপুর, ভোলা, মাদারীপুর, নড়াইল

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ আজ বুধবার, ১০ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে জামালপুর, ভোলা, মাদারীপুর, নড়াইল হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়। নিজস্ব সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর-

জামালপুর ॥ জামালপুর জেলা ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম খোকা কমান্ডার বলেন, মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা জামালপুর শহরে অবস্থিত পাকিস্তানী বাহিনীর দুর্গে পতন ঘটিয়ে ১০ ডিসেম্বর জামালপুরকে হানাদার মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। আজ জামালপুর মুক্ত দিবস পালন উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচী হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জামালপুর জেলা ইউনিট। সকাল ৭.০১ মিনিটে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, সোয়া ৭টায় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ১১টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি, দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে আলোচনা সভা হবে।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাহবুবুল হক বাবুল চিশতী।

ভোলা ॥ আজ ভোলা হানামুক্ত দিসব। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ভোলার অবদা কলোনি থেকে কয়েকটি ট্রাকযোগে বের হয়ে ভোলা খালের লঞ্চঘাটে পূর্ব নির্ধারিত একটি কার্গো লঞ্চে ওঠে। সঙ্গে তাদের মেসিনগানসহ ভারি অস্ত্র। ভোলায় সর্বপ্রথম বোরহানউদ্দিন দৌলার তালুকদার বাড়িতে হানা দেয় পাকবাহিনী। গোপন সংবাদ পেয়ে হাইকমান্ড সিদ্দিকের নেতৃত্বে একটি সুসংগঠিত মুক্তিবাহিনী আগেই ওঁত পেতে থাকে। পাকবাহিনী সেখানে পৌঁছামাত্র তিন দিক থেকে মুক্তিবাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে। সম্মুখ যুদ্ধে প্রায় ৪০ জন পাকসেনা নিহত হয়। বাকিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় বোরহানউদ্দিন বাজার আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এরপর বাংলাবাজার চাউলতাতলী মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধে অনেক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাকবাহিনী ভোলার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। সর্বশেষ ১০ ডিসেম্বর পাকবাহিনী ভোলা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

মাদারীপুর ॥ আজ ১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিবাহিনী ও পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে সন্ধ্যায় হানাদার বাহিনী মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। মূলত মাদারীপুুরে যুদ্ধ শুরু হয় আগস্ট মাসের প্রথম দিকে। মাত্র ৫ মাস পর ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই মাদারীপুরের বাইরের সবটি থানা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে। এ সময় হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মাদারীপুর শহরের হাওলাদার জুট মিলের অভ্যন্তরে ও নাজিমউদ্দিন কলেজে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে তাদের ঘিরে রাখেন।

নড়াইল ॥ আজ ১০ ডিসেম্বর নড়াইল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে নড়াইলের মুক্তি পাগল দামাল ছেলেরা মিত্রবাহিনীর কোন প্রকার সহযোগিতা ছাড়াই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সম্মুখযুদ্ধে পরাজিত করে নড়াইলকে মুক্ত করে। দিবসটি পালন উপলক্ষে নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর ২০১৪

১০/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: